Techno Header Top and Before feature image

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কথা বললেন ক্যাসপারস্কি প্রধান

ইউজিন ক্যাসপারস্কি। ছবি: ইন্টারনেট থেকে নেওয়া

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর: যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে আঘাত এলেই ভিন দেশী কোম্পানির উপর নিষেধাজ্ঞার খড়গ নেমে আসে, এটা অ্যান্টিভাইরাস কোম্পানি ক্যাসপারস্কির চেয়ে ভালো কেউই হয়তো জানে না। ২০১৬ সালে রাশিয়ান কোম্পানিটির বার্ষিক আয় ছিল ৬৪ কোটি ডলার। হুট করে ২০১৭ সালে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে কোম্পানিটির নিরাপত্তা সফটওয়্যারকে নিষিদ্ধ করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। স্বভাবতই ব্যাপক প্রভাব পড়ে কোম্পানিটির ব্যবসায়। এতদিন বিষয়টি নিয়ে কথা না বললেও সম্প্রতি কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউজিন ক্যাসপারস্কি একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কিছু তথ্যের খোলাসা করেন।

কেন নিষিদ্ধ করা হলো?
তার মতে এই প্রশ্নের জবাব পেতে যুক্তরাষ্ট্রের অথোরিটিকেই জিজ্ঞেস করাই সমীচীন হবে। তবে তিনি যেটিকে কারণ হিসেবে সন্দেহ করছেন সেটি হচ্ছে ক্যাসপারস্কি তথ্য চুরির রাষ্ট্রীয় প্রচেষ্টাকে চিহ্নিত করতে পারত। ক্যাসপারস্কির অবকাঠামোটা মোটাদাগে ভাইরাসকে দুটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করতে পারে, এক. তথ্য চোর ম্যালওয়্যার; দুই. গোয়েন্দা ভাইরাস (এসপিওনাজ)। ইউজিনের সন্দেহ ক্যাসপারস্কি হয়তো এমন কিছু চিহ্নিত করেছে যা মার্কিনীদের পছন্দ হয়নি।

হুয়াওয়ের মতো?
হুয়াওয়ের নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে কিছুটা মিল আছে স্বীকার করেছেন ইউজিন। তাঁর মতে হুয়াওয়েকে যে কারণে নিষিদ্ধ করা হয়েছে সেটি খুবই অযৌক্তিক। হুয়াওয়ের টেলিকম ডিভাইসে গোয়েন্দাগিরির যন্ত্র বসানো একেবারেই বাস্তবসম্মত কোনও বিষয় নয়। চীন যদি যুক্তরাষ্ট্রের উপর গোয়েন্দাগিরি করতে চায় তাহলে এর থেকে সাশ্রয়ী অনেক পদ্ধতি রয়েছে।

রাশিয়ান ইন্টারনেট আদৌ সম্ভব?
সম্প্রতি একটি খবর চাউর হয়েছে যে রাশিয়া নিজেদের দেশের জন্য একটি বিশেষ ধরনের ইন্টারনেট চালু করতে যাচ্ছে। বৈশ্বিক ইন্টারনেট থেকে আলাদা হয়ে নিজেদের জন্য নিরাপদ একটি ইন্টারনেটের সম্ভাব্যতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে তারা।
ইউজিন মনে করেন এটি বাস্তবসম্মত কোনও সমাধান নয়। কারণ বৈশ্বিক ইন্টারনেটে এতো বেশি সংযোগ স্থাপিত হয়েছে যে সবগুলোকে একযোগে বের করে দিলে অনেক বড় দাম দিতে হবে যা প্রাপ্তির তুলনায় বিশাল।

সূত্র : ইন্টারনেট, এমআর/মার্চ ১৭/২০২০/১১৩৪

*

*

আরও পড়ুন