চূড়ান্ত অনুমোদন পেল স্টার্টআপ কোম্পানি

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : স্টার্টআপে বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা সংস্কৃতি গড়তে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের কোম্পানি গঠনের প্রস্তাবে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার ।

‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড কোম্পানি’ গঠনের ওই প্রস্তাব সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকটিতে সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠিত হবার পরে স্টার্টআপদেরকে মূল্যায়নের প্রেক্ষিতে সীড স্টেজে সর্বোচ্চ ১ কোটি এবং গ্রোথ গাইডেড  স্টার্টআপ রাঊন্ডে  সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারবে।

কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন হবে ৫০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন হিসেবে ৭ কোটি টাকা নিয়ে যাত্রা শুরু হবে কোম্পানির।

স্টার্টআপদের নিয়ে কাজ করা তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের আইডিয়া প্রকল্পের পরিচালক সৈয়দ মজিবুল হক টেকশহরডটকমকে জানান, এখন জয়েন্ট স্টকে নিবন্ধন নিয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু পথে এগোবো কোম্পানি। এর মধ্যে শুরুতে বোর্ড অব ডিরেক্টরসদের সভা আহবান, এমডি নিয়োগসহ বিভিন্ন কার্যক্রম রয়েছে।

‘এর আগে চলতি বছরের আগস্টে মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন পেয়েছিল এই কোম্পানি গঠনের প্রস্তাব। এর ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ-মতামত নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে আবার মন্ত্রিসভায় যায়’ বলছিলেন এই কর্মকর্তা।

সৈয়দ মজিবুল হক বলেন, স্টার্টআপের খাতে থাকা সরকারের ১০০ কোটি টাকা এই কোম্পানিতে ফান্ড হিসেবে দেয়ার প্রস্তাব দেয়া রয়েছে। এছাড়া কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হলে ফান্ড কোনো বিষয় হবে না, হাজার কোটি টাকা ভেঞ্চার তহবিল হতে পারে।

উদ্যোক্তারা আইডিয়া দিয়েই এই কোম্পানি হতে টাকা পাবেন। ব্যাংকে লোন পেতে যে মর্টগেজসহ কতকিছু লাগে এখানে তার কিছুই লাগবে না।

আরও পড়ুন – ৫০০ কোটি টাকা মূলধনের সরকারি স্টার্টআপ কোম্পানির অনুমোদন

এখানে ঋণের পরিমাণ ও সুদের হার কত হবে তা কোম্পানি কাজ শুরু করলে ঠিক করা হবে।

এর আগে চলতি বছরের ১৯ আগস্ট নীতিগত অনুমোদনের সময় কোম্পানির প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, কোম্পানির চেয়ারম্যান হবে তথ্যপ্রযুক্তি সচিব। পরিচালকের সংখ্যা হবে ৭ জন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদ মর্যাদার কর্মকর্তারা পর্ষদে থাকবেন। এতে ৩৬ জন জনবল থাকবে।

২০১৬ সাল থেকে স্টার্টআপ বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় এ নিয়ে কাজ করছে আইসিটি বিভাগ।

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এই উদ্যোগ নিয়ে জানিয়েছিলেন, এই কোম্পানির মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে দেশের এক হাজার স্টার্টআপের পাশে দাঁড়াবেন তারা।

কোম্পানির কাজ হবে মূলত বিকাশমান স্টার্টআপের পাশে দাঁড়ানো। এ ক্ষেত্রে সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোতে এই কোম্পানি থেকে বিনিয়োগ করার পাশাপাশি সেগুলোর পরিচালনার অংশীদারও হবে।

‘সরকারের এক হাজার কোম্পানিতে বিনিয়োগের লক্ষ্য থেকে যদি একটি বিশ্বমানের কোম্পানি বেরিয়ে আসে তাহলে তা পুরাে দেশের চেহারা বদলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে,’ বলে আসছেন পলক।

এডি/২০১৯/ডিসেম্বর৩০/১৭২০

আরও পড়ুন –

বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ট পাবে সেরা ১০ স্টার্টআপ 

স্টার্টআপ ফান্ডিং নিয়ে কোওয়ার্ক

*

*

আরও পড়ুন