Techno Header Top

ভ্যাট জটিলতা, ইন্টারনেট ‘বন্ধের’ কর্মসূচি ভাবছে আইএসপিএবি

ispab-techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে ভ্যাট জটিলতার প্রশ্ন তুলে প্রতিবাদস্বরূপ নির্দিষ্ট সময় ইন্টারনেট বন্ধের কর্মসূচি করতে চাইছে আইএসপিএবি।

দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতাদের এই সংগঠন শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট খাতে ৫ শতাংশ এবং ১৫ শতাংশ ভ্যাটের জটিলতা নিরসন না হলে তারা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলনে নামবেন।

‘জুলাই মাসের মধ্যে এ বিষয়টি সমাধান না হলে বা আশ্বাস না পেলে সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে আন্দোলন কর্মসূচি ঠিক করা হবে। সেখানে আগস্টের শুরুতে প্রথম সপ্তাহে ১ ঘন্টার জন্য এবং পরের সপ্তাহগুলোতে আনুপাতিক হারে বেশি সময় করে সারাদেশে ইন্টারনেট বন্ধ করা কর্মসূচি থাকতে পারে’ বলছিলেন সংগঠনটির সভাপতি আমিনুল হাকিম ।

ভার্চুয়াল এই সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। 

ইমদাদুল হক বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে কর্মীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলা করা ছাড়াও বিল আদায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কমে গেছে। তবুও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিয়ে আসছে।

‘ভ্যাটের জটিলতা ছাড়াও আইএলডিসি, আইআইজি এবং আইএসপি খাতকে আইটিইএস ক্যাটাগরিতে অর্ন্তভুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইছি’ বলছিলেন তিনি। 

ইমদাদুল বলেন, বিষয়টি নিয়ে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী উদ্যোগ নিয়েছেন, এনবিআর ও অর্থমন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছেন কিন্তু কোনো সমাধান হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে আমিনুল হাকিম জানান,  গত অর্থ বছরে ইন্টারনেটে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ভ্যালু চেইনের অন্যান্য (আইটিসি, আইআইজি, এনটিটিএন) খাতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারিত হওয়ায় ইন্টারনেট সেবা খাতে জটিলতা সৃষ্টি হয়।

তিনি জানান, এই জটিলতা নিরসনে তৎকালীন অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী, এনবিআর চেয়ারম্যান এবং বিটিআরসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে একটি সভা হয়। সভার আলোচনায় ইন্টারনেটের প্রতিটি স্তরে (আইটিসি, আইআইজি, এনটিটিএন) ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত হয়। পরে সে অনুযায়ী ইন্টারনেটের প্রতিটি স্তরে ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর।

‘কিন্তু এর কয়েক মাসের ব্যবধানে চলতি অর্থবছরের বাজেটে পুনরায় ইন্টারনেট সেবায় শতাংশ ভ্যাট এবং অন্যান্য স্তরে (আইটিসি, আইআইজি, এনটিটিএন) ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করায় সাবেক অর্থমন্ত্রীর নের্তত্বে সমাধান করা বিষয়টিতে আবারও আগের জটিলতা সৃষ্টি হয়। এর ফলে প্রান্তিক পর্যায়ে ইন্টারনেটের মূল্য ৩০ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে’ বলছিলেন আইএসপিএবি সভাপতি।

এভাবে ভ্যাট আরোপকে বৈষম্যমূলক এবং মূসক আইনের পরিপন্থি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সংগঠনটির প্রস্তাব ইন্টারনেটের সকল ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ অথবা ০ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এই জটিলতার সমাধান হবে।

এডি/১৩৩০/জুলাই০৪/২০২০ 

আরও পড়ুন –

করোনাকালে ব্রডব্যান্ডের কদর, ১০ কোটির ল্যান্ডমার্কে ইন্টারনেট 

টিকে থাকতে প্রণোদনা চাইছে স্থানীয় ইন্টারনেট সেবাদাতারা

*

*

আরও পড়ুন