রেডজোনে ১৩ দিনের বন্দিত্ব ও ই-কমার্সের জারিজুরি

Evaly in News page (Banner-2)

আল-আমীন দেওয়ান : রাত তখন ২টা। হঠাৎ প্রচণ্ড পেট ব্যথা, সময় যায় ঘরোয়া কোনো টোটকায় সে ব্যথা আর সারে না। যখন দেখলাম আর পারা যাচ্ছে না ঘুম ভাঙালাম এক ডাক্তার আত্মীয়ের।

লক্ষণ শুনে অভয় দিয়ে ওষুধ দিলেন, বললেন আশাকরি কেটে যাবে। মনে মনে বলি, ফ্রিজে ঠাণ্ডা জমিয়ে একটু আগে ৬টা তালের শাঁস আর ২০টা লিচু কাজের বেখেয়ালে যে খেয়ে ফেলেছি, সে কথা তো আর তোমাকে বলিনি ডাক্তার।

ওষুধ আনতে হবে। কিন্তু আমি দেশের প্রথম করোনা রেডজোনে বন্দি, সে সময় পূর্ব রাজাবাজারে লক ডাউনের দ্বিতীয় দিন পেরোচ্ছে। ব্যথায় কঁকিয়ে উঠি আর ভাবি, রেড জোন সিল করার প্রথম দিন পুলিশ, সেনাবাহিনী, সিটি কর্পোরেশন, স্থানীয় প্রশাসন-নেতাকর্মীদের যে ‘ধর তক্তা মার পেরেক’ অবস্থা দেখেছিলাম-কী ভোগান্তি না জানি আছে কপালে!

চলাচল ঠেকাতে নেট দিয়ে ভেতরের একটি পথ সিল করে দেয়া হয়েছে। ছবি : টেকশহর
 
কিন্তু না, সৌভাগ্যবশত আমি কোনো ভোগান্তিতে পড়িনি বরং ইমার্জেন্সিতে প্রয়োজনীয় সবটুকু সাপোর্ট আমি পেয়েছিলাম।

কীভাবে?

ই-কমার্সে? সরি, না। ওই গভীর রাতে এত দ্রুত ওষুধ পৌঁছে দেয়ার মতো লজিস্টিক সাপোর্ট নিয়ে ই-কমার্স আমাদের দেশে এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। যদিও ওষুধ ও মেডিকেল ইক্যুপমেন্ট নিয়ে বেশ কয়েকটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কথা আমি জানি, তাদের জার্নি খুব বেশি দিনের না। হয়তো এক সময় সক্ষমতা অর্জন করবেন।

এরমধ্যে কেউ কেউ ২৪ ঘন্টা সেবার কথা বলে থাকেন কিন্তু এমন রাতে প্রয়োজনে তাদের ‘খোঁজ দ্যা সার্চ’ করার অভিজ্ঞতাটা সুখকর হবে না আপনার।

ওই রাতে কলেজ পড়ুয়া দু’জন স্বেচ্ছাসেবক মোটরসাইকেল টেনে কলাবাগান লাজ ফার্মা হতে এত দ্রুত ওষুধ এনে দিয়েছিলেন, যে স্বাভাবিক সময়ে আমিও এত দ্রুত ওষুধ যোগাড় করতে পারতাম না।

এবার আসি ওই রাতে যদি ডাক্তার আত্মীয়কে না পেতাম তাহলে ? অপশন দেশে চালু থাকা টেলিমেডিসিন সেবাগুলো। এই সেবাটি যে কয়েকবার নেয়ার চেষ্টা করেছি সত্যি বলতে কী, সংযোগ স্থাপন করাই সময়সাপেক্ষ। একবার দু’বার পেলেও মনে হয়েছে দায়সারা। হয়তো ফ্রি বলে ! সেবা ঠিকঠাক পাইনি। আমি নিয়শ্চই দিনের বেলা, যখন সেবার অনেক অপশন থাকে তখন চেষ্টা করিনি। এই লকডাউনেই ‘ইমার্জেন্সি অসময়েই’ রাত গভীরে চেষ্টা করেছিলাম আরেকবার।

এই করোনা সময়ে ইতোমধ্যে টেলিমেডিসিনের অনেক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশাবাদী আমি, তাই ধরে নিলাম ওই সময় ফোন করলে সেবাটি আমি পেতাম।

