অবশেষে ৩ জায়ান্টের লাইসেন্স

Ride-sharing-techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দীর্ঘদিন থেকে রাস্তায় থাকলেও এবার সরকারি লাইসেন্স পেল উবার, পাঠাও ও সহজ। এর আগে আরও ছয় কোম্পানি সড়ক পরিবহনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরটিএর সনদ পায়।

দেশে রাইডিং শেয়ারিং সেবার বড় অংশই শীর্ষস্থানীয় এ তিন কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে। উবার ও সহজ বুধবার এবং আগের দিন পাঠাও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সনদ (এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট) পেয়েছে।

এর আগে অবশ্য রাইড শেয়ারিং এসব কোম্পানিকে বিআরটিএ অনুমোদন দিয়েছিল কার্যক্রম পরিচালনার।

বেশ কিছু প্রক্রিয়া শেষে সরকার লাইসেন্স দেওয়া শুর করলে সবার আগে চলতি বছরের জুলাইতে লাইসেন্স পায় পিকমি। এরপর ওভাই, ই-কমার্সে গ্রসারি ব্যবসার জন্য পরিচিত চালডাল, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমস, আকাশ টেকনোলাজি ও সিগেস্তা।

লাইসেন্সের শর্ত হিসেব এসব কোম্পানিকে চালক ও তাদের বাহন নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

এগুলোর বাইরে আরও কিছু রাইড শেয়ারিং কোম্পানির আবেদন রয়েছে বিআরটিএতে।

লাইসেন্স (এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট) পাওয়ার বিষয়ে পাঠাও মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিআরটিএর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। কোম্পানির সিইও ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মো. ইলিয়াস বলেন, তাদের লাইসেন্স প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে রাইড শেয়ারিং খাতের আইনি কাঠামো পূর্ণতা পেল। এ সনদ তাদের কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত লাখো মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে তাদের উদ্যোগের আরেকটি পদক্ষেপকে সুদৃঢ় করবে।

পাঠাও ২০১৬ সাল থেকে রাইড শেয়ারিং সেবা দিয়ে আসছে। বর্তমানে এ প্ল্যাটফর্মে দুই লাখের বেশি নিবন্ধিত চালক এবং প্রায় ৬০ লাখ নিবন্ধিত ব্যবহারকারী রয়েছে।

অন্যদিকে দেশের পরিবহন খাতে ২০১৪ সাল থেকে বাস টিকেটিং সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান সহজের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালিহা কাদির সনদ পাওয়ায় উচ্ছাস প্রকাশ করে জানান, বিজয়ের মাসে এ সনদ পেয়ে তারা আনন্দিত ও গর্বিত। এটিকে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন।

২০১৬ সালে দেশে প্রথম রাইড শেয়ারিং শুরু হলেও উবার রাস্তায় নামার পরই বিআরটিএ দেশে এমন সেবার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়েও রাইড শেয়ারিংকে অবৈধ ঘোষণা করে বন্ধের নির্দেশনা দেয় সংস্থাটি। তবে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপে তাদের অবস্থান পরিবর্তন হয়।

এরপর এ সেবা চালাতে নীতিমালা করা হয়। তখন ১৬ কোম্পানি লাইসেন্স পেতে আবেদন করে। ওই নীতিমালায় কিছু জটিলতা থাকায় পুরো লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া আটকে ছিল।

প্রথম নীতিমালায় একজন চালককে শুধু একটি কোম্পানির নেটওয়ার্কে নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হয়। সব রাইড শেয়ারিং কোম্পানি এর বিরোধীতা করে। এতে করে নীতিমালার এই অংশে পরিবর্তন আসে।

তা ছাড়া নতুন নীতিমালায় নিবন্ধনের প্রক্রিয়াও ডিজিটাল করা হয়। এতে করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে করা আগের সব আবেদন বাতিল হয়ে যায়। পরে আগ্রহী প্রতিষ্ঠান নতুন করে অনলাইনে আবেদন করে।

জেডএ/আরআর/ডিসেম্বর ৫/২০১৯/১২.১০

আরও পড়ুন –

রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মের কারণে বাড়ছে যানজট

ভুয়া ঠিকানায় নিবন্ধন হচ্ছে রাইড শেয়ারিংয়ে : পুলিশ

*

*

আরও পড়ুন