Techno Header Top

সরকারি সেবা ডিজিটাইজেশনে বিদেশি সফটওয়্যার নয়

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সরকারের ই-গভর্ন্যান্স বাস্তবায়নে বিদেশি কোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

রোববার রাতে বেসিস সফটএক্সপো-২০২০ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীরের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

পলক বলেন, ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় আইসিটি বিভাগ ৫৬টি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তাদের কাছে গিয়ে কোন কোন সেবা ডিজিটাইজ করা দরকার তা চিহ্নিত করেছে এবং এর জন্য রোডম্যাপ তৈরি করেছে। যেখানে  ধাপে ধাপে ২০২১ এর মধ্যে সব সেবা ডিজিটাইজ করার লক্ষ্য ঠিক করা হয়।

তিনি জানান, এটুআইয়ের ডিজিটাল সার্ভিস এক্সিলারেটর  ২৮০০ সেবা চিহ্নিত করে দিয়েছে যেগুলো ডিজিটাইজ করতে পারলে ৯৯ শতাংশ সরকারি সেবা ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হবে।

‘ইতোমধ্যে ২৫টি মন্ত্রণালয়ে সার্ভিস ডিজাইন ল্যাব সম্পন্ন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬০০ সেবা ডিজিটাইজ করা হয়েছে আরও ২২০০ সেবা ডিজিটাইজ করতে হবে’ বলছিলেন তিনি।  

পলক বলেন, ‘১১ বছর আগে জাতিসংঘের ডিজিটাল সার্ভিস ইনডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৬২তম । আজ সেই ই-গর্ভন্যান্স ইনডেক্সে অবস্থান ১১৫। ২০২১ এর মধ্যে এই অবস্থান ৯৯ তম এবং ২০২৫ এর মধ্যে টপ ৫০ এর মধ্যে আসার লক্ষ্য রয়েছে’ 

‘এ জন্য যেসব সেবা, ডিজিটাইজেশন দরকার সেগুলো, সফটওয়্যার- সফটওয়্যার সলিউশনগুলো বিদেশ হতে আমদানি করতে চাই না। বিদেশি কোম্পানিগুলোকে দিয়ে তাদের কাছে তথ্য হস্তান্তর করতে চাই না। আমাদের দেশের সামধানগুলো আমাদের দেশীয় কোম্পানির মাধ্যমে করতে চাই’ উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।  

ছবি : ইন্টারনেট

পলক জানান, ‘দু’বছর আগে গভর্ম্যান্ট রিসোর্স প্লানিং পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে নেয়া হয়েছিল তখন অনেক বিদেশি কোম্পানি বলেছিলো, কেনো তাদের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না’

তখন তিনি নিজে কট্টর অবস্থানে ছিলেন বলে জানান।

প্রতিমন্ত্রী তখন স্টেকহোল্ডারদের বলেছিলেন, এগুলো বেসিসের কোনো কোম্পানি একা করতে না পারে তাহলে ৫টি কোম্পানি মিলে করবে। এই ২৫ কোটি টাকার সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের মধ্য দিয়ে তাদের যে সক্ষমতা তৈরি হবে তাতে আগামী দিনে ২৫০০ কোটি টাকার কাজের যোগ্য হয়ে উঠবে কোম্পানিগুলো।

পলক তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘নতুন নতুন স্কিলসেট করার জন্য লিভারেজিং আইসিটি প্রজেক্ট নামে একটি কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে । যেখানে তিন ধরনের ট্রেনিং দেয়া হয়। প্রতি বছর বের হওয়া ৫ হতে ৬ লাখ গ্রাজ্যুয়েটকে টপআপ ট্রেনিং দিয়ে আইটি ইন্ডাস্ট্রির জন্য রেডি করা। যারা ইতোমধ্যে বিভিন্ন ম্যানেজারিয়াল পোস্টে রয়েছেন তাদের স্কিল আপস্কিল করা,  ফাস্টট্র্যাক ফিউচার লিডার তৈরি করা’

এডি/২০২০/জানুয়ারি০৯/২২১০

*

*

আরও পড়ুন