রোবটের গতিতে কাজ করে আহত হচ্ছেন কর্মীরা

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অ্যামাজনের ওয়্যারহাউজে দুর্ঘটনার ঘটনা তুলনামূলকভাবে বেশি।

দুর্ঘটনায় আহত হয়ে অ্যামাজনের অনেক কর্মীকেই কাজে বিরতি নিতে হচ্ছে। কিছু কাজ করার ক্ষেত্রেও তারা সমস্যা অনুভব করছেন। এ তথ্য জানিয়েছে, সংবাদ মাধ্যম আটলান্টিক।

তাদের প্রতিবেদনে জানা গেছে, অ্যামাজনের ওয়্যারহাউজে দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার হার অন্যান্য ওয়্যারহাউজের তুলনায় দ্বিগুণ। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ১১০ ওয়্যারহাউজের মধ্যে ২৭ ওয়্যারহাউজের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, ওয়্যারহাউজগুলোতে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ১০ জন আহত হন। অন্যান্য ওয়্যারহাউজে এই হার ৪ শতাংশ।

যেখান থেকে ক্রেতাদের কাছে পণ্য পৌঁছানো হয় সেটাই ওয়্যারহাউজ হিসেবে পরিচিত। ওয়্যারহাউজগুলোতে লম্বা লম্বা র‍্যাকে পণ্য রাখা হয়। এসব পণ্য ভর্তি র‍্যাক বহন করে কর্মীদের কাছে নিয়ে যায় ছোট আকারে কমলা রঙের রোবট।

ওয়ারহাউজগুলো বিশাল আকারের হয়ে থাকে। তাই শেলফের তাক থেকে পণ্য আনা নেওয়া বা কনভেয়ার বেল্টে পণ্য রাখার কাজ করে রোবট। এতে কর্মীদের মাইলের পর মাইল হেঁটে পণ্য আনা-নেওয়া করতে হয় না।

এতে কাজ কর্ম দ্রুত সারতে পারেন কর্মীরা। তবে রোবটের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় তাদের।

প্রতি ১১ সেকেন্ডে একটি করে পণ্য স্ক্যানের কোটা পূরণ করতে হয় কর্মীদের।কোটা পূরণে ব্যর্থ হলে বিষয়টি লিখে রাখা হয়। কাজের গতি না বাড়লে পরবর্তীতে চাকরি হারানোর ভয় তো আছেই।

এছাড়াও, কাজের গতি ধরে রাখতে অনেক সময় মই ছাড়াই উঁচু জায়গা থেকে মালামাল নামান কর্মীরা। সময় বাঁচাতে ভারি জিনিস ওঠানোর ক্ষেত্রেও অন্যের সহায়তা নিতে পারেন না তারা। এতে করে অনেকেই পিঠের ব্যথা ও বাতের ব্যথায় ভুগছেন।

তবে এসব দুর্ঘটনা প্রমাণ করে না রোবটই এর জন্য দায়ী। যেসব ওয়্যারহাউজে দুর্ঘটনার সংখ্যা কম সেখানে রোবটের ব্যবহার হয় কি হয় না সে সম্পর্কেও স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই।

ওয়্যারহাউজের কর্মীরা যে চাপের মুখে পরে বিরতিহীনভাবে কাজ করতে বাধ্য হন সে বিষয়ে আগেও বেশ কিছু রিপোর্ট প্রকাশ করেছে পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যমগুলো।

ম্যাশেবল অবলম্বনে এজেড/ নভেম্বর ২৬/২০১৯/১১২৫

*

*

আরও পড়ুন