Header Top

‘আর কোথায় যাবে জিপি, টাকা দিতে হবে এবার’

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : টাকা না দিয়ে গ্রামীণফোনের যাওয়ার  আর জায়গা নেই বলে মনে করেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক।

নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটির চেয়ারম্যান আশা করছেন অপারেটরটি এবার টাকা দিয়ে দেবে।

গ্রামীণফোনের রিভিউ আবেদনে ‍বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের রায়ে ১০০০ কোটি টাকা দেয়ার নির্দেশের পর বিটিআরসি চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের এই মতামত জানান।

তিনি বলেন, ‘আমরা যখন বসেছিলাম তখন সবকিছু করতে পারতাম। তারা(জিপি) চলে গেলো কোর্টে। কোর্টে যেতে যেতে একদম আপিল বিভাগে গেলো। আবার আপিল বিভাগের অর্ডারের বিরুদ্ধে রিভিউও করলো। রিভিউ আদেশে বলে দেয়া হলো ১০০০ কোটি টাকা’

‘আর কোথায় যাবে, আর যাওয়ার জায়গা দেখছি না। আর কোনো জায়গা আছে বলে আমি মনে করি না। আমার যতখানি মনে হয় তারা টাকাটা দিয়ে দেবে’ বলছিলেন তিনি।  

বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘এখন আজ (বৃহস্পতিবার ) রিভিউ আবেদনে আপিল বিভাগ নির্দেশ দিয়েছে সোমবারের মধ্যে ১০০০ কোটি টাকা জমা দিয়ে আসেন এবং কিস্তি বা অন্য বিষয় কী হয় সেটা তখন দেখবেন। তাই বিটিআরসির এখন আর ১০০০ কোটি টাকার নীচে নেওয়ার সুযোগ নেই’

টাকা না দিলে আইনানুগ আচরণ করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘লাইসেন্স বাতিল করা হবে না এখন। তবে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগ করবো। যোগ্য ও সৎ মানুষ। গ্রামীণফোনের বেতন-ভাতা দিয়ে পাওনা টাকা বিটিআরসিতে জমা দেবে। টাকা জমা শেষ হয়ে গেলে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর চলে আসবে’

‘অন্যদিকে টাকা দিলে এনওসি প্রত্যাহার করা হবে। তবে এ বিষয়ে ২৪ তারিখের পর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে’ বলেন তিনি।

মো. জহুরুল হক বলেন, ‘অডিটের প্রেক্ষিতে গ্রামীণফোনের কাছে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা পাবো। সেই পাওনা আদায়ের জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে আইন অনুযায়ী টাকা উদ্ধারের জন্য অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিলাম। অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগে আইনের বিধান অনুযায়ী সরকারের অনুমোদন লাগে, অনুমোদনও নিলাম’

‘তখন গ্রামীণফোন আবার কোর্টে গেলো। সেটি জর্জ কোর্ট, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগ পর্যন্ত গেলো গত ৩ মাস আগে। আপিল বিভাগ বলে দিলো কমপক্ষে ২০০০ কোটি টাকা দিতে হবে তারপর আলোচনা’

এরমধ্যে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সে সময় ঠিক করেছিলাম যে ডাউন পেইমেন্ট হিসেবে ২০০ কোটি টাকা দিক আমরা আলোচনা শুরু করি। কিন্তু গ্রামীণফোন তাও দেয়নি। তারা কোর্টে গেলো’

নিয়ন্ত্রণ সংস্থার এই চেয়ারম্যান বলেন, ‘কোর্ট যখন ২০০০ কোটি টাকা দিতে নির্দেশ দেয় আমরা কিন্তু তা কমাতে পারি না। গতকাল (বুধবার) ১০০ কোটি টাকা নিয়ে আমাদের কাছে এসেছিলো। তারা বললো এটা বিগিনিং, আমরা শুরু করলাম। আমরা বললাম এই বিগিনিং তো পাঁচ মাস আগে বলা হয়েছিল। তখন যদি বিগিনিং করতেন তাহলে সুযোগ  ছিল। এখন আপিল বিভাগের নির্দেশের বাইলে আমরা টাকা নিতে পারি না’

এডি/২০২০/ফেব্রুয়ারি২০/১৭০০

*

*

আরও পড়ুন