তবুও প্রথম প্রান্তিকে মুনাফা বেড়েছে জিপির

GP-Techshohor1
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিটিআরসির সঙ্গে বকেয়া পাওনা নিয়ে আইনি লড়াইয়ের প্রেক্ষিতে তৈরি নানা প্রতিকূলতার পরও চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের মুনাফা বেশ বেড়েছে।

অপারেটরটি জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে নিট মুনাফা করেছে এক হাজার ৭ কোটি টাকা। শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ টাকা ৯২ পয়সা। ২০১৯ সালের একই সময়ে যা ছিল ছয় টাকা ৬১ পয়সা।

শেয়ারবাজারে তালিকভুক্ত একমাত্র মোবাইল ফােন অপারেটরটি বছরের প্রথম তিন মাসে মোট আয় করেছে তিন হাজার ৬২০ কোটি টাকা,যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।

গ্রাহক বিচারে শীর্ষ অপারেটরটির মার্চ শেষে মোট কার্যকর সিমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৫৩ লাখ। এর মধ্যে ৪ কোটি ৪ লাখ, মোট কার্যকর সিমের ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশে ইন্টারনেট ব্যবহার হচ্ছে। প্রথম প্রান্তিকে ডেটা থেকে রাজস্ব গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।

প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের বিষয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এনওসির অনুমোদন পাওয়া শুরু হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে গ্রাহক সেবার মান আরও উন্নত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

২০২০ সালের প্রথম প্রান্তিকে ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তাদের অপারেটর জানিয়ে সিইও আরও জানান, মার্চ পর্যন্ত এনওসি অনুমোদনের উপর নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধিনিষেধ থাকায় পরিকল্পিত বিনিয়োগ করা যায়নি। প্রথম প্রান্তিকের শুরু থেকে নম্বর সংকটও দেখা দিয়েছিল।

এগুলো মোট গ্রাহকের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে উল্লেখ করে অপারেটরটির প্রধান এ কর্মকর্তা বলেন, যথাযথ বাজার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং নেটওয়ার্কে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রাখার মাধ্যমে ব্যবসায়িক সাফল্য অজর্ন করা সম্ভব হয়েছে।

ইয়াসির আজমান জানান, ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় প্রথম প্রান্তিকের শেষে ফোরজি গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪২ লাখ।

করােনাভাইরাস সংকট বিষয়ে গ্রামীণফোনের বিভিন্ন সহায়তামূলক উদ্যোগ তুলে ধরে সিইও আরও বলেন, সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একত্রিত হয়ে প্রযুক্তি দক্ষতা দিয়ে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সচেতনেতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে ডেটা এনালাইসিসি ব্যবহার করে ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ম্যাপিংয়ে সহায়তা করা হচ্ছে।

সিএফও ইয়েন্স বেকার বলেন, প্রথম প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের প্রবৃদ্ধির হার কমেছে।তবে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারনে চ্যালেঞ্জ থাকার পরও ইন্টারনেটে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তিনি জানান, প্রথম প্রান্তিকে নেটওয়ার্ক উন্নয়নে তারা ৪০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এ সময়ে নেটওর্য়াক আধুনিকায়নের পাশাপাশি ১৯৭টি নতুন ফোরজি সাইট করা হয়েছে।মোট সাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৫৪২।

ভ্যাট, ফোরজি লাইসেন্স ফি, স্পেকটামসহ প্রথম প্রান্তিকে সরকারকে ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা দিয়েছে, যা মোট আয়ের ৬৮ শতাংশ।

আরআর/এপ্রিল ২২/২০২০/১৫.০৩

*

*

আরও পড়ুন