Header Top

আরও সুবিধা চায় এমএনপি অপারেটর

mnp-techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : আগের নম্বর ঠিক রেখে মোবাইল অপারেটর বদলের সুযোগ এমএনপি সেবা চালুর মাত্র এক বছরের মাথায় সরকারের রাজস্বের অংশ কমাতে উঠে পড়ে লেগেছে ইনফোজিলিয়ান।

শর্ত অনুসারে সেবা চালু হওয়ার দ্বিতীয় বছর ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে অপারেটরটির মোট আয়ের ১৫ শতাংশ সরকারকে দেওয়ার কথা।

২০১৮ সালের ১ অক্টোবর থেকে দেশে এমএনপি সেবা চালু হয়।

তবে এমএনপি সেবাদাতা কোম্পানি ইনফোজিলিয়ান টেলিটেক বিডি সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) আবেদন করে বলেছে, তাদের পক্ষে এতটা রাজস্ব ভাগাভাগি করা সম্ভব নয়।

নতুন প্রস্তাবে ইনফোজিলিয়ান সরকারকে ৫ শতাংশ আয় দেওয়ার প্রস্তাব করেছে।

বিটিআরসি’র সর্বশেষ কমিশন বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বরং কমিশন আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী বৈঠকের উপস্থাপন করতে বলেছে।

সেবা শুরুর কয়েক মাস আগেই অপারেটরটি একবার আর্থিক সুবিধা পায়। ওই সময় অপারেটর বদলের জন্য গ্রাহকের নির্ধারিত চার্জ ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ টাকা করা হয়। ভ্যাটসহ যেটি এখন ৫৮ টাকা।

পরে আবার অপারেটর বদলের সুবিধা সহজ করতে চলতি বছরের শুরুর দিকে সরকার সিম রিপ্লেসমেন্টে ১০০ টাকা ট্যাক্স মওফুফ করে দেয়।

সরকারকে দেওয়া রাজস্বের অংশ কমানোর বিষয়ে ইনফোজিলিয়ান তাদের চিঠিতে বলেছে, শুরুতে তাদের ধারণা ছিল প্রতি মাসে অন্তত এক লাখ গ্রাহক এমএনপি সেবা নিয়ে অপারেটর বদল করবে। কিন্তু প্রথম নয় মাসে গড়ে প্রতি মাসে ৫৪ হাজার গ্রাহক সেবাটি নিয়েছেন। ফলে প্রত্যাশার তুলনায় তাদের আয় অনেক কম হয়েছে।

নিজেদের প্রস্তাবের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে ইনফোজিলিয়ান আরও বলছে, মোবাইল ফোন অপারেটরসহ, ল্যান্ডফোন কোম্পানিগুলো এবং আইপিটিএসপি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানও সরকারের সঙ্গে ৫ শতাংশের মতো রাজস্ব ভাগাভাগি করে।

গত ১০ বছর ধরে এই সেবা চালুর কথা বলা হলেও মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো নানা অজুহাতে তা বারবার পিছিয়ে দিয়েছে। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে একবার নিলাম আহ্বান করেও শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কথা বলে তা বাতিল করা হয়।

পরে বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইনফোজিলিয়ন বিডি টেলিটেককে বেছে নেওয়া হয়।

এমএনপি সেবা চালু করতে ২০০৮ সালে প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বর্তমানে সেবাটি চালু করতে আবেদন করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপারেটর বদলে যাচ্ছে। তবে পুনরায় অপারেটর পরিবর্তন করতে হলে তাকে ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হবে।

এমএনপির সেবা চালুর প্রথম এক বছরে ছয় লাখ ৯০ হাজার ৫৫০ জন গ্রাহক আগের নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদল করেছেন।

এর মধ্যে চার লাখ ৯৬ হাজার অন্য অপারেটর হতে রবিতে এসেছেন। এ সময়ে এনএনপি সেবার নেয়ার চেষ্টা করেও সফল হননি দুই লাখ ৫৬ হাজার ৬৩৩ গ্রাহক। এরমধ্যে এক লাখ ৬৮ হাজার ৬৬৫ জন রবিতে আসতে চেয়েছিলেন।

জেডএ/আরআর/ডিসেম্বর ৮/১৪.৩০

*

*

আরও পড়ুন