বাধার পরও বাড়ছে জিপি-রবি

robi-gp-techshohor
ছবি : ফাইল ফটো
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অডিট সংক্রান্ত দাবি-দাওয়ার প্রেক্ষিতে দেশের বড় দুই অপারেটর গত জুলাই থেকে নানা বিধি নিষেধের মোকাবেলা করছে। আবার দাবির টাকা পরিশোধের বিষয়টিও সুরাহা হয়নি।

এ নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির সঙ্গে আইনি লড়াই চলছে শীর্ষস্থানীয় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবি’র।

এমন পরিস্থিতিতে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও প্যাকেজ অনুমোদনে বাধার মুখে থাকলেও গ্রাহকের দিক থেকে আরও কলেবর বেড়েছে অপারেটর দুটির। 

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) হিসাব বলছে, সর্বশেষ প্রকাশিত নভেম্বর মাসের প্রতিবেদন ‍অনুসারে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দুই অপারেটর মিলে সর্বশেষ পাঁচ মাসে ১৫ লাখ ৮৮ হাজার সংযোগ তাদের নেটওয়ার্কে টেনেছে।

এ সময়ে যত সংযোগ বেড়েছে এর পরিমাণ তার অর্ধেকের বেশি।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে সব মিলে দেশে মোবাইল সংযোগ বেড়েছে ৩০ লাখ ছয় হাজার।

এ সময়ে গ্রামীণফোনের গ্রাহক বেড়েছে সাত লাখ ৮৫ হাজার বা এক দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। নভেম্বরের শেষে গ্রাহক ও আয় বিচারে শীর্ষ অপারেটরটির কার্যকর মোবাইল সংযোগ আছে সাত কোটি ৬১ লাখ ১৫ হাজার।

অন্যদিকে গ্রাহক ও বিচারে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা রবি’র নেওয়ার্কে এই সময়ে কার্যকর সিম বেড়েছে আট লাখ তিন হাজার। নভেম্বরের শেষে তাদের নেটওয়ার্কে আছে চার কোটি ৮৭ লাখ ৪২ হাজার সংযোগ।

অথচ দুটি অপারেটরই প্রথমে ব্যান্ডউইথ সংকোচন করে দেওয়াসহ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং নতুন প্যাকেজ চালু করতে না পারাসহ নানা ধরণের বাধার মুখে রয়েছে।

গত জুলাই থেকে তারা নতুন কোনো অফার গ্রাহকদের জন্য আনতে পারেনি। সম্প্রসারণ করতে পারেনি নেটওয়ার্কও। নতুন নম্বর সিরিজ নিয়েও জটিলতার মধ্যে রয়েছে দুটি অপারেটর।

এরপরও তাদের গ্রাহক বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্রামীণফোন ও রবি বাদে বাকি দুটি অপারেটরের সেবার অবস্থা শোচনীয়। সে কারণেই সংযোগ যা কিছু বাড়ছে তার সবটাই চলে যাচ্ছে গ্রামীণফোন-রবিতে।

তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে করানো অডিটে বিটিআরসি গ্রামীণফোনের কাছে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে বলে দাবি করেছে।

একই সঙ্গে রবি’র কাছে ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা পাওনা দাবি করছে কমিশন। তবে অপারেটররা এই অডিটের ফলাফল মানছে না। সে কারণেই নানান বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে অপারেটর দুটির ওপর।

আরও পড়ুন –  সময়সীমা পেরোলেই জিপি-রবিতে প্রশাসক : জয়

এমন কি তাদের লাইসেন্স কেন বাতিল হবে না সে বিষয়েও তাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।

অন্যদিকে সর্বোচ্চ আদালত উভয় অপারেটরকে নূন্যতম কিছু টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

আদালতের বেধে দেওয়া সময়ে নির্দিষ্ট অর্থ না দিলে সরকারও প্রশাসক বসাবে বলে জানিয়েছে।

জেডএ/আরআর/জানুয়ারি ১৩/২০২০

আরও পড়ুন – 

২০০০ কোটি টাকা না দিলে জিপিতে প্রশাসক 

রাষ্ট্রপতিকে উকিল নোটিশ দিয়েছে জিপির মূল কোম্পানি টেলিনর

*

*

আরও পড়ুন