Samsung IM Campaign_Oct’20

এই সংকটেও আশাবাদী ফেইসবুকভিত্তিক নারী উদ্যোক্তারা

এফ-কমার্স উদ্যোক্তাদের কয়েকজন। ছবি : উই
Evaly in News page (Banner-2)

আল-আমীন দেওয়ান, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ‘টাকা বা অনুদান কিচ্ছু চাই না শুধু ডেলিভারিটা ঠিকঠাক চালু করে দেন’ বলছিলেন ফারহানা আক্তার লাকি।

বিভিন্ন নকশী পোশাক-আশাক নিয়ে ফেইসবুকভিত্তিক উদ্যোক্তা তিনি। তার উদ্যোগের নাম ফারহানাস ড্রিম।

ফারহানা আক্তার বলছেন, করোনাতে গৃহবন্দী অবস্থায়ও অনেক গ্রাহক যোগাযোগ করছেন। অর্ডার কনফার্ম করছেন। শুধুমাত্র ডেলিভারি সার্ভিস বন্ধ থাকায় আটকে যাচ্ছি।

ইংকি চাকমা, তার উদ্যোগের নাম জুম্ম কিচেন। তিনি চাকমা আদিবাসী খাবার নিয়ে কাজ করেন।

বলছিলেন, যদি ঘরে বসে কাজ করতে পারি তাহলে হতাশা কিছুটা হলেও দূর হবে। যারা করোনার মধ্যেও আমার খাবার খেতে চাচ্ছেন তাদেরকে দিতে পারলে অনেকটা সন্তুষ্টি বোধ লাগবে আর সময়ও কেটে যাবে। এতে আমাদের অর্থনৈতিক প্রয়োজনও মিটবে আবার দেশের অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র হলেও তো ভূমিকা থাকে।

ফারহানা আক্তার কিংবা ইংকি চাকমা, তাদের মতো হাজার হাজার ফেইসবুকভিত্তিক একদমই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা রয়েছেন যারা দেশী পণ্য নিয়ে কাজ করেন। যারা নিজেদের নেটওয়ার্কে, বিভিন্ন ফেইসবুক গ্রুপে বা বুস্টের মাধ্যমে বিকিকিনি করেন।

একদম সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান না থাকলেও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বা ই-ক্যাবের মহাসচিব মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল টেকশহরডটকমকে জানান, সারাদেশে ফেইসবুকভিত্তিক সক্রিয় উদ্যোক্তা রয়েছেন ৭০ হাজার।

দেশীয় পণ্য নিয়ে কাজ করেন এমন নারী উদ্যোক্তাদের ফোরাম উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স। ফোরামটির ফেইসবুক গ্রুপে যুক্ত রয়েছেন হাজার হাজার উদ্যোক্তা। এরমধ্যে সক্রিয় রয়েছেন ১ হাজারেরও বেশি।

গ্রুপটিতে অনুষ্ঠানিকভাবে জানতে চাওয়া হয়েছিল, করোনার কারণে যে অর্থনৈতিক সংকট শুরু হতে চলেছে, যেখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তারা টিকে থাকার ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছেন, সেখানে তাদের কী অবস্থা ?

এই জিজ্ঞাসায় আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিকভাবে ৮ শতাধিক উদ্যোক্তা নিজেদের অবস্থা ও মতামত জানিয়েছেন।

প্রায়ই সবাই জানাচ্ছেন, ডেলিভারি ও লজিস্টিক সাপোর্ট ঠিক করে দিলে তারা এই সংকট সময়ের মধ্যেও আশাবাদী।

করোনা ভাইরাসের কারণে দুনিয়ার অর্থনীতি যে সংকটে পড়তে যাচ্ছে তা এখন আর বলার অপেক্ষা না। যেখানে রয়েছে চাহিদা কমে যাওয়া, উৎপাদনে অতিমন্দা, বেকারত্ব অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া, আর্থিক সংকট,  প্রবল ঋণ সংকট ও  নানা অব্যবস্থাপনা। 

প্রত্যেক দেশেই যে যার মতো প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাংলাদেশ সরকারও ইতোমধ্যে দুই দফায় প্রায় ৭৮ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনাসহ বিভিন্ন সহযোগিতা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। 

দেশীয় অর্থনীতি সচল রাখতে নানা উদ্যোগের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দেশবাসীকে আহবান জানিয়েছেন দেশী পণ্য উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধিতে।

উই ও এফ-কমার্স উদ্যোক্তাদের কয়েকজন। ছবি : উই

করোনায় টিকে থাকার সংকটে এখন অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান, গার্মেন্টস খাতসহ নানা শিল্প খাতের হিমশিম অবস্থা। সেখানে তুলনা করলে এই ফেইসবুক পেইজভিত্তিক ‍উদ্যোক্তারা কী অবদান, কী ঝুঁকি কোনদিকেই তো হিসেবে পড়েন না।