নিত্যপণ্য নিয়ে এটুআই, একশপের কাভার্ডভ্যান, ছবি : টেকশহর

এখানে আমার পর্যবেক্ষণ, উন্নত বিশ্বের টেলিমেডিসিনের যে স্ট্যান্ডার্ড তা এখানে এখনও প্রতিষ্ঠিত নয়। ফোনের বিপরীতে একজন নবীন ও মাত্র অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করছেন এমন চিকিৎসককেই পেয়েছি সবসময়। অথচ সাধারণ জ্ঞান বলে এই কাজটিই বেশ কঠিন হওয়ার কথা, কথা শুনে জরুরি চিকিৎসা দেয়া। মানুষ এখন জ্বর হলে প্যারাসিটামল খেতে হবে এজন্য টেলিমেডিসিন নেয় না। করোনার এই সময় তো প্রেক্ষাপট একদমই ভিন্ন, বিষয়গুলোতো নানা জটিলতায় প্রকট।

ই-কমার্স খাতের এখানে এখনও অনেক কাজ বাকি। জরুরি টেলিমেডিসিনে চিকিৎসক যেন ভিডিওতে রোগীকে দেখতে পারেন বা রোগী চিকিৎসককে দেখাতে পারেন। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রাথমিক অনেক কাজকেই আরও একুরেসি দিতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি এই দুটি সেবা নিয়ে ই-কমার্সকে প্রশ্নের মুখে রাখলাম। ই-কমার্স খাতের সেবার পরিধি ও সক্ষমতা নিয়ে যারা কাজ করেন তারা আশাকরি ভেবে দেখবেন।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর ভ্যান হতে সবজিসহ নিত্যপণ্য কিনছেন রেড জোনের বাসিন্দারা। ছবি : টেকশহর

এবার বলি রেডজোনে কীভাবে ই-কমার্সগুলো চমৎকার করেছে। ছোট্ট এই এলাকায় প্রায় ৫০ হাজারের কাছাকাছি মানুষ । এসব মানুষের দৈনন্দিন আবশ্যিক প্রয়োজনে এতটুকু সমস্যা হতে দেয়নি তারা।

যখন এখন লেখা লিখছি তখন রেডজোনের লকডাউন ১৩ দিন পেরিয়েছে। প্রথম দফার শেষদিন ১৪ দিনের শুরু, এই সকালে আমি শুনতে পাচ্ছি প্রয়োজন সারতে স্বেচ্ছাসেবীরা মাইকিং করছেন। মানে আমি প্রথম দিন হতে এখন পর্যন্ত কার্যক্রমগুলো দেখছি।  সেবা নিয়েছি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে। সাংবাদিক হিসেবে কোথাও কোনো পরিচয় ব্যবহার করিনি।

দৈনন্দিন নিত্যপণ্য শাকসবজি, ফলমূলসহ বাজারসদাই নিয়ে অনেকগুলো ভ্যান মহল্লার ভবনগুলোর সামনে আসছে। প্রতিদিন নিয়ম করেই এসেছে। আসার সময় হ্যান্ডমাইকে অধিবাসীদের জানানো হচ্ছে যেন কেউ তার প্রয়োজন মিস না করেন। এতে অবশ্য আমার সকালের ঘুম ছুটে গেছে, হা হা হা।

আমি দেখেছি ভ্যানগুলোতে সুরক্ষার নিয়মকানুন মানা হচ্ছে। প্রথম প্রথম হয়তো অনেক পণ্য ছিল না কিন্তু চাহিদা জানালে এটি যোগ হচ্ছে বা পরদিন এনে দেয়া হয়েছে।

প্রথম দিন আমি দুধ চেয়েছিলাম, মাছ-মাংসের কথা বলেছিলাম। পরদিন তা এনে দেয়া হয়েছে। এরপর এমনকি মহিষের মাংস, মাংসের কিমা, নানারকম মাছও এনে হাজির করেছে ই-কমার্সগুলো।

মৌসুমি ফল আম-আনারস-লিচু হাজির হয়েছে সরাসরি কৃষকের বাগান হতে। অন্য ফল তো এমনিতেই ছিল। রেড জোনবাসীরা মৌসুমি ফল উপভোগ হতে বঞ্চিত হননি।

এটুআই একশপ কৃষকবন্ধু উদ্যোগে কৃষকের বাগান ও খামার হতে আমসহ বিভিন্ন ফল ও মাছ আনা হয়েছে। ছবি : টেকশহর।
 
আমি বিভিন্ন প্লাটফর্মে বলতে শুনেছি রেডজোনের ভেতর পণ্যের দাম বেশি রাখা হচ্ছে। আমি এতে ভিন্নমত জানাচ্ছি।

আমি প্রতিদিনই কিছু না কিছু কিনেছি, পেশাগত কৌতুহলেই দাম দেখেছি, যাচাই করেছি। আমার মনে হয়েছে পণ্যমূল্য স্বাভাবিক ছিল। বরং সরাসরি কৃষকের বাগান হতে আনা পণ্যগুলোর দাম তুলনামূলক কম ছিল। ২২ জুন একদম এ গ্রেডের ল্যাংড়া আম একশপ-কৃষক বন্ধু বিক্রি করেছে ৭০ টাকা কেজিতে।

