Header Top

স্পেকট্রাম কেনার ফল এতদিনে পাচ্ছে বাংলালিংক

Banglalink_office_techshohor
ফাইল ফটো
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বকেয়া পাওনা নিয়ে ঝামেলায় থাকা গ্রামীণেফােন ও রবির ডামাডোলের মধ্যে অপর মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংকের আয়ে সুবাতাস লেগেছে। 

আয়ের বিবেচনায় গত টানা তিন বছর ধরে নিম্নমুখী ধারায় থাকা বাংলালিংক ২০১৯ সালে খানিকটা হলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

আগের বছরের তুলনায় প্রায় পৌনে ৪ শতাংশ আয় বেড়ে অপারেটরটির মোট আয় হয়েছে চার হাজার ৫২৮ কোটি লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মূলত ২০১৮ সালে ফোরজি লাইসেন্স নেওয়ার সময় তারা বেশ খানিকটা স্পেকট্রাম কেনেন। এর কারণে তাদের নেটওয়ার্ক আগের চেয়ে শক্তিশালী হয় এবং ২০১৯ সালের আর্থিক হিসেবে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিয়ন সম্প্রতি ২০১৯ সালের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে আয়ের হিসাব তুলে ধরা হয়। অবশ্য যথারীতি ব্যয়ের হিসাব না দেওয়ায় মোট রাজস্ব আয়ের ফলে তাদের কতোটা লাভ বা ক্ষতি হলো তা জানা যাচ্ছে না।

২০১৮ সালে গ্রাহক বিচারে দেশের তৃতীয় সেরা অপারেটরটির আয় ছিল চার হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। এর আগের বছরে যা ছিল চার হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে এর পরিমাণ ছিল চার হাজার ৮৭০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশে বাংলালিংকের যাত্রা হয় ২০০৫ সালে। শুরু থেকে অপারেটরটি অনেক সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে আসছিল। তবে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে তারা খানিকটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে, বিশেষ করে রবি ও এয়ারটেলের একীভূতিকরণের পর।

স্পেকট্রামের কমতির কারণে তখন সেবার মান নিয়েও বেশ প্রশ্ন আসে বাংলালিংকের।

তবে এখন ডেটার ওপর অনেক জোর দেওয়ায় বাংলালিংকের আয় আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় ভালো হয়েছে। শেষ হওয়া বছরে তারা ডেটা থেকে ৯১৯ কোটি ৩৯ লাখ টাকা আয় করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।

নিজেদের তিন কোটি ৬০ লাখ কার্যকর মোবাইল সংযোগের মধ্যে বছরের শেষের হিসাব অনুসারে দুই কোটি ১৯ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। তাদের কাছ থেকে এসেছে ডেটার এই আয়।

২০১৮ সালে বাংলালিংক ডেটা থেকে আয় করেছিল ৭২৫ কোটি টাকা। এর আগের বছরে এ অংক ছিল ৬৩০ কোটি টাকা। এটি ২০১৬ সালে ছিল ৪৯০ কোটি টাকা।

ডেটায় ভালো করলেও গ্রাহক প্রতি আয় কমেছে, খারাপ হয়েছে অন্যান্য আরো কয়েকটি সূচকেও।

২০১৯ সালের শেষে প্রতি মাসে বাংলালিংকের গ্রাহক প্রতি আয় চলে এসেছে ১০৯ টাকায়। আগের বছর এটি ছিল ১১০ টাকা।

তাছাড়া গ্রাহক প্রতি মাসে ভয়েস কল ব্যবহাররের হারও কমেছে। ২০১৮ সালে প্রতি গ্রাহক যেখানে মাসে ২৩২ মিনিট ফোনে কথা বলেছেন সেটি ২০১৯ সালে নেমে এসেছে ২২৬ মিনিটে।

তবে গ্রাহক প্রতি মাসে ডেটার গড় ব্যবহার আগে ১,০২৪ এমবি থেকে বেড়েছে ১,৩৭০ এমবি হয়েছে।

জেডআর/আরআর/ফেব্রুয়ারি ২৩/২০২০২/১৩৩০

আরও পড়ুন –

বাংলালিংকে আবার অডিটের উদ্যোগ

বিনামূল্যেও নিচ্ছে না বাংলালিংকের ০১৪!

*

*

আরও পড়ুন