Header Top

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অ্যাপে নিরাপত্তা ত্রুটি

ছবি : ইন্টরনেট থেকে নেওয়া
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইন্টারনেটে ভোট নিতে ব্যবহার করতে যাওয়া অ্যাপে নিরাপত্তা ত্রুটি রয়েছে বলে দাবি করেছে এমআইটির একদল গবেষক।

তাদের দাবি, তারা যে ত্রুটি খুঁজে পেয়েছে তাতে হ্যাকাররা অ্যাপটিতে প্রবেশ করে ভোট বদলে দিতে, ভোট থামিয়ে দিতে কিংবা কেউ কিভাবে কিসে ভোট দিচ্ছে সেটি উন্মোচন করে দিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুয়েটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির কম্পিউটার সায়েন্স ল্যাবরেটরি বৃহস্পতিবার ভোটিং অ্যাপ ‘ভোটস’ এর উপর একটি সিকিউরিটি অডিট প্রকাশ করেছে। সেখানেই এমন দাবি করেছেন গবেষকরা।

অ্যাপটি ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ব্যবহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চলতি বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অ্যাপটি ব্যবহার করার কথা রয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে এমআইটির গবেষকরা দাবি করেছেন, তারা অ্যাপটিতে বেশ কিছু প্রাইভেসি ইস্যু খুঁজে পেয়েছেন। সেগুলো খুবই সংবেদনশীল এবং সেটি তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে সমঝোতা করে নিতে পারে।   

দলটির দাবি, অনুসন্ধানগুলো সাধারণভাবে ইন্টারনেট ভোটিংয়ের বিরুদ্ধে যায় এবং অবশ্যই এটি নির্বাচনের বৈধতা ও স্বচ্ছতার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরে।   

এমআইটির গবেষকরা তাই ইন্টারনেটে ভোট না দিয়ে বরং সাধারণ কাগজের ব্যালট ব্যবহার করার আহ্বান জানান।

তারা বলেন, বর্তমানের যে পেপারের ব্যালটে ভোটিং প্রক্রিয়া সেটা খুব স্বচ্ছ পদ্ধতি। সেখানে নাগরিক এবং রাজনৈতিক দলের জন্যও ভোট পর্যবেক্ষণ করা সহজ হয়।  

এমআইটির একজন গবেষক জেমস কপ্পেল বলেছেন, ভোটস অ্যাপ এবং এর অবকাঠামো পুরোটাই একটা ক্লোজ সোর্স।

কপ্পেল আরও বলেন, আমরা শুধু অ্যাপটিতে প্রবেশ করতে পেরেছি। তিনি ব্যাখ্যা করেন, যে অ্যাপটি ভোটারের ডিভাইসে ইনস্টল করা হয় সেটিতে প্রবেশ করেই গবেষণা করেছে এমআইটির গবেষকরা। তারা অ্যাপটির ব্যাকএন্ডে প্রবেশ করতে পারেননি, তাই সেখানে কি ধরনের ইস্যু রয়েছে সেটি জানতে পারেননি।  

গবেষক দলটি অবশ্য তাদের এসব অনুস্ধানের ফলাফল সম্পর্কে দেশটির  হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সাইবার সিকিউরিটি এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার এজেন্সি (ডিএইচএস সিআইএসএ)-কে অবহিত করেছে।

ভোটস তাদের এক নিরীক্ষা প্রতিবেদনে অ্যাপের দুর্বলতার বিষয়টি স্বীকার করলেও সেটির তীব্রতা বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে বলে জানায়। একই সঙ্গে এক ব্লগ পোস্টে বৃহস্পতিবারই ভোটস কর্তৃপক্ষ এমআইটির এমন প্রতিবেদনকে গুরুত্বহীন বলে অ্যাখ্যা দিয়েছে। এমনকি এই গবেষণা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা।

তারা বলেছে, গবেষকরা যে অ্যাপটি ব্যবহার করেছে সেটি এর পুরাতন সংস্করণ। সেটি বর্তমান সংস্করণের আরও ২৭টি সংস্করণ আগের। যদিও গবেষকদের দাবি তারা যে অ্যাপ ব্যবহার করেছে সেটি ১ জানুয়ারি ২০২০ থেকে প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে।

অন্যদিকে ভোটস দাবি করছে, এমআইটির গবেষকরা অ্যাপটি ব্যবহার করেছে অফলাইনে। ফলে প্রকৃত ফলাফল সেখানে উঠে আসেনি।  

জেডডি নেট অবলম্বনে ইএইচ/ ফেব্রু ১৪/ ২০২০/০৯০০ 

*

*

আরও পড়ুন