এটুআই, একশপ, কৃষকবন্ধু উদ্যোগ, ই-ক্যাব কো-অর্ডিনেশন চমৎকার হচ্ছে বলে দেখেছি।

এই প্রায় ৫০ হাজার মানুষের নিত্যপণ্যের যোগান দেয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি সুরক্ষা মেনে তা সরবরাহ করা বলতে হয়তো সহজ লাগছে, কিন্তু এটি চাট্টিখানি কথা নয়।

এটুআইয়ের ইএম সলিউশনস আর্কিটেক্ট অ্যান্ড ই-কমার্স টিম লিড রেজওয়ানুল হক জামি যিনি এই পুরো বিষয়টি পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন ও কো-অর্ডিনেট করছেন। দেখেছি তিনি চ্যালেঞ্জগুলো নিচ্ছেন এবং দ্রুত আপডেট করছেন। আমি নিজে ভদ্রলোককে পরীক্ষার মধ্যে ফেলেছিলাম যেখানে তিনি এ প্লাস মার্কে পাস করে গেছেন। নি:সন্দেহে তিনি ধন্যবাদ প্রাপ্য। সঙ্গে অন্যদেরও যারা কোনো না কোনোভাবে এতে যুক্ত রয়েছেন।

আমার পরামর্শ, যদি সম্ভব হয় রেডজোনগুলোতে জরুরি ওষুধ ও টেলিমেডিসিন (ভিডিও বিশেষজ্ঞ সেবাসহ) সেবা দুটি নিয়ে কাজ করা। এখানে দুটি ই-কমার্সকে প্রস্তুত করে একটি জোন বা একাধিক জোনের জন্য ডেডিকেটেড করে দেয়া যেতে পারে। পরীক্ষামূলক রেডজোনে এটিও ফাইন্ডিংস হিসেবে যদি নেয়া যায়।

ভ্রাম্যমান মীনাবাজার বসে গেছে ল্যাপটপ-বারকোড রিডার নিয়ে। ছবি : টেকশহর

এসবের মধ্যেও আমি কিন্তু আমি দারাজে চাল অর্ডার করে পেয়েছি, এমনকি এফ-কমার্সে পিঠা-বিস্কুট কিনেছি। গেটের বাইরে হতে স্বেচ্ছাসেবকরা ভেতরে এনে দিয়েছেন।

ভেতরে বিদুৎ বিল দেয়া ও বিকাশে টাকা পরিশোধের মোবাইল বুথও বসানো হয়েছে। মীনা বাজার ও স্বপ্ন সুপার শপ বড় ভ্যান এনে, ল্যাপটপ-বারকোড যন্ত্রপাতি এনে ভ্রাম্যমান শপ বানিয়েছে, যেখানে আপনি সবই পাবেন। এর মধ্যে আগোরাও ভেতরে ব্যানার-ফেস্টুন লাগিয়ে গেছে যে তারা স্টোর হতে পণ্য হোম ডেলিভারি করে দেবেন।

রেডজোনে মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে সত্যিই আমি অবাক হয়েছি। এ চিত্র আমাদের সবসময় দেখা চিত্রের মতো নয়। যেখানে আমরা সংবাদপত্রে প্রায়ই দেখি ত্রাণের চাল চুরি, গরীরের মানবিক সহায়তার টাকা মেরে দেয়া, সেখানে আগ বাড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়ানোর উদাহরণ একদমই কম।

স্বেচ্ছাসেবীরা গেইটে নিয়ন্ত্রিত চলাচলে নাম ও বের হওয়ার কারণ এন্ট্রি করছেন। ছবি : টেকশহর

পূর্ব রাজাবাজারে জনপ্রতিনিধি ও তাদের কর্মীদের আমি যথেষ্ট বিনয়ী দেখেছি। ব্যাপক এই কর্মযজ্ঞে এত মানুষের কোয়েরি সামলাতে তাদের বিরক্তি দেখেনি। আমি মোবাইল ফোনে বিভিন্ন নম্বরে অনেক কোয়েরি করেছি, সাহায্য চেয়ে দেখেছি, সমস্যার কথা বলেছি-হাসিমুখে সহায়তার প্রতিশ্রুতি পেয়েছি।

অ্যাম্বুলেন্সসহ যেকোনো প্রয়োজনে তারা আন্তরিক সহযোগিতা করতে চেয়েছেন, বলেছেন যত রাত হোক যেন নি:সংকোচে ফোন দেই। দরকার হলে কন্ট্রোল রুমে চলে যাই। অন্তত অল্পবয়সী সব ছেলেপেলেদের কথা না বললেই নয়। এদের কেউ ছাত্রলীগের কলেজ পর্যায়ের কর্মী, এলাকার ওয়ার্ড পর্যায়ের কর্মী বা স্কুল ছাত্র বা সাধারণ স্বেচ্ছাসেবী।

