বাজার নষ্টের প্রমাণ ছাড়াই বিধিনিষেধ আরোপ : জিপি

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাজার নষ্টের কোনো প্রমাণ ছাড়াই তাদের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ গ্রামীণফোনের।

অপারেটরটি বলছে এসব বিধিনিষেধ সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) এর মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।

রোববার এসএমপি অপারেটর বা একচেটিয়া অপারেটর হিসেবে গ্রামীণফোনের উপর দুই বিধিনিষেধ কার্যকরের নোটিস দেয় বিটিআরসি।  

এতে এমএনপি লকিং পিরিয়ড কমিয়ে দেয়া এবং বর্তমানে চালু সকল সার্ভিস, প্যাকেজ, অফার নতুন করে অনুমোদন নেয়া ও নতুন কোনো প্যাকেজ বা সেবার ক্ষেত্রেও অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা দেয়া হয়েছে।

গ্রামীণফোনের পরিচালক ও হেড অব পাবলিক অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদাত টেকশহরডটকমকে জানান, ‘বাংলাদেশের মোবাইল খাত যথেষ্ট প্রতিযোগিতামূলক এবং এখানে গ্রামীণফোন সময়োচিত বিনিয়োগ, নিত্যনতুন উদ্ভাবন এবং বাবসায়িক পরিচালন দক্ষতার মাধ্যমে প্রসার লাভ করেছে।

‘সর্বশেষ আরোপিত বিধিনিষেধসমূহ এসএমপির মূল উদ্দেশ্যের সাথে অসংগতিপূর্ণ কেননা বাজার বিনষ্ট হয়েছে এমন কোনো প্রমাণের উপর ভিত্তি করে এটি আরোপ করা হয়নি। আরোপিত এই অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিধিগুলোই মূলত প্রতিযোগিতা বিরোধী, যা গ্রাহক স্বার্থের পরিপন্থী’ বলছিলেন তিনি।

হোসেন সাদাত বলেন, এই বিধিনিষেধ জাতীয় রাজস্ব, বিনিয়োগের পরিবেশের উপর ব্যাপকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে ।  চিঠিটি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে গ্রামীণফোন।

সম্প্রতি গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে বিটিআরসির কাছে বাজার নষ্টের অভিযোগ করেছিলো রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক।

এই ২০২০ সালের মে মাসে বিটিআরসির কাছে চিঠি দিয়ে অপারেটরগুলো গ্রামীণফোনের ‍উপর এসএমপির বিধিনিষেধ আরোপের অনুরোধ করে।

চিঠিতে তারা গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে সামাজিক দায়বদ্ধতার নামে বাজার নষ্ট করার অভিযোগ এনেছে। 

তিন অপারেটর প্রধানের যৌথ স্বাক্ষরে দেয়া ওই চিঠিতে তারা বলছেন, এসএমপি ঘোষিত অপারেটর যেভাবে বাজার দখলের জন্য দেশের টেলিকম খাতকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে তা এ খাতটি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

এডি/২০২০/জুন২১/১৯০০

আরও পড়ুন –

দুই বিধিনিষেধ কার্যকরে জিপিকে নোটিস 

করোনার সুযোগে আগ্রাসনের অভিযোগ রবির 

মূল্যযুদ্ধে জিপি-রবি

১ টি মতামত

  1. Mohammed jaker ullah said:

    BTRC র SMP ঘোষণা সুপ্রিম কোর্ট অবমাননার শামিল। এই রায়ে নির্বিঘ্নে ব্যবসার সুযোগ GP র আছে। Bangladeshchallenge এর মাধ্যমে নতুন মানচিত্র উপহার, করোনা মহামারীতে দেশের ক্রান্তিলগ্নে পিপিই, টেস্ট কীট, অসহায়দের দায়িত্ব নেয়া, সামাজিক যোগাযোগ ও অর্থনীতিতে অবদান, বেকারত্ব দূরীকরণ, সর্বোচ্চ VAT Tax প্রদান, সমুদ্র অর্থনীতিতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিনিময় মূল্য শূন্য হলেও ব্যবহারিক মূল্য অসীম বা লক্ষ কোটি টাকার ও বেশি। খোঁজা দুধে দারাস সাপ পোষণকারীদের সুযোগ দেয়া উচিৎ নয়।

*

*

আরও পড়ুন