Header Top

এই ১০ ফিচার গ্যালাক্সি এস ২০-এ আছে, আইফোনে নেই!

আইফোন ১১ প্রো ও গ্যালাক্সি এস২০। ছবি : বিজনেস ইনসাইডার
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস২০ সিরিজের ফোনগুলোতে এমন অনেক ফিচার দেখা গেছে যা অ্যাপলের সর্বশেষ আইফোন ১১ সিরিজে নেই।

অত্যাধুনিক সব ফিচার থাকায় এবারের গ্যালাক্সি এস সিরিজ ছাড়িয়ে গেছে আইফোনের দাম। গ্যালাক্সি এস২০ ফোনের দাম শুরু হয়েছে ১ হাজার ডলার থেকে। আইফোন ১১ মডেলের দাম শুরু হয়েছে ৭০০ ডলার থেকে। দামের পার্থক্য থাকায় স্যামসাংয়ের ফোন বেশি উন্নত হবে এটাই স্বাভাবিক।

আইফোন ১১ সিরিজে যেসব ফিচার বাদ পরেছে সেগুলো নিয়েই থাকছে বিস্তারিত।

বড় স্ক্রিন

স্যামসাংয়ের প্রতিটি মডেলেই রয়েছে বড় স্ক্রিন। গ্যালাক্সি এস২০ ফোনের স্ক্রিন ৬ দশমিক ২, গ্যালাক্সি এস২০ প্লাসের স্ক্রিন ৬ দশমিক ৭ ও গ্যালাক্সি এস২০ আল্ট্রার স্ক্রিন ৬ দশমিক ৯ ইঞ্চি।

এর বিপরীতে আইফোন ১১ মডেলের স্ক্রিন ৬ দশমিক ১, আইফোন ১১ প্রোয়ের স্ক্রিন ৫ দশমিক ৮ ও আইফোন ১১ প্রো ম্যাক্সের স্ক্রিন ৬ দশমিক ৫ ইঞ্চি। 

নচ

আইফোন ১০ থেকে নচ ডিসপ্লের ট্রেন্ড শুরু হয়। এই ট্রেন্ড থেকে আইফোন এখনো বের হতে পারেনি। তাদের আইফোন ১১ সিরিজেও একই নচ রয়ে গেছে। স্যামসাং তাদের ডিসপ্লেতে কোনো নচ রাখেনি। এর বিপরীতে তারা ব্যবহার করেছে ‘ইনফিনিটি-ও’ ডিসপ্লে। এতে করে নচের জন্য ডিসপ্লের অংশ ছেঁটে ফেলতে হয়নি স্যামসাংকে।

হাইরেজুলেশনের ক্যামেরা

আইফোনের ক্যামেরার মান বরাবরই ভালো। তবে তাদের ক্যামেরায় অনেক বেশি  মেগাপিক্সেলের সেন্সর থাকে না। আইফোন ১১ সিরিজে সর্বোচ্চ ১২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে। স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস ২০ আল্ট্রাতে আছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। তবে শুধু মেগাপিক্সেলের হিসেব করে আইফোনের ক্যামেরাকে পিছিয়ে রাখা যাবে না। রিভিউয়ারদের মতে, আইফোন ১১ সিরিজের ক্যামেরা বাজারের অন্যান্য সব ফোনের চেয়ে বেশি শক্তিশালী।

জুম

গ্যালাক্সি এস২০ ও এস২০ প্লাস মডেলে অপটিকাল জুম হয় ৩ গুণ পর্যন্ত এবং ডিজিটাল জুম হয় ৩০ গুণ পর্যন্ত। গ্যালাক্সি আল্ট্রাতে আপটিকাল জুম হবে ১০ গুণ পর্যন্ত এবং ডিজিটাল জুম হবে ১০০ গুণ পর্যন্ত। আইফোন ১১ প্রোতে অপটিকাল জুম হয় ২ গুণ পর্যন্ত এবং ডিজিটাল জুম হয় ১০ গুণ পর্যন্ত। 

এক ক্লিকেই অন্য মোড

গ্যালাক্সি এস২০ ফোনে ‘সিঙ্গেল টেক’ নামের একটি ফিচার আছে। এই ফিচার চালু থাকলে ভিডিও করা অবস্থায় কয়েকটি মোডে ছবি তোলা যাবে। কাজটি করতে শুধু শাটার বাটন প্রেস করলেই হবে। আইফোন থেকেও ভিডিও করা অবস্থায় ছবি তোলা যায়, তবে ভিন্ন ভিন্ন মোডে নয়। 

স্টোরেজ

গ্যালাক্সি এস২০ সিরিজের স্টোরেজ শুরু হয়েছে ১২৮ জিবি থেকে। আইফোন ১১ ও আইফোন ১১ প্রোয়ের স্টোরেজ শুরু হয়েছে ৬৪ জিবি থেকে।

ফাইভজি সাপোর্ট

গ্যালাক্সি এস২০ সিরিজের প্রতিটি মডেলেই আছে ফাইভজি সাপোর্ট। আইফোন ১১ সিরিজের কোনো মডেলেই ফাইভজি সাপোর্ট নেই। আইফোনে ফাইভজি ব্যবহার করতে চাইলে আরও কয়েক মাস অপেক্ষায় থাকতে হবে।

রিফ্রেশ রেট

স্মুথ গেইমিংয়ের জন্য বেশি রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন বাড়তি সুবিধা দেয়। গ্যালাক্সি এস২০ সিরিজের প্রতিটি ফোনেরই রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্জ। আইফোন ১১ প্রো ও আইফোন ১১ প্রো ম্যাক্সের রিফ্রেশ রেট ৬০ হার্জ।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট

স্যামসংয়ের নতুন ফ্ল্যাগশিপে রয়েছে ইনডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। ২০১৭ সালে আইফোন ১০ থেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর বাদ দিয়ে এর পরিবর্তে ফেইসআইডি যুক্ত করে অ্যাপল। এরপর থেকে অ্যাপলের কোনো ফোনে আর ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর দেখা যায়নি।

রিভার্স ওয়্যারলেস চার্জিং

স্যামসাংয়ের নতুন গ্যালাক্সি বাডস প্লাস হেডফোন চার্জ করতে হলে গ্যালাক্সি এস২০ ফোনই যথেষ্ট। কোনো বাড়তি চার্জারের প্রয়োজন নেই। কারণ সিরিজটির সব ফোনেই রয়েছে ওয়্যারলেস রিভার্স চার্জিং ফিচার। এ রকম কোনো ফিচার আইফোনে নেই।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে এজেড/ ফেব্রুয়ারি ১৫/২০২০/১২৩০

*

*

আরও পড়ুন