অথচ এই ছোট্ট হাতের উদ্যোক্তাদের করোনার অর্থনৈতিক যুদ্ধে লড়তে কী মনোবল !তাদের কেউ কেউ একটি পরিবার চালানো বা কেউ সঙ্গে আরও কয়েকজনের কর্মসংস্থান চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানাচ্ছেন।

এই উদ্যোক্তাদের বেশিভাগই ঘর-সংসার সামলে উদ্যোক্তা, কেউ কেউ একই সঙ্গে চাকরিও করেন। কেউবা এখনও শিক্ষার্থী।

যদি প্রশ্ন করেন, কী কী তৈরি করেন আপনারা বা কোন কোন পণ্য নিয়ে কাজ, তাহলে উত্তর দেয়া একটু মুশকিলই। বরং কাজ করেন না কী নিয়ে, এর উত্তর মিলবে সহজে।

পাটের শাড়ি-ওড়না, ক্রাফটস, চামড়াজাত পণ্য, মাটির তৈজসপত্র, শতরঞ্জি, মাদুর, জামদানি, খাদি,বাটিক, ব্লক, তাঁত, বেনারসি,খেস, কাতানসহ দেশীয় সব শাড়ি ও পোশাক, মাছ-মাংস, দুধ-দই-মিস্টি, পেইন্টিং, ক্যালিগ্রাফি,অ্যাম্বিগ্রাম, হ্যান্ডপেইন্টেড ড্রেস, ড্রাই ফ্রুটস, বিস্কুট, পিঠা, হালুয়া, কেক, রান্না করা খাবার-দাবার,  বিভিন্ন রকম এর আচার, বাচ্চাদের বাদাম সুজি, খেজুর গুরা, গরম ও বিরিয়ানি মসলা, ফ্রোজেন ফুড, হাতে তৈরি বাঁশ কাঠ ধাতুর গহনা, মসলা, চিপস, নানা রকম তেল, বিভিন্ন রকম ভেজস প্রসাধনী, বোরকা, বাচ্চাদের জামা, নকশীকাঁথা, বাঁশের আসবাব, কটকটি, হোমডেকর, পর্দা,  চাদর,কুশন কভার,টেবিলক্লথ, রানার, ফলমুল, চাল, ডাল, অর্গানিক ফসল ও খাদ্যপণ্য………………..।

সংকটের বিপরীতে দেশী পণ্যের উদ্যোক্তাদের জন্য একটা সম্ভাবনাও দেখছেন  উইয়ের পরামর্শক রাজিব আহমেদ, ‍যিনি ই-ক্যাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিও ছিলেন।  

টেকশহরডটকমকে তিনি বলছেন, উই গ্রুপকে ঘিরে দেশী পণ্যের বিশাল গ্রাহক নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। সামনে কয়েকটি উৎসব। তাই নিয়মিত চাহিদার চেয়ে কয়েকগুণ চাহিদা বেড়েছে। অনেকেই অর্ডার দিতে চাচ্ছেন কিন্তু উদ্যোক্তারা ডেলিভারি দিতে পারবেন না এই ভয়ে অর্ডার গ্রহণ করছেন না। দেশী পণ্যের উদ্যোক্তারা কিন্তু সরকারি আর্থিক অনুদান চাচ্ছেন না, চাচ্ছেন ডেলিভারি সাপোর্ট।

‘বর্তমান দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে অনেক বিদেশী পণ্য আমদানি করা সম্ভব হচ্ছে না এবং আরও কিছুদিন এ সমস্যা থাকবে। তাই দেশী পণ্য সারা দেশে সরবরাহ বা ডেলিভারি নিশ্চিত করা গেলে তা দেশের অর্থনীতির জন্য শুভ হবে’ মনে করছেন তিনি।

রাজিব জানান, ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলাতে ছোট ছোট উদ্যোক্তারা ফেইসবুক পেইজ নিয়ে তাদের আঞ্চলিক পণ্য তুলে আনছেন। এই সময়ে তাদের নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ এসেছে। তাদের পণ্যের চাহিদাও রয়েছে ঢাকাসহ সারা দেশে এবং তাদের অনেক গ্রাহকও আছে। এখন ডেলিভারি নিশ্চিত করা গেলে শুধু উদ্যোক্তা নয় বরং তৃণমূল পর্যায়ের ব্যবসায়ী, কৃষক সবার হাতে টাকা আসবে।

‘শুধু উই গ্রুপের নিজেদের মধ্যে বিকিকিনি হয় কোটি টাকার মতো। তাহলে সারাদেশে বিশাল গ্রাহকদের কাছে সেটা নিয়শ্চই উল্লেখযোগ্য অংকই হবে’ বলছিলেন তিনি।

