হঠাৎই হুয়াওয়ের প্রতি সন্দেহ বাড়িয়েছে যুক্তরাজ্য!

হুয়াওয়ের ফাইভজি। ছবি : ইন্টারনেট
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : যুক্তরাজ্যের নেটওয়ার্কে ফাইভজি নিয়ে খুব জোরেশোরেই কাজ করছে চীনা প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়ে।

গত জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পাবার পর কাজের গতিও বাড়ে চীনা প্রতিষ্ঠানটির।

কিন্তু হঠাৎ করেই হুয়াওয়ের প্রতি সন্দেহ বাড়িয়েছে যুক্তরাজ্য। এবার নতুন করে তাদের প্রযুক্তি নিয়ে একটা পর্যালোচনা করতে যাচ্ছে দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসায় কঠোর বিধিনিষেধের পর নতুন করে যুক্তরাজ্যের এমন পর্যালোচনা করতে চাওয়ায় কপালে ভাঁজ দেখা গেছে চীনা প্রতিষ্ঠানটির।

যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে বিধিনিষেধ আরোপ করলেও যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার (এনসিএসসি) হুয়াওয়ের ফাইভজি বিস্তার কাজের সঙ্গে জড়িত রয়েছে।

এনসিএসসির এক মুখপাত্র বলেছেন, আমাদের ফাইভজি নেটওয়ার্কের সুরক্ষার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপের পর অবশ্য যুক্তরাজ্যের এনসিএসসি বিষয়টি খুব গুরুত্ব সহকারে দেখছে। তাদের নেটওয়ার্কে এটি কিভাবে প্রভাব ফেলতে পারে সে বিষয়েও সতর্ক থাকছে দেশটি।

এর আগে যুক্তরাজ্যে ফাইভজি নেটওয়ার্ক বিস্তার ঠেকাতে হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে লবিং করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু তাতেও কোনো কাজ হয়নি ট্রাম্প প্রশাসনের। এখন যুক্তরাজ্য তাদের টেলিকমিউনিকেশন অবকাঠামো বিল পাশ করতে যাচ্ছে। তার আগে এটা যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য লবিংয়ের ফলও হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্র আর চীনের মধ্যে শীতল যুদ্ধ শুরু হয়েছে। আর করোনাভাইরাস মহামারির জন্য সরাসরি চীনকেই দায়ী করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ফলে এটি আরও চরমে পৌঁছেছে।

এছাড়াও সামনের মাসে ট্রাম্পের সঙ্গে বরিস জনসনের দেখা হবার একটা সম্ভাবনা আছে জি৭ সম্মেলনে। সবকিছু মিলিয়েই একটা মেঘ জমেছে হুয়াওয়ের ফাইভজির আকাশে।

অন্যদিকে হুয়াওয়ে বরিস জনসনের কাছে লেখা এক খোলা চিঠিতে দেশটিতে ফাইভজির বিস্তার না ঠেকানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবিসি অবলম্বনে ইএইচ/মে২৬/২০২০/১২৪০

আরও পড়ুন –

যুক্তরাষ্ট্রে আরও কঠিন হচ্ছে হুয়াওয়ের ব্যবসা

হুয়াওয়েকে নিয়ে দ্বন্দ্বে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্য

হুয়াওয়েকে নিষিদ্ধ করা বোকামি

*

*

আরও পড়ুন