Header Top

আগেভাগেই দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দিয়েছে রবি

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : শেষ সময়ের ২০ দিন আগে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা বিটিআরসিতে জমা করেছে রবি।

গত ১০ ফেব্র্রুয়ারি ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিয়েছে তারা। এর আগে সমপরিমাণ টাকার প্রথম কিস্তি ১৪ জানুয়ারি পরিশোধ করেছিল অপারেটরটি।

অডিট আপত্তিতে বিটিআরসির পাওনা দাবি ইস্যুর সুরাহা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদালতের নির্দেশে এই টাকা দিচ্ছে রবি। 

আদালত গত ৫ জানুয়ারি আপাতত পাঁচ মাসের সমান কিস্তিতে ১৩৮ কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিল। যার প্রথম কিস্তি দেয়ার কথা ছিল ৩০ জানুয়ারির মধ্যে।

সে হিসেবে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা জমা দেয়ার শেষ দিন ২৯ ফেব্রুয়ারি। মাসটির শেষ দু’দিন ছুটি হওয়ায় ২৭ তারিখের মধ্যে এই কিস্তি দিতে হতো তাদের।

অডিট আপত্তিতে রবির কাছে বিটিআরসির পাওনা দাবি ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা। পাঁচ কিস্তিতে আপাতত ১৩৮ কোটি টাকা পরিশোধের পর আলোচনা বা আইনি প্রক্রিয়ায় মূল পাওনা নিয়ে সুরাহা হলে এই ১৩৮ কোটি টাকা তখন সমন্বয় করা হবে।

প্রথম কিস্তির টাকা জমা দেয়ার পর অপারেটরটির বিভিন্ন এনওসির ছাড়পত্র দিয়েছে বিটিআরসি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন পরবর্তী এনওসিগুলো যেন ঠিক সময়ে সাধারণভাবে পেতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য আগেভাগেই এই কিস্তির টাকা জমা দিয়ে দেয়া।

প্রথম কিস্তি জমা দেয়ার পর রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম জানিয়েছিলেন, মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসারে কিস্তির অর্থ বিটিআরসিতে জমা দিয়েছে রবি।

‘মূলত সেবার ক্ষেত্রে আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের অবর্ণনীয় অসুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তা সমাধানের উদ্দেশ্যে আদালত নির্দেশিত কিস্তির অর্থ জমা দেয়া হয়েছে। রবি ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে দেশের আইন-কানুনের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল। তবে অর্থ জমা দিলেও নিরীক্ষা প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অযৌক্তিক, সে বিষয়ে রবির অবস্থান এখনো দৃঢ় এবং স্পষ্ট। তাই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কিস্তির যে অর্থ জমা দেয়া হয়েছে তা যথাসময়ে ফেরত পাবে বলে তাদের বিশ্বাস।’ বলেন তিনি।

তিনি বলেছিলেন, ‘এই নিরীক্ষা প্রতিবেদন ইস্যুতে রবির শেয়ারহোল্ডাররা স্বাধীনভাবে অন্যান্য বিকল্প আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবেন ন্যায়বিচার পাওয়ার লক্ষ্যে। এটি অনস্বীকার্য, যে প্রক্রিয়ায় পুরো বিষয়টি এখন পর্যন্ত এগিয়েছে তা বিনিয়োগকারীদের আস্থায় বড় ধরনের ফাটল তৈরি করেছে।’

এডি/২০২০/ফেব্রুয়ার২৬/১৮০০

১ টি মতামত

*

*

আরও পড়ুন