Techno Header Top and Before feature image

এলাকাভিত্তিক করোনা ঝুঁকি জানাবে রবি

ছবি: ইন্টারনেট থেকে নেওয়া
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  ডেটা অ্যানালিটিকসের মাধ্যমে দেশের কোন এলাকায় করোনা ছড়ানোর ঝুঁকি কতটুকু তা বের করবে রবি।

বৃহস্পতিবার এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় অপারেটরটি।

সংবাদ সম্মেলনে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ডিরেক্টর জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসেস অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, এটুআইয়ের পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী, রবির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

এতে রবির চিফ ইনফরমেশন অফিসার ড. আসিফ নাইমুর রশিদ অনলাইন উপস্থাপনায়  ডেটা অ্যানালিটিকস সল্যুশনটি কীভাবে কাজ করে এবং করোনা সংকট মোকাবেলায় সরকার এই তথ্য কীভাবে কাজে লাগাতে পারেন তা দেখান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রবির অ্যানালিটিকস টিম ক্রাউডসোর্সিংসহ আইভিআর, ইউএসএসডি, মাই রবি ও মাই এয়ারটেল অ্যাপ থেকে ডেটা সংগ্রহ  করবে। এরপর বিভিন্ন উদ্ভাবনী ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন, অ্যানালাইসিস সল্যুশন রিপোর্টে ভিত্তি করে কোন নির্দিষ্ট এলাকায় রোগটি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে তা বের করা যাবে।

সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অংশীদারিত্বে রবি এই ডেটা অ্যানালিটিকস সিস্টেম গঠন করেছে। যা জনস্বাস্থ্যের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ক্রাউডসোর্সিং করার ফলে গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। একইসাথে ডেটা সায়েন্সের মাধ্যমে ক্রাউডসোর্স থেকে ডেটা সংগ্রহ করার ফলে অ্যানালিটিকস সল্যুশনটির মাধ্যমে বিপুল এই তথ্য যাচাই করাও সম্ভব হবে।

সংবাদ সম্মেলেনে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, দেশের করোনা পরিস্থিতিটা আসলে কেমন তা এই ডেটা অ্যানালিটিকস সল্যুশনের মাধ্যমে জানা যাবে। সবাইকে তথ্য দিয়ে এই সল্যুশনটি সমৃদ্ধ করার আহবান জানান তিনি।

আনীর চৌধুরী জানান, গত ১০ দিনে করোনার বিষয়ে জানাতে ৩৩৩ নম্বরে ৪ লাখ, ১৬২৬৩ নম্বরে ১ লাখ ৭০ হাজার কল করেছে মানুষ। তবে ইউনিক কল এসেছে ৩ লাখ ৭০ হাজার। এখন যেসব এলাকায় রোগের লক্ষণ বেশি, সেখানে পরীক্ষা করা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কাজ করছে।

মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ডিজিটাল কোম্পানি হিসেবে গড়ে উঠার অংশ হিসেবে রবি ডেটা অ্যানালিটিকস সল্যুশনে উল্লেখযোগ্য দক্ষতা অর্জন করেছে। এ প্রকল্পে শুধু ক্লাউড সেবা নয়, ডেটা অ্যানালিটিকস নিয়ে রবির অর্জিত সব দক্ষতা ও জ্ঞান ঢেলে দেয়া হয়েছে। এই ডিজিটাল সল্যুশনের সাহায্যে দেশের সবার সক্রিয় অশগ্রহণের মাধ্যমে সরকারকে সহযোগিতা করা যাতে এই ডেটা মডেলিংয়ে নির্ভর করে সরকার জনস্বাস্থ্যের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারে।

রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, সিঙ্গাপুর মোবাইল অ্যাপে করোনা ঝুঁকির স্থান চিহ্নিত করছে। হংকং ট্র্যাকিং রিস্টব্যান্ডের মাধ্যমে হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করছে। কোথাও ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে করোনা আক্রান্তদের খোঁজা হচ্ছে, ট্র্যাকিং রিস্টব্যান্ডে হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত মনিটরিং করছে।

‘ইতোমধ্যে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের কোন এলাকায় সম্ভাব্য করোনা-আক্রান্ত বেশি, সেটির মানচিত্র করা হয়েছে। যা ৯৫ শতাংশের মতো সঠিক তথ্য দিচ্ছে’ বলছিলেন তিনি।

এডি/২০২০/এপ্রিল০৩/০৪৪০

*

*

আরও পড়ুন