বাংলালিংকের অডিটে ৮ কোম্পানির আগ্রহ

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গ্রামীণফোন ও রবিতে একাধিকবার অডিট হলেও গ্রাহক বিচারে এক সময়ের দ্বিতীয় অপারেটর বাংলালিংকে অডিট করতে দুই দফা উদ্যোগ নিয়েও অজানা কারণে তা শেষ হয়নি।

এবার বাংলালিংকে অডিট করার তৃতীয় উদ্যোগে মোট আট কোম্পানির সাড়া পেয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

কমিশনের সংশ্লিষ্টরা জানান, অনেক জল ঘোলা হলেও বড় দুটি অপারেটরের অডিটে সাফল্য পাওয়া যাওয়ায় তারা এ ধাক্কায় বাংলালিংকের আর্থিক হিসাবের অডিটও শেষ হয়ে যাবে।

কমিশন গত ডিসেম্বরে বর্তমানে তৃতীয় গ্রাহক সেরা অপারেটরটিতে অডিটর নিয়োগে দরপত্র আহবান করে। এত সব মিলে আট নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান সাড়া দেয়।

যাচাই বাছাই শেষে এখন দুই সপ্তাহের মধ্যে কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে আর্থিক প্রস্তাব চাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। তবে আগ্রহী কোম্পানিগুলোর নাম জানা যায়নি।

এদিকে বাংলালিংকের অডিট করতে আবেদন করা একটি কোম্পানি বলছে এবার দরপত্রে এমন কিছু জটিলতা রয়েছে, যাতে কাজ না পাওয়া নিরীক্ষক কোম্পানির আদালতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। 

 এ নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানটি এর আগে অপর একটি অপারেটরের অডিটের কাজ করেছে। তাদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জটিলতার কারণ বিষয়টি আবার ঝুলে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করেছেন।

Banglalink audit techshohor

এর আগে বাংলালিংকে অডিট করতে ২০১১ সালে অডিটর নিয়োগ দেওয়ার পর ওই প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরু করেছিল। কিন্তু মাঝপথে এসে অডিটর কাজ করবে না বলে জানায়।

ওই সময় অডিটর বদলে নতুন কোম্পানিকে দায়িত্ব দিলেও তারাও এক পর্যায়ে অডিট করতে অস্বীকৃতি জানায়।

তবে অডিট প্রতিষ্ঠান আহমেদ জাকের অ্যান্ড কোম্পানি কখনোই এর সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি।

পরে ২০১৭ সালে আবারও বাংলালিংকের হিসাব অডিটের উদ্যোগ নেয় বিটিআরসি। ওই বছর বেশ খানিকটা সময় নিয়ে দাফতরিক কাজকর্ম অনেকটা এগিয়ে নেওয়া হয়।

সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে আগ্রহীদের কাছ থেকে প্রস্তাবও নেওয়া হয়। অডিটর বাছাই করতে গিয়েও সময় বেশি চলে যাওয়ায় এক পর্যায়ে তা বাতিল করে দেয় কমিশন।

বারবার বাংলালিংকে অডিটের প্রক্রিয়া শুরু করেও তা বাতিল করা নিয়ে তাই নানান মহল থেকে প্রশ্ন আসে।

আইনগতভাবে মাঝে মাঝেই বিটিআরসির বিভিন্ন অপারেটরের আর্থিক এবং প্রযুক্তিগত বিষয়ে অডিট করার এখতিয়ার থাকলেও এত বছরে এ ক্ষেত্রে তাদের সাফল্য খুবই কম।

বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান জহুরুল হক এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, তাদের মানব সম্পদে ঘাটতি থাকায় ইচ্ছা থাকলেও খুব একটা কিছু করার সুযোগ কম।

‘আমরা চাই এ খাতে নিয়ম শৃঙ্খলা বজায় থাক। এ জন্য অডিটই হচ্ছে সবচেয়ে ভালো উপায়- বলে উল্লেখ করেন জহুরুল হক।

গ্রামীণফোন ও রবির অডিট সম্পন্ন করার পর ১৩ হাজার কোটি টাকার অডিট দাবির কথা জানায় বিটিআরসি।

এর মধ্য থেকে দুই অপারেটরের কাছ থেকে এক হাজার ৫৫ কোটি ২০ লাখ টাকা এর মধ্যে পেয়ে গেছে বিটিআরসি।

জেডএ/আরআর/মার্চ ০৯/২০২০/১৩.৪৪

*

*

আরও পড়ুন