Techno Header Top and Before feature image

ডিজিটাল কনটেন্টে পড়বে বিটিসিএল স্কুলের শিক্ষার্থীরা

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে বিটিসিএল পরিচালিত টিএন্ডটি  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ইন্টারনেট বিহীন ডিজিটাল পাঠদান কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। 

এই পদ্ধতিটি চালু হওয়ার ফলে শিক্ষার্থীরা বই খাতা, কলম কিংবা চক-ডাস্টার পদ্ধতিতে প্রচলিত পাঠদান পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠ নিতে পারবে। 

বিটিসিএল পরিচালনাধীন ৮টি টিএন্ডটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে প্রাথমিকভাবে প্রি-স্কুল থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত এই শিক্ষাকার্যক্রম চালু হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে মোবাইল বা ট্যাবে বোর্ডের পাঠ্যসূচি  ডিজিটাল এনিমেশনের মাধ্যমে তৈরি করা সফটওয়্যারে পাঠদান করা হবে। ফলে খেলার ছলে  ছোট শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে সহজে এবং আগ্রহের সাথে পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে পারবে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বুধবার ডিজিটাল পাঠদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। 

বিটিসিএল, হুয়াওয়ে এবং বিজয় ডিজিটালের যৌথ উদ্যোগে এই পাঠদান হবে। এ উপলক্ষে  আয়োজিত অনলাইন সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য গত তিন যুগ ধরে কাজ করছি। ১৯৯৯ সালে গাজীপুরে ১৩ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এই স্বপ্ল বাস্তবায়নের যাত্রা করি। অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী সেটি উদ্বোধন করেছিলেন, যা বর্তমানে বেড়ে ৩২টিতে উন্নীত হয়েছে।

মন্ত্রী তাঁর দীর্ঘ পথ চলার চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে বলেন, ডিজিটাল শিক্ষা বিস্তারের সবচেয়ে বড় দুটি প্রতিবন্ধকতা হলো ডিভাইস এবং কনটেন্ট। গত ১১ বছরে বিজয় ডিজিটাল কনটেন্ট  বিষয়ক চ্যালেঞ্জটি মোকাবেলা করতে পেরেছেন। প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তকের কনটেন্ট তৈরি করে  শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিতে পেরেছে বিজয়। বিনা টাকায় করোনাকালে  শিক্ষার্থীরা এই কনটেন্টটি এখন পাচ্ছে।

টিএন্ডটি স্কুলগুলোতে বিনামূল্যে বিজয় সফটওয়্যারটি সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।  

মোস্তাফা জব্বার বলেন, শিক্ষা জীবনে প্রাথমিক স্তরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।আর আগামী দিনটা হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তির দিন। এই পদ্ধতিতে শিশুদের কম্পিউটার শিক্ষার কাজটিও যেমন এগিয়ে যাচ্ছে পড়ার প্রতি তাদের আগ্রহও তেমনি বাড়ছে। 

ডিজিটাল কনটেন্ট দিয়ে পাঠদানের প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকার বনানীতে টিএন্ডটি বয়েজ হাইস্কুলে কার্যক্রমটি শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দুই বছরের মধ্যে টিন্ডটির আরও ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক হাজার ৯শত ৭০ জন শিক্ষার্থী ডিজিটাল শিক্ষার আওতায় আসবে।

বিটিসিএলের ‘ব্রিজিং দ্য ডিজিটাল এডুকেশন ডিভাইড টু রিডিউস দ্যা গ্যাপ’ প্রকল্প এই কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে।

বাংলাদেশের জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে উদ্ভাবিত সফটওয়্যার শিক্ষার্থদের সরবরাহ করবে বিজয় ডিজিটাল অ্যাপ। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরকে ট্যাব সরবরাহ করবে হুয়াওয়ে। সরবরাহকৃত ট্যাবে বিজয় ডিজিটাল অ্যাপটি আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকবে।

ইএইচ/জুলাই৮/২০২০/১৭৪৪

*

*

আরও পড়ুন