করোনা পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সংকটে ই-কমার্স ও এফ-কমার্স উদ্যোক্তারা দেশের জন্য অবদান রাখতে পারেন বলে মনে করেন মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল।মানুষের অনলাইন নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি এবং ক্যাশলেস লেনদেন বেশ বৃদ্ধি পাবে যা ই-কমার্সের জন্য সহায়ক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এফ-কমার্স উদ্যোক্তাদের কয়েকজন। ছবি : উই

ফৌ‌জিয়া আফরোজ, যার পেইজের নাম ফৌজি। তিনি কাজ করেন মেয়েদের সকল পোশাক নিয়ে । নিজেই ডিজাই‌ন করে নিজের উদ্যোগেই তা তৈরি করেন।

‘পণ্যের অনেক অর্ডার রয়েছে, ডেলিভারি বন্ধ থাকার কারণে তা গ্রাহককে দেয়া যাচ্ছে না। আবার নতুন অনেকে ওর্ডার দিচ্ছেন কিন্তু তার ম্যাটেরিয়ালস যোগাড় করতে মার্কেটে যেতে পারছি না’ বলছিলেন তিনি।

মাশরুম নিয়ে কাজ করেন রায়হানা আহমেদ। ফেইসবুকে তার পেইজের নাম মাশরুম কথন। 

তিনি জানান, মাশরুমের ব্যাপক চাহিদা মাথায় রেখে অনেক চাষ করেছি যেন পর্যাপ্ত উৎপাদন সম্ভব হয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ডেলিভারি সমস্যা হওয়ায় এই পচনশীল দ্রব্য নিয়ে অনেক বিপদে পড়েছি।

‘ডেলিভারির সমস্যার খুব দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে যা কাটিয়ে উঠতে কঠিন হবে। কোনো আর্থিক সহযোগিতা চাচ্ছিনা শুধু পণ্য ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য ডেলিভারি চালু করে দেন’ বলেন এই উদ্যোক্তা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সব মিষ্টি এবং খাবার নিয়ে কাজ করেন সালমা নেহা।

তিনি বলেন, শুধু উই গ্রুপের মধ্যে মাসে ১ লাখ টাকার বিক্রি হয় তার। দেশের এই মহামারী পরিস্থিতিতেও দেশীয় খাবারের চাহিদা অনেক। ডেলিভারি সমস্যায় পণ্যের প্রি-অর্ডার নিয়েও ডেলিভারি করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে গ্রাহক চাহিদা বাড়ছেই। 

ত্রিনয়নী নামে পেইজ সিলেটের স্বর্ণা দাসের। তিনি কাজ করেন মাটির হাতে আঁকা চায়ের কাপ, সন্দেশ আর গয়না নিয়ে।

‘অনেকেই জিনিস নিতে চাচ্ছেন আমরাও পৌঁছে দিতে চাচ্ছি। পারছি না শুধু ডেলিভারি সিস্টেম  বন্ধ থাকায়’ জানান তিনি।

আর্টিস্ট্রিবিডি নামের পেইজ নুসরাত জাহান হোসেনের। হ্যান্ডপেইন্ট কাপড় নিয়ে কাজ।তার কাজ চলছে ঠিকই কিন্তু ডেলিভারিতে আটকে গেছেন তিনি।

উম্মে সাহেরা এনিকা কাজ করেন ব্লক ও বাটিকের পণ্য নিয়ে। তার পেইজের নাম তেজস্বী। তিনি নিজে বাটিকের নতুন পণ্য স্যান্ডেল তৈরি করেছেন।

তিনি বলেন, গ্রাহক চাহিদার বিপরীতে এখন ডেলিভারি সাপোর্ট খুব জরুরি। না হলে গ্রাহকের কাছে পণ্য পৌঁছে দেয়া যাচ্ছে না।

বাচ্চাদের নকশিকাঁথা নিয়ে কাজ করেন তামান্না তাসমীম। তার পেইজের নাম প্রতিভা হ্যান্ডিক্রাফট।

এখন এই সময়ে  পণ্য মানুষের ঘরের দুয়ারে পৌঁছে দিতে পারলে দুই দিকেই উপকার হয়। মানুষ সহজে পণ্য পায় আবার ঘরে বসে উপার্জনও হয়। তাই ডেলিভারি সিস্টেম ঠিক হওয়া জরুরি, বলছেন তিনি।

কক্সবাজারের উদ্যোক্তা জান্নাতুল ইসলাম। পেইজের নাম ফুড সার্ভিস। তিনি কাজ করেন, নারকেল ও গুড়ের নাড়ু, চিনির নাড়ু,নারকেল চিড়া নিয়ে।

