করোনা টেস্ট সেন্টারেও আক্রমণ করছে হ্যাকাররা

ছবি: ইন্টারনেট থেকে নেওয়া
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর: করোনাভাইরাসের আতঙ্কে নাজুক সময়ের সুযোগ নিচ্ছে সাইবার অপরাধীরা। হাসপাতাল থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক সব জায়গাতেই অনবরত আক্রমণ করে যাচ্ছে হ্যাকাররা।

চলতি মাসের শুরুর দিকে চেক রিপাবলিকের ব্রুনো ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের করোনাভাইরাস টেস্টিং সেন্টারে হ্যাকিং চালিয়ে সব সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় হ্যাকাররা।

গণস্বাস্থ্যের এমন নাজুক সময়ে হ্যাকারদের এমন কাজ প্রাণহানির কারণ হতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইউরোপের আইনশৃঙ্খলা এজেন্সি ইউরোপোল।

তুলনামূলক অনিরাপদ নেটওয়ার্ক থেকে কাজ করা এবং মানুষের আতঙ্ক ও অমনোযোগিতার ফলে উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েছে হ্যাকিং, যা সামনের দিনগুলোতে আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে ইউরোপোল।

সংস্থাটির  নতুন একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, ফিশিং ইমেইল, স্প্যাম ক্যাম্পেইনের সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে। এগুলোতে বিভ্রান্ত হয়ে মানুষ ব্যাংকের তথ্যসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যও দিয়ে দিচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, “সাইবার আক্রমণগুলোর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে এবং সামনের দিনগুলোতে আরও বাড়বে। সাইবার অপরাধীরা বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার ও র‍্যানসামওয়্যার প্যাকেজ তৈরি বহাল রাখবে।”

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে অনেকেই এখন বাসা থেকে কাজ করছেন। সাধারণত যা অফিসের মতো নিরাপদ হয়ে থাকে না। ইউরোপোলের তরফ থেকে যারা বাসা থেকে কাজ করছেন তাদেরকেও সতর্কতার সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

ইউরোপিয়ান সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সি ইতিপূর্বে যারা বাড়ি থেকে কাজ করছেন তাদের কাজের নিরাপত্তার জন্য কিছু নির্দেশনা দিয়েছে।

যার মধ্যে আছে ওয়াইফাইয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অ্যান্টিভাইরাস নিয়মিত আপডেট করা, সিকিউরিটি আপডেট রাখা, নিয়মিত ব্যাকাপ নেওয়া, কোথাও যাওয়ার সময় স্ক্রিন লক করে যাওয়া, এনক্রিপশান সফটওয়্যার ব্যবহার করা এবং নিরাপদ পরিবেশে কাজ করা।

সূত্র : ইন্টারনেট, এমআর/মার্চ ২৮/২০২০/১১০৩

আরও পড়ুন –

করোনার নামে হ্যাকিংয়ে নেমেছে দুর্বৃত্তরা

করোনা বিষয়ক ইমেইল ওপেন করতে সাবধান

ফোনে লুকাচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাপ, ইনস্টলে সাবধানতার পরামর্শ

*

*

আরও পড়ুন