আরও ১০০০ কোটি টাকা জমা দিল জিপি

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অডিট আপত্তিতে বিটিআরসির পাওনা দাবি ইস্যুর সুরাহা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দ্বিতীয় দফায় আরও ১০০০ কোটি জমা দিয়েছে গ্রামীণফোন।

মঙ্গলবার বেলা দেড়টায় বিটিআরসিকে এই টাকা দিয়েছে অপারেটরটি। গ্রামীণফোনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিটিআরসি কার্যালয়ে গিয়ে পে- অর্ডারে এই টাকা দেন।

এ নিয়ে মোট ২০০০ কোটি টাকা জমা দিল জিপি।

টাকা জমা নেয়ার পর এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক বলেন, ‘এটা পাবলিক ডিমান্ড। এটা নিতে হতো। এতে সরকারের উপকার হবে। করোনার সময়ে এই টাকায় সাহায্য-সহযোগিতা করা যাবে’

‘এখন প্রপার আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়েছে। এবার গ্রামীণফোনের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি পাবে।   তাদের কোনো পাওনায় কোনো আপত্তি করা হচ্ছে না। আশাকরছি গ্রামীণের কাছে যা পাওয়ার আছে তাও পাবে বিটিআরসি’ বলছিলেন চেয়ারম্যান।

গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান বলছেন, ‘১০০০ কোটি টাকার পে-অর্ডার হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রথম কিস্তি জমা দেয়ার পর বিটিআরসি হতে সব রকম সহযোগিতা পেয়েছি। আমাদের যন্ত্রপাতি খুব জরুরি, এগুলো আসা শুরু হয়েছে।’

‘এখন করোনার পরে সবাই আলোচনা করে অডিট আপত্তির ইস্যু সমাধানে কাজ করা যাবে’ বলছিলেন জিপি সিইও।

বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন খাঁনের সঞ্চালনায় এই ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটির ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্রসহ উর্ধবতন কর্মকর্তারা।

এরআগে প্রথম দফায় চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি আদালতের নির্দেশনায় ১০০০ কোটি টাকা দিয়েছিল জিপি। এরপর ২৪ ফেব্রুয়ারি আদালত তিন মাসের মধ্যে আরও ১০০০ কোটি টাকা দিতে নির্দেশনা দেন।

এখন এই টাকাই দিল জিপি।

গ্রামীণফোনের এই টাকা জমা দেয়া অডিট আপত্তিতে বিটিআরসির পাওনা দাবি ইস্যুর সুরাহা প্রক্রিয়ার অংশ। যখন বিটিআরসির পাওনা দাবির অংক ‘স্যাটেলড’ হবে তখন সেই অংকের সঙ্গে এই ২০০০ কোটি টাকা সমন্বয় করা হবে।

দুই দফায় এই ২০০০ কোটি টাকা পরিশোধের পর অডিট আপত্তির পাওনা দাবি ইস্যু সমাধানে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি হলো।

অডিট আপত্তিতে বিটিআরসি গ্রামীণফোনের কাছে মোট ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাওনা হিসেবে দাবি করে।

এর মধ্যে বিটিআরসির অংশ ৮ হাজার ৪৯৪ কোটি আর এনবিআরের অংশ ৪ হাজার ৮৬ কোটি টাকা।

বিটিআরসির পাওনা দাবিকৃত ৮ হাজার ৪৯৪ কোটির টাকার মধ্যে মূল টাকা হলো ২ হাজার ২৯৯ কোটি টাকা। বাকি ৬ হাজার ১৯৪ কোটি টাকা বিলম্ব ফি, যেটি মূল টাকার ওপর চক্রবৃদ্ধি হারে হিসাব করা হয়েছে।

এডি/২০২০/মে১৯/১৪০০

*

*

আরও পড়ুন