গ্রামীণফোনকে অপেক্ষা করতে বললেন আদালত

grameen-phone-startup-techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গ্রামীণফোনের কাছে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা পাওনার অডিট আপত্তির বিষয়ে আদেশ পিছিয়েছে।

২৪ নভেম্বর বিষয়টি পরবর্তী আদেশের জন্য রেখেছেন আদালত।

সেই সঙ্গে এই সময়ের মধ্যে বিষয়টি মিমাংসার জন্য অন্য কোনো ফোরাম বা মধ্যস্ততাকারীর কাছে গ্রামীণফোনকে না যেতে বলেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারকের আপিল বেঞ্চ।

এদিন গ্রামীণফোনের পক্ষে আদালতে আইনজীবী ছিলেন এএম আমিন উদ্দিন, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, মেহেদী হাসান চৌধুরী, শরীফ ভূঁইয়া ও তানিম হোসেইন শাওন। অন্যদিকে বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও খন্দকার রেজা-ই-রাকিব।

এর আগের শুনানিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) ২০০ কোটি টাকা দিতে চায় বলে আপিল বিভাগকে জানায় গ্রামীণফোন।

অর্থমন্ত্রী ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা বৈঠকে যে প্রস্তাবনা সে  অনুযায়ী ওই টাকা দিতে চায় বলে জানায় অপারেটরটি।

গ্রামীণফোনের আইনজীবী শেখ ফজলে নূর তাপস বিটিআরসির দাবি ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকার মধ্যে অপারেটরটি ২০০ কোটি টাকা দিতে রাজি বলে জানান।

তিনি ৩ অক্টোবর জিপি-রবির সঙ্গে অর্থমন্ত্রী,  ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর যে সমঝোতা বৈঠক হয়েছিল সে অনুযায়ী বিষয়টি সুরাহা চান।

ওই শুনানি বিটিআরসির পক্ষের আইনজীবীরা এর বিরোধীতা করেন। বিটিআরসির আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতকে গ্রামীণফোনের কাছ থেকে বিটিআরসির পাওনা আদায়ের ওপর হাইকোর্টের দেয়া নিষেধাজ্ঞা স্থগিত চান।

পরে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ওই দিন কোনো রায় না দিয়ে এ বিষয়ে আদেশের জন্য আজ সোমবার (১৪ নভেম্বর) দিন ধার্য করেন।

বছরের পর বছর ধরে অডিট করা নিয়ে নানা জটিলতা, আইন-আদালতের পর শেষ পর্যন্ত তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে করানো অডিটে বিটিআরসি গ্রামীণফোনের কাছে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে বলে দাবি করে। একই সঙ্গে রবির কাছে ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা পাওনা দাবি নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটির।

আর এই দাবি আদায়ে ব্যান্ডইউথ ক্যাপাসিটি ব্লক, এনওসি বন্ধ, লাইসেন্স বাতিলে কারণ দর্শানো নোটিশ, প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্তের মতো ব্যবস্থা নেয় বিটিআরসি।

এর মধ্যে নানা বিভিন্ন পক্ষের নানা আলোচান সমঝোতার চেষ্টা চলে। সবশেষ ৩১ অক্টোবর সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে  অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা করা যায়নি। এটি এখন আদালতের মাধ্যমে সুরাহা হবে।

তবে দুই আপারেটর এখনও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজতে চাইছে।

*

*

আরও পড়ুন