তার অনেকগুলো অর্ডার আটকে আছে ডেলিভারির জন্য। আর নতুন নতুন অর্ডারও পড়ছে।

আয়েশা সিদ্দীকা কাজ করেন দক্ষিণবঙ্গের মাছ নিয়ে। ফিসঢাকা নাম তার উদ্যোগের।

তার বিপদ একটু ভিন্ন। তিনি কুরিয়ার কোম্পানির মাধ্যমে মাছ ডেলিভারি দিতে পারেন না। নিজের ব্যবস্থায় ডেলিভারি করেন। কিন্তু সেই ডেলিভারি তিনি এখন করতে পারছেন না।

তার ক্রেতারা অনেক অনুরোধ করছেন মাছ দেয়ার জন্য কিন্তু তিনি দিতে পারছেন না। তিনি যেন ডেলিভারি দিতে পারেন সে ব্যবস্থা চান।

রাঙ্গামাটির উদ্যোক্তা কানিজ ফাতেমা। পেইজের নাম রং। কাজ করেন মনিপুরী ও পিনন ব্যাগ এবং তাতের কাপড় নিয়ে।

অনেক অর্ডার জমা হয়ে থাকার পরও তিনি তা ডেলিভারি দিতে পারছেন না।

খুলনার উদ্যোক্তা ফৌজিয়া ডেইজি। কাজ করেন দেশী ডিজাইনে হ‍্যান্ডমেইড হ‍্যান্ডপেইন্ট শাড়ি নিয়ে।

ডেলিভারি ঠিক থাকলে অনলাইনে কার্যক্রম চালু রেখে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারার কথা বলেন তিনি।

সম্পূর্ণ দেশীয় ম্যাটেরিয়ালে নিজস্ব ডিজাইনে পোশাক তৈরি করে থাকেন ফারহা মাহমুদ তৃণা। তার উদ্যোগের নাম তৃণাজ ক্লজেট। ফারহা মাহমুদ উইয়ের কার্যনির্বাহী পরিচালকও।

এই সময়ে শুধু ডেলিভারিটা ঠিক রাখা গেলে ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের অনলাইন বিকিকিনিতে জমজমাট থাকতে পারে দেশীয় পণ্যের বাজার, মনে করছেন তিনি।

সেইসঙ্গে উদ্যোক্তারা যেন করোনা পরবর্তী সময়ের জন্যও নিজ নিজ পণ্য উৎপাদন, প্রচার ও বিপণনের পরিকল্পনা এখনই করা শুরু করেন, বলেন ফারহা মাহমুদ।  

(উদ্ভুত এই পরিস্থিতিতে ই-কমার্স ও এফ-কমার্স খাতে কুরিয়ার বা ডেলিভারি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন আসছে পরের পর্বে। চোখ রাখুন টেকশহরে ) 

এডি/২০২০/এপ্রিল০৮/২০২০

১০ টি মতামত

  1. Nondini Alam said:

    নিউজটা পড়ে খুব ভাল লাগল, টেকশহর.কম কে ধন্যবাদ। দেশীয় পণ্যের এফ- কমার্স এ নারী উদ্যোক্তাদের এই সংকটময় মুহূর্তে পাশে দাঁড়ানোর জন্য। ডেলিভারি সিস্টেম চালু রাখা সময়ের দাবী।

    • tahmina tania said:

      ধন্যবাদ । আমরা চাই দেশের এফ কমার্স এবং নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়ন , তাই সময়ের দাবীতে এই নিউজ । আমাদের সাথে থাকুন সবসময় ।

  2. রোমা জাফরি said:

    অনেক অনেক ধন্যবাদ টেকশহর.কম কে আমাদের মতো উদ্যোক্তাদের সমস্যা গুলো নিয়ে লেখার জন্য।ডেলিভারি সমস্যাটা আমাদের জন্য এখন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধন্যবাদ

    • tahmina tania said:

      আপনাদের অনেক ধন্যবাদ । ভাল থাকুন , আমাদের সাথে থাকুন ।

  3. সুমী আফরোজ said:

    ধন্যবাদ টেকশহর। নারী উদ্যোগতাদের সমস্যাগুলোকে এভাবে তুলে ধরার জন্য। আশা করি খুব শিঘ্রই দেশের পরিস্থিতি নরমাল হবে ও আমরা আবার কাজ শুরু করতে পারবো।

  4. সুমাইয়া said:

    অনেক ভালো লাগলো সকল উদ্দোক্তা দের এগিয়ে চলা দেখে।আপনাদের সকলের জন্য অনেক দোয়া রইলো।আমাদের মতো গ্রামে থাকা নতুন উদ্দোক্তাদের জন্যও দোয়া করবেন 🙂

*

*

আরও পড়ুন