অবশেষে নতুন এনটিটিএন লাইসেন্সের অনুমোদন

Evaly in News page (Banner-2)

আল-আমীন দেওয়ান, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অন্য কোম্পানিগুলোর ব্যাপক আধিপত্য কমিয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াতে দীর্ঘ সময় পর এনটিটিএন লাইসেন্সের অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের সুপারিশে বৃহস্পতিবার বাহন লিমিটেড নামে নতুন বেসরকারি কোম্পানিকে এই  লাইসেন্সের অনুমোদন দিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

বুধবার বিটিআরসি এই সুপারিশ করলে এক দিনের মধ্যেই সেটির অনুমোদন দিয়ে দেয়া হলো।

ইস্পাহানি গ্রুপের বিবিটিএস, অগ্নি, ভেনাসসহ আরও কয়েকটি কোম্পানির যৌথ উদ্যোগ এই বাহন।

দেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতারা ও মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো অনেকদিন হতেই অনেকগুলো নতুন ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন্স ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক বা এনটিটিএনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

দেশের ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিম টেকশহরডটকমকে বলেন, দেশে আরও কয়েকটি এনটিটিএন লাইসেন্স দরকার, এ দাবি দীর্ঘদিনের। এখন দুটি কোম্পানির আধিপত্য রয়েছে। কোম্পানির সংখ্যা বাড়লে দামে প্রতিযোগিতা হবে এবং সেবার মান আরও ভাল হবে। আর এর সুফল পাবে সাধারণ মানুষ কারণ আইএসপিরা সুবিধা পাবে।

বর্তমানে দুটি বেসরকারি অপারেটর ফাইবার অ্যাট হোম এবং সামিট কমিউনিকেশন্স লিমিডেট এনটিটিএন ব্যবসার বেশিরভাগই করছে।

এর বাইরে তিনটি সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ টেলিকমিউনেকেশন্স কোম্পানি লিমিডেট বা বিটিসিএল, রেলওয়ে এবং পিজিসিবিকে এনটিটিএন লাইসেন্স দেওয়া হলেও তাদের এ ব্যবসায় খুব একটা মনোযোগ নেই।

২০০৮ সালে জরুরি অবস্থায় নীতিমালা করার পর ফাইবার অ্যাট হোমকে লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিটিআরসি। পরে ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে তাদেরকে লাইসেন্স হস্তান্তর করা হয়।

আর ওই একই বছরের শেষে লাইসেন্স দেওয়া হয় সমিটকে।

কিন্তু এরপর অনেকগুলো আবেদন পড়লেও বিটিআরসি বা সরকার নতুন লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়নি।

মূলত রাস্তাঘাট থেকে অযাচিত ফাইবার অপটিক কেবল সরিয়ে ফেলা এবং একই জায়গায় বারবার একই ধরণের ফাইবার নেটওয়ার্ক যাতে তৈরি না হয় সে জন্যেই এই লাইসেন্স দেওয়া হয়।

মূলত এনটিটিএন লাইসেন্স সেবা প্রবর্তনের ফলে দেশে অন্য কারও আর ফাইবার নেটওয়ার্ক তৈরি করার আইনগত অধিকার থাকে না। তাতে করে ফাইবার অ্যাট হোম এবং সামিটের পক্ষে ব্যবসার পরিধি বড় করা অনেক ক্ষেত্রেই সহজ হয়ে যায়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশ যেভাবে ডিজিটাইজেশানের পথে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে আরও অন্তত কয়েকটি এনটিটিএন লাইসেন্স দেওয়া উচিৎ সরকারের।

এসআইজেড/এডি/২০১৯/নভে২১/২২০০

*

*

আরও পড়ুন