ডিসকাউন্টে স্পেকট্রাম চায় জিপি

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তিন অপারেটরের বিনামূল্যে চাওয়ার পর এবার কিছুটা ছাড়ে স্পেকট্রাম চাইছে গ্রামীণফোন।

করোনার কারণে ইন্টারনেটের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় মানসম্মত সেবা ঠিক রাখতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাড়তি এই স্পেকট্রাম দরকার বলে বলছে অপারেটরটি।

ইতোমধ্যে গত সপ্তাহে মৌখিকভাবে বিটিআরসিকে এই স্পেকট্রাম চাওয়ার কথা জানিয়েছে অপারেটরটি। সেখানে ডিসকাউন্টের পাশাপাশি এই স্পেকট্রাম হতে আসা রেভিনিউ সরকারের সঙ্গে শেয়ারের কথাও বলছে তারা।

গ্রামীণফোনের ডাইরেক্টর ও হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদাত টেকশহরডটকমকে জানান, করোনার সময়ে জিপি জরুরি স্বাস্থ্যসেবার নম্বরে কল ফ্রি করে দেয়া, সচেতনতামূলক কার্যক্রম, করোনা সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি দিয়ে সহযোগিতা করছে। এই সহযোগিতা অব্যাহত  থাকবে। 

‘সেখানে একদিকে সহযোগিতা করা আবার আরেক দিকে ফ্রি স্পেকট্রাম নেয়া-বিষয়টি বৈপরীত্য মনে হয়। তাই আমরা ডিসকাউন্ট বা রেভিউনিউ শেয়ারিং বা দুইভাবেই এই স্পেকট্রাম চাইছি’ বলছিলেন সাদাত।

ডিসকাউন্ট হলে কত ডিসকাউন্ট ও কী পরিমান স্পেকট্রাম চান এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিষয়টি মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে মাত্র। আলোচনা শুরু হলে এগুলো ঠিকঠাক হবে। তবে ২০১৮ সালে বিকিকিনি হওয়া স্পেকট্রামের দাম ধরে দেখা যেতে পারে যে, কত ডিসকাউন্ট হবে।

কত সময়ের জন্য এই স্পেকট্রাম চান এমন জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন, এটি পরিস্থিতির উপর নির্ভর করতে পারে। 

বিটিআরসির সঙ্গে আলোচনা এগোলে তারা তখন আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্পেকট্রামের জন্য আবেদন করবেন।

এর আগে বিনামূল্যে স্পেকট্রাম চেয়ে তিন অপারেটর যৌথভাবে আবেদন করে। এ তিন মোবাইল ফোন অপারেটর হলো রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক। তারা ওই আবেদন লিখিতভাবেই বিটিআরসিকে দিয়েছে।

সেখানে গ্রামীণফোন এই তিন অপারেটরের সঙ্গে যুক্তি হয়নি।  

যুক্ত না হওয়ার কারণ সম্পর্কে হোসেন সাদাত বলেন, আলোচনা চলছিল যে কীভাবে স্পেকট্রাম চাওয়া যায়। প্রত্যেকেরই নিজস্ব বিষয় ও প্রেক্ষাপট থাকে।  জিপি একটু সময় নিচ্ছিল। এর মধ্যে অন্য অপারেটর মনে করেছেন তারা অপেক্ষা করবেন না।  

তবে তাদের আলোচনায় যদি বিটিআরসি অন্য অপারেটরদের যুক্ত করেন সেখানে কোনো সমস্যা নেই, বলছিলেন তিনি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত মাসের সঙ্গে তুলনা করলেও সামগ্রিকভাবে মোবাইল ডেটার ব্যবহার ৩০ শতাংশের মতো করে বেড়েছে।

গত ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি হয়ে যাওয়া এবং এরপর ২৬ মার্চ থেকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও ছুটি হয়ে যায়।

মূলত হোম অফিস এবং মানুষের ঘরে থাকার কারণে অনলাইনভিত্তিক বিনোদনের কারণে ইন্টারনেটের ব্যবহার অনেক বেড়েছে।

এডি/২০২০/এপ্রিল২০/১১৫৯

আরও পড়ুন –

বিনামূল্যে ৩ মাস বাড়তি স্পেকট্রাম চায় ৩ অপারেটর

স্পেকট্রাম কেনার ফল এতদিনে পাচ্ছে বাংলালিংক

স্পেকট্রামের দাম কমাতে অপারেটরগুলোর প্রস্তাবের অপেক্ষায় বিটিআরসি

*

*

আরও পড়ুন