লাইটনিং পোর্ট ছাড়তে চায় না অ্যাপল

লাইটনিং পোর্ট। ছবি : বিবিসি
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইউ) এক দশক ধরেই  প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইউএসবি পোর্টের চার্জার ব্যবহারে চাপ দিয়ে আসছে।

ই-বর্জ্য কমানোর খাতিরে তারা এখন লাইটনিং পোর্ট যুক্ত চার্জারের ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে চায়। কিন্তু তাদের কথা মেনে এই চার্জার বাতিল করতে নারাজ অ্যাপল।

ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্য অ্যালেক্স সালিবার মতে, পরিবেশের উপর লাইটনিং পোর্টের চার্জার খুব খারাপ প্রভাব ফেলে। বছরে এ থেকে উৎপাদিত বর্জ্যের পরিমাণ ৫১ হাজার টন।

তবে অ্যাপল বলছে ভিন্ন কথা।  ২০১২ সাল থেকে তাদের প্রায় ১০০ কোটি ডিভাইস লাইটনিং পোর্টসহ বাজারে এসেছে। ফলে ইউরোপেও লাখ লাখ ডিভাইস আছে যেগুলো লাইটনিং পোর্টের চার্জারের উপর নির্ভরশীল। এখন যদি এর ব্যবহার নিষিদ্ধ হয় তবে ডিভাইসগুলো অকেজো হয়ে পড়বে। এতে আরও বেশি পরিমাণে ই-বর্জ্য তৈরি হবে।

বাজারে আছে ৩ ধরণের চার্জিং পোর্ট। ছবি : বিবিসি

অ্যাপল আরও বলেছে, এখানে বিধি নিষেধ আরোপের কিছু নেই। কারণ ইতোমধ্যে প্রায় সব কোম্পানিই চার্জারে ইউএসবি-সি পোর্ট ব্যবহার করছে। অ্যাপলের সব আইফোন ও আইপ্যাডও ইউএসবি-সি সাপোর্ট করে।

২০০৯ সালের দিকে বাজারে ছিলো ৩০ ধরণের চার্জিং ক্যাবল। পরে টেক জায়ান্ট  অ্যাপল, স্যামসাং ও নকিয়াসহ আরও অনেক কোম্পানি বাজারে শুধু মাইক্রো-ইউএসবি পোর্ট যুক্ত চার্জার রাখতে ইউরোপিয়ান কমিশনের কাছে আবেদন জানায়। এরপরেই চার্জারের সংখ্যা ৩০ থেকে ৩ এ নামিয়ে আনে তারা।

বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ইউএসবি-সি বা মাইক্রো-ইউএসবি পোর্ট এবং অ্যাপেল ডিভাইসে লাইটনিং পোর্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। পুরানো হওয়ায় শীঘ্রই বাজারে থেকে হারিয়ে যেতে পারে মাইক্রো ইউএসবি পোর্টের ডিভাইস। আর লাইটনিং পোর্টের কপালে কী জুটবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

বিজনেস ইনসাইডার ও ইউবারগিজমো অবলম্বনে এজেড/ জানুয়ারি ২৫/২০২০/১২

আরও পড়ুন –

পরিবেশ বাঁচাতে অ্যাপলের ডেইজি রোবট 

পরিবেশ ক্ষতির প্রধান কারণ হবে স্মার্টফোন ও ডেটা সেন্টার

*

*

আরও পড়ুন