চীন থেকে সরে যাচ্ছে বাইটড্যান্স-টিকটক!

চীন থেকে সরে যুক্তরাষ্ট্রে কার্যালয় নিচ্ছে বাইটড্যান্স। ছবি : রয়টার্স
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : চীন থেকে অন্যত্র অফিস ও অন্যান্য কার্যক্রম সরিয়ে নিচ্ছে ইন্টারনেট কোম্পানি বাইটড্যান্স। 

সম্প্রতি টিকটকের প্রধান নির্বাহী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ডিজনি প্লাসের হেড অব স্ট্রিমিং স্টিভেন মেয়ার। এখন বলা হচ্ছে, মেয়ারকে নিয়োগের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে, টিকটকের প্যারেন্ট কোম্পানি বাইটড্যান্সকে চীনের বাইরে সরিয়ে নেওয়া। 

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যখনো মহামারি করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে একটা নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, ঠিক সেই সময়েই এমন খবর সামনে এলো।

সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স জানাচ্ছে, গত কয়েক মাস থেকেই গোপনে গোপনে বাইটড্যান্সকে চীনের বাইরে সরিয়ে নিতে, এর গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম অন্যত্র সরিয়ে নেবার কাজ হয়ে আসছিল। 

এটা শুধু টিকটকের জন্য নয়, বরং চীনকে লক্ষ্য করে যেসব সেবা বা পণ্য আনা হয়নি সেসব ব্যবসাকেও অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে। এর মধ্যে ভারতের নেটওয়ার্কিং অ্যাপ হ্যালো’ও রয়েছে।

বাইটড্যান্স টিকটকের প্রকৌশল ও উন্নয়ন বিভাগকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্ট ভিউতে সরিয়ে নেবার বিষয়টি তিনটি পৃথক সূত্র রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও একজন বলেছেন, সেখানে নতুন করে দেড় শতাধিক প্রকৌশলী নিয়োগ দেয়া হতে পারে। 

আরও একটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, বাইটড্যান্সে নিউ ইয়র্কভিত্তিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক চাঙ্গা করার কাজও শুরু হয়েছে। যেখানে জেনারেল আটলান্টিক এবং কেকেআরের মতো বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান থাকছে। আর এর সবই বাইটড্যান্সের পরিকল্পানা মতোই করা হচ্ছে যেখানে বেইজিংও জড়িত।

কোভিড-১৯ এর অনেক আগে থেকেই চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রযুক্তিগত দিক থেকে একটা উত্তেজনা চলে আসছিল। এবার কোভিড-১৯ সময়ে সেটি আরও বেড়েছে। এরই মধ্যে বাইটড্যান্স এমন পদক্ষেপ নিয়েছে। 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্রুত বেড়ে চলেছে ছোট ভিডিও তৈরির অ্যাপ টিকটকের জনপ্রিয়তা। যেখান একটা বড় বাজার হিসেবে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়াও দেশটি টিকটকের বিরুদ্ধে নানা সময়ে নানা ধরনের অভিযোগ তুলেছে। 

কোভিড-১৯ সময়ে টিকটকের ব্যবহারকারী বেড়েছে। এখন এর ডাউনলোড সংখ্যা ২০০ কোটির বেশি। 

ইএইচ/মে২৮/ ২০২০/ ২০৩০

আরও পড়ুন – 

টিকটকের রেটিং কমায় রিভিউ ডিলিট গুগলের

লকডাউনে বাজিমাত টিকটকের, ডাউনলোড ২০০ কোটি

*

*

আরও পড়ুন