বছরের ৭৫ দিনই স্মার্টফোনে কাটায় ভারতীয়রা

ndian-smartphone-techshohor
ছবি : ইন্টারনেট
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : স্মার্টফোনের স্ক্রিনে যে আমরা বুঁদ হয়ে গেছি তার প্রমাণ সবসময়ই দিচ্ছি। রাত নেই, দিন নেই, বলতে গেলে সবসময়ই আমরা কোনো না কোনো ভাবে স্মার্টফোনে তাকিয়ে থাকি। 

ভারতের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ৭৫ দিনই কাটিয়ে দেন স্মার্টফোন স্ক্রিনে তাকিয়ে।

দেশটির এক প্রতিষ্ঠান স্মার্টফোনে প্রতিদিন সময় ব্যয় করার ওপর এক জরিপ চালিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ভারতের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা বছরের অন্তত ১৮০০ ঘণ্টা শুধু স্ক্রিনে তাকিয়ে কাটান। যা হিসাবে টানা ৭৫ দিন। 

প্রতিষ্ঠানটি একই সঙ্গে বলছে, এই পরিমাণ স্ক্রিনিং করার ফলে ব্যবহারকারীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে। 

চীনের ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভোর সঙ্গে জরিপটি চালিয়েছে ভারতের সাইবার মিডিয়া রিসার্চ নামের প্রতিষ্ঠানটি। 

সাইবার মিডিয়া রিসার্চ বলছে, জরিপে অংশ নেওয়া অর্ধেকের বেশি ব্যবহারকারী বলেছে তারা খুব কম পরিমাণেই ফোন বন্ধ রাখেন। সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার বন্ধ রাখতে নারাজ তারা। এমনকি বন্ধুদের সঙ্গে তারা যোগাযোগের জন্য ভার্চুয়াল প্লাটফর্মকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান। 

দেশটির আটটি শহরে এই সমীক্ষা চালিয়েছে ভিভো ও সাইবার মিডিয়া রিসার্চ। শহরগুলোর দুই হাজার স্মার্টফোন ব্যবহারকারী এতে অংশ নেন। যাদের মধ্যে ৬৪ শতাংশ পুরুষ ও ৩৪ শতাংশ নারী। 

সমীক্ষা চালাতে সরাসরি ও অনলাইনের মাধ্যমেই প্রশ্ন করে তার উত্তর নিয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো। যেখানে সমীক্ষার ৭৫ শতাংশ মানুষ জানিয়েছে তারা ১৯ বছরের আগেই হাতে স্মার্টফোন পেয়েছেন। আর ৪১ শতাংশ বলেছে, তারা স্কুলে পড়ার সময় থেকেই স্মার্টফোন ব্যবহার করে আসছেন। 

সমীক্ষায় অংশ নেওয়া তিন জনের একজন মনে করেন স্মার্টফোন ছাড়া এখন কোনো কিছু ভাবা কষ্টের। তারা অন্তত কারো সঙ্গে কথা বলার সময় ৫ মিনেটে একবার হলেও ফোন চেক করেন। 

সাইবার মিডিয়া রিসার্চের একজন গবেষক প্রভু রাম বলেন, স্মার্টফোনের ওপর মানুষের নির্ভরশীলতা আগের চেয়ে বহুগুণ বেড়েছে সত্যি। তবে এর পরিমাণটা নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের মানসিক ও শারীরিক শান্তির জন্যও  প্রয়োজন । 

ইএইচ/ ডিসে ২২/ ২০১৯/ ১৫৩৪

আরও পড়ুন – 

ইন্টারনেটের দাম সবচেয়ে কম ভারতে

কোন বয়সে কতটা স্ক্রিন টাইম 

সামাজিক মাধ্যম থেকে এশিয়া প্যাসিফিকে বেশি আয় ভারতের

*

*

আরও পড়ুন