Header Top

প্রথম কিস্তির ২৭ কোটি টাকা জমা দিল রবি

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অডিট আপত্তিতে বিটিআরসির দাবির ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকার মধ্যে ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে রবি।

মঙ্গলবার অপারেটরটি এই টাকা পরিশোধ করে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার টেকশহরডটকমকে জানান, ‘বাংলাদেশের জনগণের পাওনা টাকা যে রবি দিতে শুরু করেছে এ জন্য তাদের অভিনন্দন। আশাকরি তারা আদালতের নির্দেশ পরিপূর্ণভাবে পালন করবে।’

‘তাদের সুযোগ আছে। এখন ইন্ডাস্ট্রি ফ্রেন্ডলি সরকার রয়েছে। টেলিকম পলিসি, এমএনপি সুবিধা, এসএমপিসহ অন্যান্য নীতিমালা রবি ও অন্যান্য ছোট অপারেটরদের অধিকার ও ন্যায় নিশ্চিত করবে। ফলে তাদের সুযোগ অনেক বেশি। তারা যদি সঠিকভাবে দেশের আইন মেনে ব্যবসা করে তাহলে তাদেরই সুবিধা হবে’ বলছিলেন মন্ত্রী।

আদালত গত ৫ জানুয়ারি বিটিআরসি-রবির অডিট আপত্তির পাওনা দাবির ইস্যুতে আপাতত পাঁচ মাসের সমান কিস্তিতে ১৩৮ কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিল। যার প্রথম কিস্তি দেয়ার কথা ছিল ৩০ জানুয়ারির মধ্যে।

একইসঙ্গে আদালত অপারেটরটির বন্ধ থাকা এনওসি দিতে বলেছেন আদালত। রবি যদি ১৩৮ কোটি টাকার কিস্তি পরিশোধ না হলে আদালতের এই আদেশ প্রত্যাহার হয়ে যাবে।

রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম জানান, মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসারে প্রথম কিস্তির অর্থ মঙ্গলবার বিটিআরসিতে জমা দিয়েছে রবি।

‘মূলত সেবার ক্ষেত্রে আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের অবর্ণনীয় অসুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তা সমাধানের উদ্দেশ্যে আদালত নির্দেশিত প্রথম কিস্তির অর্থ জমা দেয়া হয়েছে। রবি ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে দেশের আইন-কানুনের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল। তবে অর্থ জমা দিলেও নিরীক্ষা প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অযৌক্তিক, সে বিষয়ে রবির অবস্থান এখনো দৃঢ় এবং স্পষ্ট। তাই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কিস্তির যে অর্থ জমা দেয়া হয়েছে তা যথাসময়ে ফেরত পাবে বলে তাদের বিশ্বাস।’ বলেন তিনি।

তিনি জানান, ‘এই নিরীক্ষা প্রতিবেদন ইস্যুতে রবির শেয়ারহোল্ডাররা স্বাধীনভাবে অন্যান্য বিকল্প আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবেন ন্যায়বিচার পাওয়ার লক্ষ্যে। এটি অনস্বীকার্য, যে প্রক্রিয়ায় পুরো বিষয়টি এখন পর্যন্ত এগিয়েছে তা বিনিয়োগকারীদের আস্থায় বড় ধরনের ফাটল তৈরি করেছে।’

এই পাওনা দাবি আদায়ে ২০১৯ সাল জুড়েই নানা পদক্ষেপ নিতে থাকে বিটিআরসি। যেখানে ব্যান্ডইউথ ক্যাপাসিটি ব্লক, এনওসি বন্ধ, লাইসেন্স বাতিলে কারণ দর্শানো নোটিশের মতো ব্যবস্থা রয়েছে।

এরমধ্যে  ঢাকার দেওয়ানি আদালতে মামলা করে রবি। আর এটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পাওনা আদায়ে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করে তারা। নিম্ন আদালত রবির এই আবেদন আবেদন খারিজ করে দেন। এরপর অপারেটরটির এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে রবি, যার রায় কয়েকবার পিছিয়ে ৫ জানুয়ারি হয়।

অডিট আপত্তির একই ইস্যু রয়েছে জিপির। দুটি অপারেটরেরই মামলা-মকদ্দমাসহ নানা ইস্যুর এসব জটিলতার মধ্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালও বিষয়টি সুরাহার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো সুরাহা না হলে সবশেষে জিপি-রবিতে প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত পর্যন্ত নেয়া হয়েছিল।

এডি/২০২০/১৫০০/ডিসেম্বর১৪

আরও পড়ুন –

রবিকে ১৩৮ কোটি টাকা দিতে আদালতের নির্দেশ 

বাধার পরও বাড়ছে জিপি-রবি 

লোকবল কমাচ্ছে রবি

*

*

আরও পড়ুন