কোভিড -১৯ ট্র্যাকার আনল তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ

কোভিড-১৯ ট্র্যাকার উদ্বোধন করেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি : সৌজন্যে
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : করোনাভাইরাসের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে বাংলায় গ্রাফচিত্রসহ মানচিত্র ভিত্তিক ‘কোভিড-১৯ ট্রাকার’ তৈরি করেছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

সোমবার কোভিড-১৯ ট্র্যাকারটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

ট্র্যাকারটির মাধ্যমে দেশ এবং সারা বিশ্বে কিভাবে করোনাভাইরাস ছড়াচ্ছে প্রতি মুহূর্তে তার হালনাগাদ তথ্যচিত্র প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রতি মুহূর্তে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াও নতুন সংক্রমিত রোগী, মোট মৃতের সংখ্যা, সুস্থ, সঙ্কটাপূর্ণ এবং মৃত্যু হারের সর্বশেষ তথ্য সেখানে পাওয়া যাচ্ছে।

ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে টেক্সট এবং টেব্যুলার শিটের মাধ্যমেও তুলে ধরে হচ্ছে ভাইরাসটি প্রভাবক চিত্র। এর মাধ্যমে বাংলা এবং ইংরেজি দুই ভাষাতেই প্রয়োজনীয় ডেটা বা তথ্য অনুসন্ধানের সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজনে সারণী আকারে  ডেটা ফিল্টার বা এক্সপোর্ট করা যাবে। 

বাংলাদেশের পাশাপাশি ওয়ার্ল্ড মিটারস ইনফো, জন হপকিন্স থেকে ডেটা সংগ্রহ করে তুলে ধরা হয়েছে বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতি। ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার প্রকৃতচিত্রের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের করোনা সংক্রমণের চিত্রও তুলে ধরা হচ্ছে ট্র্যাকারে।

প্রতি ৫ থেকে ১০ মিনিট পরপর হালনাগাদ হচ্ছে তথ্যগুলো। ওয়েবের পাশাপাশি মোবাইল সংস্করণেও মিলছে মাল্টিমিডিয়া তথ্যসেবাটি।  আবার এপিআই ব্যবহার করে এই ডেটা যে কোনো ওয়েব পোর্টালেও ব্যবহারের সুবিধা দিচ্ছে কোভিড-১৯ ট্র্যাকার।

এই ভাইরাস আক্রমণের সার্বিক তথ্যচিত্র জানা যাবে covid19tracker.gov.bd ওয়েবসাইটে। 

সোমবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ জনিত সকল তথ্যা জানতে এই ট্রাকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তিতে আত্মনির্ভরশীল হতে কৌশলপত্র তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ। এই কৌশলপত্রে দেশেই ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনী হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন উৎপাদনে সক্ষমতার বিষয়ক পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে। আগামী তিন বছরে খাদ্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা প্রতিপালনের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, জনগণের কাছে জরুরি খাদ্য পৌঁছে দিতে হটলাইন ৩৩৩#২ এবং এক জেলা থেকে অন্য জেলায় খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হটলাইন ৩৩৩#৫ চালু, করোনাসহ বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।

তিনি বলেছেন, এমআইএসটি, সাস্ট ও বুয়েট ছাড়াও ওয়ালটন এবং মাইওয়ান ভেন্টিলেটর তৈরির কাজ শুরু করেছে। কিছুদিনের মধ্যে দেশে তৈরি ভেন্টিলেটর সরবরাহে ইতিবাচক খবর জানানো সম্ভব হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেবসহ তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন। 

ইএইচ/ এপ্রি২০/২০২০/১১১৫

*

*

আরও পড়ুন