মোবাইল ফোন রপ্তানি করবে সিম্ফোনি

ছবি : টেকশহর
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : মধ্যপ্রাচ্য, ভারতের সেভেন সিস্টার্স ও আফ্রিকার দেশগুলোতে নিজেদের মোবাইল হ্যান্ডসেট রপ্তানির সম্ভাবনা দেখছে দেশীয় ব্র্যান্ড সিম্ফোনি।

দেশের বাজারের চাহিদা মিটিয়ে ২০২২ সাল নাগাদ এই রপ্তানি দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করতে চায় ব্র্যান্ডটির উদ্যোক্তা এডিসন গ্রুপ।

টেলিকম সাংবাদিকদের সংগঠন টিআরএনবি’র সদস্যরা বৃহস্পতিবার সিম্ফোনির কারখানা পরিদর্শনকালে এ কথা জানান এডিসন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও জাকারিয়া শাহিদ।

সাভারের আশুলিয়ার জিরাবোতে ওই কারখানায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন এডিসন গ্রুপের সিনিয়র ডিরেক্টর মাকসুদুর রহমান, পরিচালক ও হেড অব কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স মেজর আবদুল মালেক মিয়াজী, হেড অব সেলস এম এ হানিফসহ প্রতিষ্ঠানটি উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

ছিলেন টিআরএনবির সভাপতি মুজিব মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল আনোয়ার খানসহ সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটি ও এর সাধারণ সদস্যরা।

ছবি : টেকশহর

জাকারিয়া শাহিদ জানান, ২০১৮ সালের নভেম্বরে দেশীয় কারখানায় উৎপাদন শুরু করেন তারা। তখন হতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কারখানাটিতে ২৯টি মডেলের সাড়ে ১৩ লাখ হ্যান্ডসেট সংযোজন করেছেন তারা। এখন মাসে প্রায় তিন লাখ হ্যান্ডসেট সংযোজন হচ্ছে। এরমধ্যে দেড় লাখ ফিচার ফোন আর দেড় লাখের মতো স্মার্টফোন। বাজারে এক লাখ থেকে এক লাখ ২৫ হাজার ইউনিট সিম্ফোনি স্মার্টফোনের চাহিদা আছে, যার পুরোটাই স্থানীয় উৎপাদনে পূরণ করা হয়। কারখানাটিতে এখনই ৯৮০জন প্রকৌশলী কাজ করছেন।

প্রায় ৫৭ হাজার বর্গফুটের এই কারখানায় থেমে থাকছে না এডিসন। হ্যান্ডসেট সংযোজনে আরও দুটি কারখানা করার উদ্যোগ নিয়েছে তারা।

‘বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে প্রায় ৮ দশমিক ১৬ একর এবং আশুলিয়ায় ১ লাখ ৭২ হাজার ৮০০ স্কয়ার ফিট জমির ওপরে তৈরি হচ্ছে আরও দুটি কারখানা। এই তিনটি কারখানায় এখন পর্যন্ত সিম্ফোনি খরচ হয়েছে ১০০ কোটি টাকার মতো।’ বলছিলেন জাকারিয়া শাহিদ।

এডিসন গ্রুপের কর্মকর্তারা জানান, দেশে প্রতি মাসে স্মার্টফোনের চাহিদা প্রায় সাড়ে ৯ হতে ১০ লাখ ইউনিট। এর ৭০ শতাংশ এখন দেশেই উৎপাদন হচ্ছে। বাকি ৩০ শতাংশের ২৫ শতাংশই অবৈধ বাজার বা গ্রে মার্কেট এর মাধ্যমে অসাধু ব্যাবসায়ীরা সরবরাহ করছে। যেখানে সরকার দুই হতে তিন হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

তারা বলছেন, বাংলাদেশের মোট মোবাইল ফোনের বাজার প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন কোটি ইউনিটের । অর্থে যা প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। এরমধ্যে স্মার্টফোনের ৩০ শতাংশ আর ফিচারে ৭০ শতাংশ।

তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে দুই ক্যাটাগরি মিলিয়ে মাসে সাড়ে পাঁচ লাখ থেকে ছয় লাখ হ্যান্ডসেট বাজারজাত করার আশা করছেন তারা।

এডি/২০২০/২৫জানুয়ারি/১৭০০

*

*

আরও পড়ুন