এসএমপি বিধিনিষেধ, মামলা তুলে আলোচনায় বসছে গ্রামীণফোন

GrameenPhone Corporate Office_ Tech Shohor
Evaly in News page (Banner-2)

আল-আমীন দেওয়ান, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : এসএমপিতে আরোপিত বিধিনিষেধ নিয়ে আদালতে গেলেও এবার আলোচনায় বসে সুরাহা চাইছে গ্রামীণফোন।

মঙ্গলবার গ্রামীণফোনের আলোচনার প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসি।

বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন খাঁন টেকশহরডটকমকে জানান, নিয়ন্ত্রণ সংস্থা হিসেবে তারা যে নির্দেশনাগুলো অপারেটরদের দেন তা আইন ও বিধির মধ্যে থেকে সবদিক বিবেচনা করে দিয়ে থাকেন। এই নির্দেশনা যদি বুঝতে অসুবিধা হয় বা কিছু বলার থাকে তাহলে বিটিআরসি সবসময় আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিটিআরসির উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলছেন, ইস্যুটি নিয়ে গ্রামীণফোনের সিইও বিটিআরসি চেয়ারম্যানকে আলোচনার প্রস্তাবের কথা জানিয়েছেন।

‘বিটিআরসির পক্ষ হতে বলা হয়েছে যে, আলোচনায় বসতে হলে প্রথমে ইতোমধ্যে দেয়া বিটিআরসির নির্দেশনাগুলো পালন শুরু করতে হবে এবং রিট মামলা প্রত্যাহার করতে হবে’ বলছিলেন তিনি।

গ্রামীণফোন এই শর্তে রাজি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার গ্রামীণফোনের হেড অব এক্সটার্নাল কমিউনিকেশন্স মুহাম্মদ হাসান টেকশহরডটকমকে জানিয়েছেন, দুটি বিধিনিষেধ নিয়ে আপত্তি থাকলেও এসএমপি ইস্যুতে গ্রামীণফোন বিটিআরসির সঙ্গে কাজ করে যেতে চায়।

গত ২১ জুন এসএমপি বা একচেটিয়া অপারেটর হিসেবে গ্রামীণফোনের উপর দুই বিধিনিষেধ কার্যকরের নোটিস দেয় বিটিআরসি। এতে এমএনপি লকিং পিরিয়ড কমিয়ে দেয়া এবং বর্তমানে চালু সকল সার্ভিস, প্যাকেজ, অফার নতুন করে অনুমোদন নেয়া ও নতুন কোনো প্যাকেজ বা সেবার ক্ষেত্রেও অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা দেয়া হয়েছে।

এরপর রোববার আরও একটি বিধিনিষেধ দেয়া হয়ে। যেখানে কল টার্মেনেটিং রেট কমিয়ে দেয়া হয়।

এরমধ্যে এসব বিধিনিষেধের প্রক্রিয়া নিয়ে হাইকোর্টে রিট করে করে গ্রামীণফোন। রোববার এই রিট আবেদন করে তারা।

এর আগে এই এসএমপি ইস্যুতে আরও দু’বার আদালতে গিয়েছিল অপারেটরটি। এবং দু’বারই এসএমপি নির্দেশনার বাস্তবায়ন পিছিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল অপারেটরটি।

১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্রামীণফোনকে এসএমপি ঘোষণা করা হয়। এরপর ১৫ মাস পেরিয়ে ২০২০ সালের জুনে এ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ কার্যকরের এই পদক্ষেপ।

টেলিকম খাতের জন্য বিটিআরসি যে এসএমপি নীতিমালা তৈরি করেছে সেখানে কোনো অপারেটরের কার্যকর গ্রাহক বা আয় বাজারের ৪০ শতাংশ হলে তাকে এসএমপি ঘোষণা কর যাবে। সেই ফর্মুলায় জিপিকে এসএমপি ঘোষণা করা হয়।

এডি/২০২০/জুন৩০/২০২০

*

*

আরও পড়ুন