Samsung IM Campaign_Oct’20

করোনার কারণে দেউলিয়ার পথে বিলিয়ন ডলারের স্টার্টআপ!

ছবি: ইন্টারনেট থেকে নেওয়া
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : লন্ডনভিত্তিক স্যাটেলাইট স্টার্টআপ ‘ওয়ান ওয়েব’ যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ব্যাংকক্রাপসি প্রোটেকশন আদালতে দেউলিয়া হওয়া থেকে রক্ষার জন্য আবেদন করেছে।

সেই সঙ্গে নতুন বিনিয়োগ না পাওয়ার জন্য তারা কোভিড ১৯ মহামারিকে দায়ী করেছে।

শনিবার একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোম্পানিটি জানায় যে তারা বেশিরভাগ কর্মীকে ছাঁটাই করছে এবং কোম্পানিটি বিক্রয় করে দেওয়ার জন্য ক্রেতা খুঁজছে।

ওয়ান ওয়েবের লক্ষ্য ছিল ৬৪৮টি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সারাবিশ্বের সব স্থানে (এন্টার্কটিকা বাদে) উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও নিম্ন লেটেন্সিতে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা। এই লক্ষ্যে ৭৪টি স্যাটেলাইট ইতোমধ্যেই মহাকাশে পাঠাতে সক্ষম হয় কোম্পানিটি।

ওয়ান ওয়েবের অনুমান ছিল পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ করতে তাদের ২৬০ কোটি ডলারের প্রয়োজন পড়বে। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলেছেন পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ করতে তার দ্বিগুণ টাকা লাগতে পারে।

কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী এড্রিয়েন স্ট্যাকেল বলেন, ‘ওয়ান ওয়েবে আজ আমাদের জন্য একটি কঠিন দিন। আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করার জন্য অসংখ্য মানুষ তাদের শ্রম, শক্তি, ও জ্ঞান উৎসর্গ করেছে। আমরা আশা করছি চলমান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমারা চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন করার একটি পথ বের করতে পারব।’

ওয়ান ওয়েবের পরিকল্পনা প্রথম উপস্থাপন করা হয় ২০১৫ সালে। লন্ডনের রয়্যাল ইনস্টিটিউশনে।

এরপর প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করে এয়ারবাস, ইন্টেলসেট, ভারতি এন্টারপ্রাইজ, কোকা কোলা, স্যালিনাস, হাগহেস নেটওয়ার্ক সিস্টেমস, ভার্জিন গ্রুপ এবং সফট ব্যাংকের মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠান।

তবে, পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা থেকে অনেকেই বলছেন এমন কোম্পানির সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম হয়ে থাকে। কারণ স্যাটেলাইট ভিত্তিক সেবার অবকাঠামো স্থাপনের খরচ অনেক বেশি এবং এর আগে যারা এমন প্রকল্পে এগিয়েছেন তাদের প্রায় সবাই লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি এবং শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের দেউলিয়া সুরক্ষা আদালতে আবেদন করেছে। যদিও ওয়ান ওয়েব বর্তমান অবস্থার জন্য কোভিড ১৯ মহামারিকে দায়ী করেছে।

ওয়ান ওয়েব এখন ইলন মাস্ক, জেফ বেজোসসহ আরও অনেকের সঙ্গে আলাপ চালাচ্ছে। স্পেস এক্স ও আমাজনের কিছুটা একই রকম শাখাও রয়েছে।

তবে যদি শেষ পর্যন্ত কোম্পানিটির কোনো ক্রেতা না পাওয়া যায় তাহলে কোম্পানিটি বন্ধ হয়ে যাবে এবং তাদের পাঠান ৭৪টি স্যাটেলাইটের মালিক হবে যুক্তরাজ্য সরকার।

সূত্র : ইন্টারনেট, এমআর/মার্চ ২৯/২০২০/০৩১৩

*

*

আরও পড়ুন