ওয়ারী লকডাউনে জরুরি পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে ই-ক্যাব সদস্যরা

ফাইল ছবি
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দ্বিতীয় কোনো এলাকা হিসেবে রাজধানী ওয়ারীতে শনিবার ভোর থেকে কার্যকর হয়েছে লকডাউন। এই সময়ে জরুরি সব পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪১ নং ওয়ার্ডের আউটার রোড (টিপু সুলতান রোড, জাহাঙ্গীর রোড, ঢাকা-সিলেট হাইওয়ে (জয় কালী মন্দির হতে বলদা গার্ডেন) ও ইনার রোড় (লালমনি রোড, হরে রোড ওয়ার রোড, রানকিন রোড়, নওয়াব রোড) এই লকডাউনের আওতায় থাকবে।

এই সময় দুটি প্রবেশমুখ ছাড়া সব রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জনসাধারণ এই সময়ে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে পারবে না। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার জন্য এটুআই এর সঙ্গে কাজ শুরু করেছে ই-ক্যাব কুড়িটির বেশি সদস্য প্রতিষ্ঠান।

গত ৩০ জুন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে অনুষ্ঠিত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় রেডজোন ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

ইতিপূর্বে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় অত্র এলাকায় লকডাউন বাস্তবায়নের জন্য সিটি কর্পোরেশনকে চিঠি দেয়।

গতমাসে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের রাজাবাজার এলাকায় ২১ দিনের লকডাউন ২ দিন আগে শেষ হয়েছে। রাজাবাজার এলাকায় ২১ দিন যাবত ন্যায্যমূল্যে জনসাধারণকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করেছে ই-ক্যাবের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো। রাজাবাজারে নতুন করে করোনা সংক্রমণ না হওয়ায় একই মডেলে শনিবার শুরু হয়েছে ওয়ারী এলাকা লকডাউন।

ঢাকা শহরে লকডাউন এলাকায় সেবা দেয়ার জন্য সক্ষমতা এবং বিগত দিনের সেবার উপর বিশ্লেষণ করে এটুআইর তত্ববধানে ই-ক্যাবের সদস্য প্রতিষ্ঠান মোট ৭০টি প্রতিষ্ঠানকে বাছাই করা হয়েছে।

উল্লেখ্য বর্তমানে ই-ক্যাবের সদস্য সংখ্যা ১২ শতাধিক।

ই-ক্যাবের প্রেসিডেন্ট শমী কায়সার বলেন, আমাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে সে কাজটি দক্ষতার সাথে করে আসছে। আশাকরি ওয়ারীতেও তার ব্যতিক্রম হবে না।

ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, রাজাবাজারের মতো ওয়ারীতেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে এখানে নিত্যপণ্য সরবরাহ করব। ই-ক্যাবের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো গাড়িতে করে গিয়ে পণ্য ঘরে ঘরে পৌঁছে দেবে এজন্য পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ঘটবে না এবং আমাদের একটি টিম সার্বক্ষণিক বিষয়টা তদারক করবে।

এটুআই এর হেড অব ই-কমার্স রেজওয়ানুল হক জামি বলেন, আমরা আসলে রাজাবাজারের অপারেশনটাকে মডেল হিসেবে দেখতে চাই। প্রতিটি ডেলিভারি এবং প্রতিটি গাড়িকে যেভাবে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার পথে নজরদারী করা হয়েছে। সে অভিজ্ঞতাটাই আমরা কাজে লাগাতে চাই।

পুলিশ, সেনাসদস্য, এটুআই প্রতিনিধি, ইক্যাব প্রতিনিধি ছাড়াও স্থানীয় স্বেচ্চাসেবকরা দায়িত্ব পালন করছে ওয়ারী এলাকায়।

ইএইচ/জুলাই৪/২০২০/১০০০

*

*

আরও পড়ুন