সিম নিয়ে পেঁয়াজের মতো অবস্থার আশংকা জিপির

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সিম ফুরিয়ে এসেছে গ্রামীণফোনের। আর নতুন করে বরাদ্দ না পেলে কয়েকদিনের মধ্যে অপারেটরটি আর সিম দিতে পারবে না।

ফলে বাজারে গ্রামীণফোনের সিম নিয়ে পেঁয়াজের মতো সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশংকা করছেন অপারেটরটির সিইও ইয়াসির আজমান।

সোমবার রাজধানীর বসুন্ধরায় জিপির প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে তিনি বলেন, ‘সিম নাম্বার সিরিজ পাচ্ছি না। রিসাইক্লিংয়ের কোনো নাম্বার আমাদের হাতে নাই। আগামী এক সপ্তাহ পরে একটা সিচুয়েশন আসবে, আমরা নাম্বার দিতে পারবো না।’

‘আমরা এই মুহূর্তে খুব ভীত আরেকটা পিয়াজের মতো সিচ্যুয়েশন হবে। এটা কন্ট্রোলের বাইরে চলে যাবে, যদি নাম্বার দিতে না পারি তাহলে মার্কেটে সিমের প্রাইস অনেক বেড়ে যাবে। এটা বড় চ্যালেঞ্জ’ বলছিলেন তিনি।

জিপি সিইও বলেন, ‘আজকে যদি এখনও সাইট রোল-আউট না হয় আপনি তেমন হয়তো প্রবলেম ফেইস করবেন না, কিন্তু সিম না থাকলে অনেক বড় সমস্যা হবে।’

জিপি বলছে, অপারেটরটির খুচরা সিম বিক্রেতা রয়েছে প্রায় ৪ লাখ। সিম সংকটে তখন ওসব সিমের দামে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।

০১৭ নম্বর সিরিজের পর অপারেটরটি ২০১৮ সালের নভেম্বরে ০১৩ সিরিজের দুটি সিরিয়ালে ২ কোটি নতুন নম্বর পায়। ০১৩০ এবং ০১৩১ নম্বর সিরিয়ালের প্রতিটিতে এক কোটি করে এই দুই কোটি সিম মিলেছিল বরাদ্দে।

২০২০ সালের শুরুতে এসে ফুরাতে বসেছে এই বরাদ্দ। অডিট আপত্তির পাওনা দাবি নিয়ে বিরোধে এনওসি বন্ধ থাকার কারণে পুরোনো বা রিসাইক্লিলিং সিমও বিক্রি করতে পারছে না অপারেটরটি।

টানা ১৫ মাস অব্যবহৃত থাকা সিম রিসাইক্লিলিং সিম হিসেবে বিটিআরসির অনুমোদন সাপেক্ষে পুনরায় বিক্রি করতে পারে অপারেটরগুলো। সেখানে জিপির ৩০ লাখ সিম অনুমোদনে আবেদনে থাকলে তাও মিলছে না এখন।

অপারেটরটির এখন গ্রাহক সংখ্যা ৭ কোটি ৬৫ লাখ। যেখানে ফোরজি গ্রাহকের সংখ্যা ১ কোটি ১৯ লাখ। 

সবে শেষ হওয়া প্রান্তিকে তারা ৭ লাখ নতুন গ্রাহক পেয়েছে। যা ২০১৮ সালের তুলনায় ৫ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

এডি/২০২০/ডিসেম্বর০৩/১৭০০

*

*

আরও পড়ুন