তাদের পদত্যাগে অবাক নন গুগল কর্মীরা

গুগলের দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ ও সার্গেই ব্রিন। ছবি : বিজনেস ইনসাইডার
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অ্যালফাবেটের প্রতিষ্ঠাতা ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ ও সার্গেই ব্রিনের পদত্যাগে অনেকেই বেশ অবাক হয়েছেন।

তবে গুগল কর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়নি, সুন্দর পিচাইয়ের হাতে ক্ষমতা চলে যাওয়াতেও তারা উৎফুল্ল নন। কোম্পানি যেভাবে আগাচ্ছিল তাতে ক্ষমতার পালা বদলই যেন স্বাভাবিক ছিল।

এ বিষয়ে গুগল কর্মী রব প্রাইস ও অ্যালানা আখতার জানিয়েছেন, সুন্দর পিচাই ছাড়া অ্যালফাবেটের সিইওর পদ আর কেউ পেতে পারেন সেটা কখনও মনে হয়নি। কারণ তিনি এমন এক পর্যায় চলে গেছেন যেখানে প্রায় সব কিছুই তার নিয়ন্ত্রণাধীন।

দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতার পদত্যাগে গুগলের ভিতরে কোনো শূন্যতা তৈরি হয়নি। এতদিন তারা যেন থেকেও ছিলেন না। তবে বাকি বিশ্বের কাছে তাদের প্রস্থান নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠেছে।

বিশেষ করে ২১ বছর পর নিজেদের তৈরি করা কোম্পানি থেকে চলে যাওয়া মোটেও সহজ কিছু নয়। এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে কী কারণ ছিল তা বিশ্লেষণ করেছে সংবাদ মাধ্যম বিজনেস ইনসাইডার।

তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গুগল প্রতিষ্ঠাতার পর তারা ‘রক স্টার’ এর মতো জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। তারা প্লে বয় ম্যাগাজিনে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, প্রযুক্তি কনফারেন্সে গিয়ে ভক্তদের ভালোবাসা পেয়েছেন। কিন্তু এখন যুগ পাল্টেছে। প্রযুক্তি কোম্পানির সিইওদেরকে এখন খলনায়ক হিসেবে দেখা হয়।

তথ্য সংরক্ষণ, তথ্যের অপব্যবহার, তথ্য বিক্রি এসব অভিযোগে প্রায়ই সিইওদের নিশানা করে কথা বলছেন রাজনীতিবিদ, ব্যবহারকারী ও অ্যাক্টিভিস্টরা। এর সঙ্গে গুগলে যোগ হয়েছে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা। প্রায়ই বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নামছেন গুগল কর্মীরা।

এসব অশান্তি থেকে হয়তো দূরে থাকতে চেয়েছেন ল্যারি পেইজ ও সার্গেই ব্রিন। তাদের দুজনেরই বয়স এখন ৪৭। এই বয়সে অবসর নিয়ে তারা কী করবেন তা খোলাসা করে জানাননি তারা।

এ বিষয়ে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর পল সাফোর ভাষ্য, তাদের মাথায় আইডিয়ার কোনো কমতি নেই। নতুন কোনো স্টার্টআপ দাঁড় করাতেও তারা অবসর নিয়ে থাকতে পারেন।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে এজেড/ ডিসেম্বর ২৩/২০১৯/১৩০৫

আরও পড়ুন –

এক মাসে ৫ গুগল কর্মী চাকরিচ্যুত 

অ্যালফাবেটও চালাবেন সুন্দর পিচাই 

ল্যারি পেইজের হস্তক্ষেপ চান গুগল কর্মীরা

*

*

আরও পড়ুন