Techno Header Top

ডিজিটাল ছবি বিক্রির ৮ শর্ত

লো লাইটে তোলা ফানুসের ছবি। ছবি : ইন্টারনেট
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : স্টক ফটো এজেন্সিতে টাকার বিনিময়ে যারা ছবির স্বত্ব বিক্রি করা যায়।

আগে স্টক ফটো লাইব্রেরিতে ছবি আপলোডের জন্য অনেক ধরণের শর্ত পূরণ করতে হতো। এখন সেসবের বালাই নেই। নিয়ম অনেক শিথিল করা হয়েছে।

তবে ভালো ছবি মাত্রই ফটো এজেন্সিতে অনুমোদন পাবে তা নয়। অনেক সময় ছোট খাটো বিষয়গুলোর কারণেই গ্রহণযোগ্যতা হারায় ছবি। নিজের তোলা ছবি স্টক ফটো লাইব্রেরিতে দেখতে চাইলে কী কী বিষয় মাথায় রাখতে হবে তা এখানে তুলে ধরা হলো।

এক্সপোজার

ক্যামেরায় এক্সপোজার ঠিক করে তারপর ছবি তুলতে হবে। ছবি তুলে এক্সপোজারে হাত দেওয়া যাবে না। কারণ এডিটিংয়ের সময় এক্সপোজার বাড়ালে কমালে সহজেই ফটো এজেন্সিগুলো তা ধরে ফেলে।

নয়েজ পরিষ্কার

রাতের আঁধারে ছবির বিষয়বস্তুকে ক্যামেরায় ধারণ ধারণ করতে অনেকেই ক্যামেরার আইএসও বাড়িয়ে দেন। এতে করে ছবিতে নয়েজ (ছোট ছোট স্পট) তৈরি হয়। এক্ষেত্রে নয়েজের ঝামেলা এড়াতে ছবি তোলার পর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত তা জুম করতে হবে। এতে ছোট ছোট নয়েজ চোখ এড়াবে না। সব নয়েজ পরিস্কার করে তবেই তা ফটো এজেন্সির কাছে পাঠাতে হবে।

ক্রোমাটিক অ্যাবাররেশন। ছবি : ইন্টারনেট

ছবির সাবজেক্টের (বিষয়বস্তু) সঙ্গে যখন ব্যাকগ্রাউন্ডের রঙে সামঞ্জস্য থাকে না তখন ক্রোমাটিক অ্যাবাররেশন সৃষ্টি হয়। এ সমস্যার ফলে সাবজেক্টের কোনগুলোতে ম্যাজেন্টা, সবুজ, নীল বা হলুদ রঙ দেখা যায়। এই সমস্যা থাকলে ফটো এজেন্সিগুলো ছবি নেয় না।

সেন্সর স্পট

ছবিতে কোনো দাগ থাকলে তা গ্রহণযোগ্যতা হারায়। অনেক সময় ফাঙ্গাসের কারণে ছবিতে ছোট ছোট কালো দাগ দেখা যায়।

ছবি পরিস্কার আসছে কিনা তা পরীক্ষা করতে ঝকঝকে নীল আকাশের ছবি তোলা যেতে পারে। এতে করে লেন্সের কারণে সৃষ্ট যে কোনো দাগ সহজেই চোখে পড়বে।

বাঁকা ছবি

ছবি সব সময় সোজাসুজি তুলতে হবে। ছবি বাঁকা হলে তা সহজেই চোখে পড়ে। এক্ষেত্রে ছবি ক্রপ করে ভার্টিকেল ও হরাইজন লাইন ঠিক রাখা যেতে পারে।

হোয়াইট ব্যালেন্স ঠিক রাখতে হবে। ছবি : ইন্টারনেট

হোয়াইট ব্যালেন্স

ছবির রঙের তীব্রতা কম বা বেশি হলেও তা অনুমোদন পায় না। ছবির ওয়ার্ম বা কুল ইফেক্টের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে এডিটিং সফটওয়্যারের কালার কারেকশন টুলটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

কপিরাইট সাইন

লোগো বা কোনো বস্তুর ব্র্যান্ডের নাম ছবিতে না রাখাই ভালো। যদি কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব না হয় তবে সেগুলো মুছে দিতে হবে। এডিটরিয়াল লাইসেন্সের আওতায় ছবি বিক্রি করতে হলে প্রতিটি এজেন্সির নিয়মাবলী আগে পড়ে নিতে হবে। তারপর ছবি আপলোড করতে হবে। তা না হলো সময় ও শ্রম দুটাই নষ্ট হবে।

পোস্ট-প্রোসেসিং

এডিটোরিয়াল স্টক ছবির মান খুব ভালো হতে হয়। তাই ছবি বিক্রি করে কেউ যদি র‍য়্যালিটি পেতে চায় তবে এডিটিংয়ে খুব সতর্ক থাকতে হবে। এডিটিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে ছবিতে কোনো ক্লোন টুল ব্যবহার করা যাবে না। শুধু সেন্সর স্পট সরানো যাবে।

ইন্টারনেট অবলম্বনে এজেড/ জুন ২০/২০২০/১৬৫৮

*

*

আরও পড়ুন