এক্সিট গেটে বের-হওয়ার ঢোকার নাম এন্ট্রি-আউট খাতায় তোলা, সুন্দর করে লাইন মেইনটেন করাসহ সবখানে নিয়ন্ত্রণের চেয়ে সহায়তা ও মানবিকতা দেখেছি, মনে হয়েছে এরা কাজগুলো করছে আনন্দ ও পূণ্য মনোভাব নিয়ে।

খাদ্য সামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বিপদগ্রস্থ মানুষের সন্ধানে বাড়ি বাড়ি স্বেচ্ছাসেবীরা। ছবি : টেকশহর।
 

আমি দেখেছি এদের একজন আমাদের বিল্ডিংয়ে এসেছে, বাড়িওয়ালার কাছে নরম করে জানতে চাইছে ‘আঙ্কেল আপনার বিল্ডিংয়ে কারও কোনো অভাবে বা প্রয়োজনে কোনো বাজার-সদাই লাগবে?’ আমার বাড়িওয়ালা তাৎক্ষণিক বলতে পারলেন না। ছেলে দুটি নম্বর দিয়ে বললো আমদের একটু ফোন দিলেই হবে।

করোনা পরীক্ষা শতভাগ সুরক্ষার মধ্যে হতে দেখেছি। আমি নিজে যাচাই করেছি। বেশ রাতে ফোন দিয়ে জানতে চেয়েছিলাম আজ শুক্রবার হবে কিনা, তারা রাতেই বিস্তারিত নিয়ে সিরিয়াল ও টাইম জানিয়ে দিলেন, যেন গিয়ে বেশিক্ষণ অপেক্ষা না করতে হয়। আমি গিয়েছি, এবং দেখেছি নাজনীন স্কুলে বসানো বুথে তারা যথেষ্ট দূরত্ব ও নিরাপত্তা মেইনটেন্ট করছেন।

পুলিশ, সেনাবাহিনী পুরোপুরি সক্রিয় দেখেছি। নাগরিকদের সঙ্গে কোনো কঠোরতা চোখে পরেনি। বুঝিয়ে মানানোর চেষ্টাই দেখেছি।

 

নিরাপদ দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনা পরীক্ষা। ছবি : টেকশহর

কিছু মানুষ বেরিকেড টপকে চলাচল করছিল পরে সেখানে নেট দিয়ে পুরো সিল করে দেয়া হয়েছে। প্রতিটি সিল গেটে বসানো হয়েছে পুলিশ পাহারা।

আমার মনে হয় রেডজোনগুলোতে দুষ্টু লোক নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে। সিসি ক্যামেরা প্রযুক্তি ও আইডি আইডেন্টিফিকেশন এখন পুরো বিষয়টি আরও সহজ করে দিতে পারে। এক্ষেত্রে আমাদের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সংগঠনগুলো এগিয়ে আসতে পারে। বেসিস ও বিসিএস এতে যুক্ত হতে পারে। আর এটি আরও অন্য কাজেও সুবিধা দেবে বলে মনে করি।

না পাওয়ার মধ্যে রেড জোনের জন্য প্রতিনিধিত্ব করা আইইডিসিআর প্রতিনিধিকে ফোন দিয়ে পাইনি, ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পিএকে পাইনি। অবশ্য মাত্র একবার ফোন দিয়েছিলাম। হয়তো একাধিকবার চেষ্টা করলে তাদেরও পেতাম কারণ তাদের এই এত ব্যস্ততায় একবারে ফোনে না পাওয়া অভিযোগ হতে পারে না।

বন্দিত্ব যেকোনো প্রাণের কাছেই দুর্ভাগ্যের। সাধারণত অপরাধী মানুষকে জেলে আটকে রাখা হয় শাস্তি দিয়ে। তবে এখন সময় ভিন্ন, আমরা অপরাধী নই। করোনা নামে একটি ভাইরাসে দুর্ভাগ্যের শিকার পুরো পৃথিবী।

এই ভাইরাস হতে বাঁচতে ও বাঁচাতে আমাদের এই বন্দিত্ব, আমাদের লকডাউনে রাখা হচ্ছে। আর এই লকডাউনের রেডজোন সত্যি সত্যি জেলখানা হতে কম নয়। তবে এ জেলখানা মেনে নিতে হবে বাঁচার জন্য, নতুন পৃথিবীর জন্য। আর সেই ট্রান্সফরমেশনে প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া এগোনো মুশকিলই বোধকরি।

লেখক : সিনিয়র রিপোর্টার, টেকশহরডটকম

*

*

আরও পড়ুন