দেশে মোবাইলের ৩০% গ্রে মার্কেট

টেকশহরের আলোচনায় ট্রানশান বাংলাদেশ লিমিটেডের সিইও রেজওয়ানুল হক। ছবি : টেকশহর
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে এখনো গ্রে মার্কেটে মোবাইল আনা বন্ধ হয়নি। এখনো অন্তত ৩০ শতাংশ মোবাইল গ্রে মার্কেটে আসছে। এর বাজার তিন হাজার কোটি টাকার বেশি।

গ্রে মার্কেটে মোবাইল আনা বন্ধ করা না গেলে সরকার যেমন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাতে থাকবে, তেমনি আবার স্থানীয় মোবাইল কারখানাগুলো বিপদের সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ট্রানশান বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক। 

টেকশহরডটকমের অতিথি হয়ে এক আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা জানান তিনি। রেজওয়ানুল হক বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমপিআইএ) সাবেক মহাসচিব।

শুরুতেই তিনি দেশের মোবাইল ফোনের গ্রে মার্কেট নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি গ্রে মার্কেটকে বড় একটা সমস্যা হিসেবে তুলে ধরে বলেন, দেশের এখন ৩০ শতাংশ মোবাইল গ্রে হয়ে আসছে। যা টাকার অঙ্কে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার বেশি আসছে অবৈধ পথে। যদি সরকারের ট্যাক্স ৫৮ শতাংশ হিসেবেও ধরি তাহলে অন্তত দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। 

তিনি বলেন, এখন দেশে মোবাইলের ম্যানুফ্যাকচারিং হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, সব মিলিয়ে এমন একটা অবস্থা দাঁড়াচ্ছে আমরা এখানে স্থানীয়ভাবে যেসব পণ্য উৎপাদন করছি, গ্রে মার্কেটে যেসব পণ্য আসছে তার দাম এতোটাই কম হচ্ছে যে দেশে উৎপাদিত পণ্যগুলোর দাম তার চেয়ে বেশি। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই এই বাজারে বড় প্রভাব ফেলছে। এভাবে চলতে থাকতে তো কারখানা করেও কোনো লাভ হবে না। 

দেশে এখন মোবাইল ফোনের আইএমইআই ডেটাবেইজ তৈরি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। বিএমপিআইএ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন যৌথভাবে কাজটি করছে। 

চলতি বছর স্মার্টফোনের পেনিট্রেশন গ্রোথ হয়েছে ১০ শতাংশের মতো বলে তিনি তুলে ধরেন। তবে দেশে এখনো আশানুরূপ স্মার্টফোনের পেনিট্রেশন হয়নি বলে জানান। দেশে এখনো মোট ৩০ শতাংশের মতো স্মার্টফোন ব্যবহারকারী। যা পাশের দেশগুলোতে বাড়লেও দেশে বাড়ছে না। 

এছাড়াও তিনি কথা বলেছেন দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের মান নিয়ে, বলেছেন টেকনো, আইটেল, ইনফিনিক্স মোবাইল সম্পর্কে। 

বিস্তারিত আলোচনা শোনা যাবে নিচের ভিডিওতে। তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিকম সম্পর্কিত সব খবর ও ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন টেকশহরের ইউটিউব চ্যানেল। 

ইএইচ/ ডিসে ২০/ ২০১৯/ ১২০০

 

*

*

আরও পড়ুন