এমএনপির আয় ভাগাভাগিতেও বড় ছাড়

ইনফোজিলিয়ানের লোগো। ছবি : ইন্টারনেট
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : আগের নম্বর অপরিবর্তিত রেখে মোবাইল অপারেটর বদলের সুবিধা নিয়ে আসা অপারেটর ইনফোজিলিয়ান আরও একটি আর্থিক সুবিধা আদায় করে নিয়েছে।

লাইসেন্সের শর্ত অনুসারে মোট আয়ের ১৫ শতাংশ সরকারকে দেওয়ার কথা থাকলেও রাজস্ব ভাগাভাগি চালু হওয়ার আগেই তা ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে অপারেটরটি।

এমএনপি সেবাদাতা ইনফোজিলিয়ান টেলিটেক বিডির লাইসেন্সের মূল শর্তে আছে, সেবা চালু হওয়ার দ্বিতীয় বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে অপারেটরটি মোট আয়ের ১৫ শতাংশ সরকারকে দেবে।

২০১৮ সালের ১ অক্টোবর থেকে দেশে এমএনপি সেবা চালু হয়।

ইনফোজিলিয়ান বলছে, শুরুতে তাদের ধারণা ছিল প্রতি মাসে অন্তত এক লাখ গ্রাহক এমএনপি সেবা নিয়ে অপারেটর বদল করবে। কিন্তু প্রথম নয় মাসে গড়ে প্রতি মাসে ৫৪ হাজার গ্রাহক সেবা নিয়েছেন। ফলে প্রত্যাশার তুলনায় তাদের আয় অনেক কম হয়েছে। এ কারণে সরকারকে রাজস্ব দেওয়ার অংশ কমাতে চায় তারা।

সরকারের উচ্চ পর্যায়ে তদবির করে সম্প্রতি সফল হয়েছে অপারেটরটি। এরপর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) রাজস্ব ভাগাভাগির অংশ ৫ শতাংশে নামিয়ে আনে।

এর আগে এ সেবা শুরুর কয়েক মাস আগে অপারেটরটি আরও একটি আর্থিক সুবিধা পায়। শুরুতে অপারেটর বদলের জন্য গ্রাহকের নির্ধারিত চার্জ ৩০ টাকা থাকলেও সেবা চালু হওয়ার আগেই তা ৫০ টাকা করা হয়। ভ্যাটসহ যেটি এখন ৫৮ টাকা।

উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে লাইসেন্স পেলেও তাদের প্রস্তাবের অনেক শর্তে ছাড় পায় কোম্পানিটি।

একই সময় তারা অপারেটর বদলের সুবিধা সহজ করতে সিম রিপ্লেসমেন্টে আগের অর্থবছরে ১০০ টাকা ট্যাক্স মওফুফ পায়। যদিও গত বাজেটে এ ‍সুবিধা আর থাকেনি।

গত বছর শেষের দিকে রাজস্ব ভাগাভাগির অংশ কমাতে ইনফোজিলিয়ান আবেদনে উল্লেখ করে মোবাইল ফোন অপারেটরসহ, ল্যান্ডফোন কোম্পানিগুলো এবং আইপিটিএসপি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানও সরকারের সঙ্গে ৫ শতাংশের মতো রাজস্ব ভাগাভাগি করে। সুতরাং তাদেরকে বেলাতেও একই হার হওয়া উচিত।

এমএনপি চালু করতে ২০০৮ সালে প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত গ্রাহক পর্যায়ে সেবা চালু করতে এক দশক লেগে যায়।

সেবাটি চালু করতে আবেদন করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপারেটর বদলে যাচ্ছে। তবে পুনরায় অপারেটর পরিবর্তন করতে হলে তাকে ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হবে।

এমএনপির সেবা চালুর প্রথম এক বছরে ছয় লাখ ৯০ হাজার ৫৫০ জন গ্রাহক আগের নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদল করেছেন।

এর মধ্যে চার লাখ ৯৬ হাজার অন্য অপারেটর হতে রবিতে এসেছেন। এ সময়ে অপারেটর বদলের সেবা নেয়ার চেষ্টা করেও সফল হননি দুই লাখ ৫৬ হাজার ৬৩৩ গ্রাহক। এরমধ্যে এক লাখ ৬৮ হাজার ৬৬৫ জন রবিতে আসতে চেয়েছিলেন।

জেডএ/আরআর/মার্চ ১১/২০২০/১৫০৩

আরও পড়ুন –

আরও সুবিধা চায় এমএনপি অপারেটর

এমএনপির এক বছর : ৭ লাখের ৫ লাখই রবিতে

এমএনপিতে বিকাশের ম্যাসেজ সমস্যার সমাধান

*

*

আরও পড়ুন