সেবা-অফার অনুমোদনে জিপির অপেক্ষা বাড়লো

গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয় জিপি হাউজ। ছবি : টেকশহর
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : একচেটিয়া অপারেটর হিসেবে গ্রামীণফোনকে দেয়া সেবা ও অফার অনুমোদনের বিধিনিষেধে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি।

এতে গ্রামীণফোনের সকল সেবা ও অফার অনুমোদনের অপেক্ষা বাড়িয়ে ৫ দিন করা হয়েছে। 

অপারেটরটিকে বুধবার এই নির্দেশনার চিঠি পাঠিয়েছে বিটিআরসি।

সাধারণত কোনো সেবা ও অফার অনুমোদনের জন্য অপারেটরগুলো বিটিআরসিকে অবহিত করে। এই অবহিতকরণে অপেক্ষার সময় ৩ তিন। এর মধ্যে  বিটিআরসি কোনো উত্তর বা নির্দেশনা না দিলে তা অনুমোদন হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) অপারেটর হিসেবে গ্রামীণফোনের উপর দেয়া দুই বিধিনিষেধের একটি ছিল অবহিতকরণ সুবিধা  কেড়ে নিয়ে অনুমোদন নেয়ার বাধ্যবাধকতা দেয়া । এতে গ্রামীণফোনকে আবেদন অনুমোদন বা বাতিলের জন্য ৩ দিন পর নির্দেশনার অপেক্ষা করতে হবে।

এবার  সেটি গ্রামীণফোনের জন্য ৫ দিন করে দেয়া হয়েছে।

রোববার গ্রামীণফোনকে দেয়া দুটি বিধিনিষেধের আরেকটি ছিল, এমএনপি লকিং পিরিয়ড কমিয়ে দেয়া । যেখানে এমএনপি লকিং পিরিয়ড জিপির ক্ষেত্রে হবে ৬০ দিন যেটি অন্য অপারেটরের ক্ষেত্রে ৯০ দিন। এটি কার্যকর হবে ১ ‍জুলাই হতে।

এছাড়া দ্বিতীয় বিধিনিষেধ কার্যকরে বলা হয়েছে, নতুন সার্ভিস, প্যাকেজ, অফার অনুমোদনের বিষয়টি কার্যকর হবে ১ জুলাই হতে আর বর্তমানগুলো অনুমোদন করিয়ে নেয়ার শেষ তারিখ দেয়া হয়েছে ৩১ আগস্ট।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি গ্রামীণফোনকে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসএমপি ঘোষণা করে। এরপর ১৫ মাস পেরিয়ে ২০২০ সালের জুনে এ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ কার্যকরের এই পদক্ষেপ।

টেলিকম খাতের জন্য বিটিআরসি যে এসএমপি নীতিমালা তৈরি করেছে সেখানে কোনো অপারেটরের কার্যকর গ্রাহক বা আয় বাজারের ৪০ শতাংশ হলে তাকে এসএমপি ঘোষণা কর যাবে। সেই ফর্মুলায় জিপিকে এসএমপি ঘোষণা করা হয়।

২০২০ সালের মে মাসে অপর তিন অপারেটর রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক বিটিআরসির কাছে চিঠি দিয়ে গ্রামীণফোনের ‍উপর এসএমপির বিধিনিষেধ আরোপের অনুরোধ করে।

চিঠিতে তারা গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে সামাজিক দায়বদ্ধতার নামে বাজার নষ্ট করার অভিযোগ আনে। 

তিন অপারেটর প্রধানের যৌথ স্বাক্ষরে দেয়া ওই চিঠিতে তারা বলছেন, এসএমপি ঘোষিত অপারেটর যেভাবে বাজার দখলের জন্য দেশের টেলিটকম খাতকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে তা এ খাতটি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। 

এডি/২০২০/জুন২৫/১১৫০

*

*

আরও পড়ুন