এনওসি পাচ্ছে গ্রামীণফোন

Evaly in News page (Banner-2)

আল-আমীন দেওয়ান, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দীর্ঘ ৮ মাস পর নো অবজেকশান সার্টিফিকেট বা এনওসি পেতে যাচ্ছে গ্রামীণফোন।

যদিও এই এনওসি শতভাগ নয়, আপারেটরটির চাহিদার এক তৃতীয়াংশ বা এক চতুর্থাংশ অনুমোদন দিতে পারে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসি। সেক্ষেত্রে বেশি গুরুত্বপূর্ণ অনুমোদনগুলোই নিতে পারবে জিপি।

ফলে অপারেটরটি নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি, নেটওয়ার্ক বিস্তারের অনুমোদন, প্যাকেজ, ব্যাংক লোন, বিভিন্ন চুক্তিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন কার্যক্রম আবার চালাতে পারবে।

বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন খাঁন টেকশহরডটকমকে জানান, তারা আদালতের রায় হাতে পেয়েছেন। রায় অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গত সোমবার বিটিআরসির কমিশন বৈঠক বসে। যে বৈঠক চলে মঙ্গলবারও। করোনা ইস্যুসহ জিপি এনওসির বিষয়টিও আলোচনায় আসে। মঙ্গলবারের বৈঠকে জিপিকে এনওসি দেয়ার বিষয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ইতোমধ্যে বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন বিভাগকে অপারেটরটিকে তার চাহিদার এক তৃতীয়াংশ বা এক চতুর্থাংশ এনওসি দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে ১৯ মার্চ কোর্টের অর্ডার হাতে পায় বিটিআরসি।

গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ অবশ্য আংশিক নয় পুরো এনওসি পেতে তদবির-প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তবে এতে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা অপারেটরটিকে বলেছে বাকি ১০০০ কোটি টাকা দিলে তবেই শতভাগ এনওসি। এখন যেসব ছাড়পত্র না হলেই নয়, খুব গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো নিতে হবে।

গ্রামীণফোন এতেও হাল ছাড়ছিল না। তারা একই ইস্যুতে এনওসি পাওয়া আরেক অপারেটর রবির উদাহরণও দেয়। বিটিআরসি সেখানে জানিয়েছে রবির কেইস আলাদা। 

গ্রামীণফোনের হেড অব এক্সটার্নাল কমিউনিকেশন মুহাম্মদ হাসান টেকশহরডটকমকে বলেন, আদালতের রায় অনুযায়ী বিটিআরসি ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে উদ্যোগ নেবে বলে আশা করছে গ্রামীণফোন।

অডিট আপত্তির পাওনা দাবি আদায়ে ২০১৯ সালের ২২ জুলাই অপারেটরটিকে এনওসি দেয়া বন্ধ করে দেয় বিটিআরসি। এতদিন এটি বন্ধ থাকার কারণে অপারেটরটির বিনিয়োগ ফিরে যাওয়া, সেবার মান খারাপ হওয়া, নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ বন্ধ থাকাসহ ইকোসিস্টেমের অংশীদারদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির ২৪ তারিখ আপিল বিভাগের রায় অনুয়ায়ী অডিট আপত্তির ইস্যুতে তিন মাসের মধ্যে গ্রামীণফোনকে আরও ১০০০ কোটি টাকা বিটিআরসিকে জমা দিতে হবে। 

এর আগে পাওনা ইস্যুতে গ্রামীণফোনের রিভিউ আবেদনে আপিল বিভাগ বিটিআরসিকে ১০০০ কোটি টাকা দিয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি আবার আদালতে আসতে বলেছিলেন। তখন ১০০০ কোটি টাকা দিয়ে আদালতে গিয়েছিল অপারেটরটি।

এতদিন কোর্টের রায়ের কপি বিটিআরসির কাছে না আসার কারণে জিপি প্রথম দফায় ১০০০ কোটি টাকা জমা দিয়ে আদালতের নির্দেশ পালন করা শুরু করলেও এনওসি দেয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।

গ্রামীণফোনের এই টাকা জমা দেয়া অডিট আপত্তিতে বিটিআরসির পাওনা দাবি ইস্যুর সুরাহা প্রক্রিয়ার অংশ। যখন বিটিআরসির পাওনা দাবির অংক ‘স্যাটেলড’ হবে তখন সেই অংকের সঙ্গে এই ২০০০ কোটি টাকা সমন্বয় করা হবে।

এসআই/এডি/২০২০/ মার্চ২৯/২০১০

আরও পড়ুন –

এনওসি বন্ধে জিপির প্রতিবাদ

টাকা না দিলে জিপির কল ব্লক এনওসি বন্ধ

বিটিআরসিকে ১০০০ কোটি টাকা দিল গ্রামীণফোন

*

*

আরও পড়ুন