করোনায় লকডাউনে গেইমিং কি ভালো হতে পারে?

গেইমিং হতে পারে লকডাউনে অন্যতম সময় কাটানোর উপায়। ছবি : ইন্টারনেট
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী চলছে লকডাউন। আর এই সময়টি হতে পারে গেইমারদের জন্য অন্যতম সুযোগ। 

কিন্তু অনলাইনে আমাদের কত সময় গেইম খেলা উচিত? এটি সামাজিক বিচ্ছিন্নতার সময়ে কোনো সুবিধা দিতে পারে কি?

অ্যাবার্টে ইউনিভার্সিটির গেইমস অ্যান্ড আর্টস বিভাগের প্রধান ডা. ডায়ানা গ্যালাওয়ে এক্ষেত্রে ছোট একটি ম্যাসেজ দিয়েছেন, সবকিছুর মতো এটি অবশ্যই অতিরিক্ত করা যাবে না। 

বয়স ভেদেই নির্ভর করে স্ক্রিনটাইম কার কত হওয়া উচিত। কিন্তু মূল বিষয় হলো স্বাস্থ্যগত তাই সেটি অবশ্যই নজরে রাখা উচিত বলে মনে করেন তিনি। 

বিচ্ছিন্ন থাকার সময় অবশ্যই নানান ধরনের কাজ করা যায়, তবে অবশ্যই সেখানে স্বাস্থ্যগত দিকটি সবার উপরে থাকবে। 

হ্যাপি চাপিং

সাধারণত তরুণদের স্ক্রিন বিরতি নিতে প্ররোচিত করতে বেশ কিছু কাজ করা যেতে পারে।

এক্ষেত্রে স্কুল দিনের বা পুরাতন দিনের ডোমিনোজ এবং কার্ড গেইম কাজ দিতে পারে বলে মনে করেন ডামফ্রেইজ ও গ্যালাওয়ে। 

উইগটাউন বুক ফেস্টিভাল সম্প্রতি আট থেকে ১৮ বছরের শিশু-কিশোরদের জন্য একটি লেখার প্রতিযোগিতা শুরু করেছে।

স্কটিশ বুক ট্রাস্ট এর সঙ্গে ভতিষ্য ভাবনার উপর লেখার আয়োজন করেছে। যেগুলো আবার পরে ছাপা হবে।  

এর বাইরেও অনলাইনে ফিটনেস ক্লাস নেওয়া হচ্ছে, যা ইতোমধ্যে সফল হয়েছে।

নো ম্যান ইন আইল্যান্ড

ড্যামফ্রিজের নাস্প্রতিক এক উৎসব গেইমিংয়ের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরে। 

গ্যালাওয়ে বলেন, অনলাইনে গেইম যোগাযোগ এবং অংশীদারিত্ব বাড়াতে এবং কোনো লক্ষ্য অর্জনে বা কারো সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে উদ্বুদ্ধ করে। 

এটি এই মুহূর্তে ভিডিও কলের চেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করতে পারে এবং মানসিক স্বস্তিতে রাখতে সহায়তা করে। 

বিনোদন বিশেষ করে গেইম খেলা এবং অনলাইন স্ট্রিমিং সার্ভিসগুরো আমাদের সময় কাটাতে সহায়তা করছে। এ ছাড়া ঘরে অবস্থান করা অনেক তরুণের পক্ষে খুবই কঠিন হয়ে উঠতো বলে মনে করেন গ্যালাওয়ে। 

বোর্ড

বিভিন্ন গেইমের বিভিন্ন ধরনের সুবিধা ও উপকারিতা রয়েছে। 

মেইনক্রাফট, সি অব থিভস কিংবা ফোর্টনাইট সামাজিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করে এবং পিয়ার গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ করতেও আগ্রহী করে তুলতে পারে।

গ্যালাওয়ে বলেন, এগুলো যোগাযোগ, সৃজনশীলতা এবং অংশীদারিত্ব বাড়াতে সহায়তা করে। 

কিছু গেইম শারীরিক ক্রিয়াকলাপ বাড়াতে সহায়তা করে। 

নিনটেন্ডো ময়লা পরিষ্কারের জন্য উদ্বুদ্ধ করে। পোকেমন গো সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে এবং দৈনিক শরীরচর্চা করতে উদ্বুদ্ধ করে। 

তবে এতে হিত বিপরীত হবার আশঙ্কাও রয়েছে বলে সতর্ক করেন গ্যালাওয়ে। 

কিছু গেইম রয়েছে যেগুলো ভিডিও চ্যাট করতে করতে খেলতে পারবেন। অবশ্য সেগুলোতে প্রতারণা হবার যথেষ্ট ঝুঁকিও থাকে। 

তবে এই লকডাউন অবস্থায় গেইমগুলো বিনোদন এবং রিফ্রেশ থাকার খোরাক জোগাতে খুবই সহায়তা করতে পারে বলে মত দেন গ্যালাওয়ে। 

বিবিসি অবলম্বনে ইএইচ/এপ্রি১৪/২০২০/১৪১৫

আরও পড়ুন – 

এই সমাধানগুলো জানা থাকলে অনলাইন গেইমে আপনিই ‘জয়ী’!

মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে গেইম তৈরির আগ্রহে ভাটা, নেই পুরনোগুলোর আপডেট!

গেইম নয়, দাম দেখেই কনসোল কিনবেন গেইমাররা

এয়ারপোর্টের মনিটরে গেইম খেললেন যাত্রী

*

*

আরও পড়ুন