গেইমিং হিরোরা যাবে কুয়ালালামপুর

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : কারো যেন বিরাম নেই। চোখের দৃষ্টি মোবাইল স্ক্রিনে, আসলে মোবাইল স্ক্রিনে বললে ভুল হবে, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি শত্রুর দিকে। শত্রুকে ধ্বংস করেই যেতে হবে এগিয়ে।

মঞ্চের ঠিক সামনে পাতা টেবিল-চেয়ার। সেই চেয়ারে বসেই শত্রু ধ্বংসের খেলায় মেতে উঠেছেন ৪৮ গেইমার। এখান থেকেই বিজয়ী হতে লড়াই করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলা ইউনিটি, টর্চারসেল লাইন আপ হয়েছে প্রথম রানার আপ এবং টিম ইনক্রেডিবল হয়েছে দ্বিতীয় রানার আপ। 

দৃশ্যটি দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেডের আন্তর্জাতিক অনলাইন গেইমিং প্রতিযোগিতা  ‘আজিয়াটা গেইম হিরো’র বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপের।

রবি আজিয়াটার দুই ব্র্যান্ড রবি ও এয়ারটেলের আয়োজনে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘আজিয়াটা গেইম হিরো’ আন্তর্জাতিক গেইমিং প্রতিযোগিতা।

প্রতিযোগিতায় প্রতি দলে চারজন করে ১২টি দলের মোট ৪৮ প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। সেখান থেকে ছয়টি দল প্রায় ছয় লাখ টাকার পুরস্কার জিতেছেন।

আগামী ২১ ও ২২ ডিসেম্বর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিতব্য আজিয়াটা আয়োজিত আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গ্র্যান্ড ফিনালে প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে বাংলাদেশের বিজয়ী তিনটি দল।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন রবির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ। এ সময় রবির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার প্রদীপ শ্রীবাস্তবসহ রবি এবং এর মূল কোম্পানি আজিয়াটার উচ্চপদস্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের মোট দুই লাখ গেইমার এ প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করেছিলেন। আয়োজনের প্রথম পর্বে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত ৪৮ জনকে নিয়ে গ্র্যান্ড ফিনালের জন্য ১২টি দল গঠন করা হয়।

জনপ্রিয় গেইম ‘ফ্রি ফায়ার’ নিয়ে আয়োজন করা হয় এই ‘গেইম হিরো’ প্রতিযোগিতাটি।

বাংলাদেশ থেকে শীর্ষ তিন দল ছাড়াও ক্যাম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার প্রতিযোগিতাও  আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন। এর আগে বাংলাদেশের রবি আজিয়াটা লিমিটেডের মতো ওই দেশগুলিতেও আজিয়াটা পরিচালিত অন্যান্য কোম্পানিগুলো নিজ নিজ দেশে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে রবির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, এই গেইমিং প্রতিযোগিতায় দেশের তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে আমি অভিভূত। আমার বিশ্বাস আন্তর্জাতিকমানের এই গেইমিং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের চলমান ধারার সঙ্গে একাত্ম হতে পেরেছে।

গেইমিংয়ের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা সম্পর্কে তিনি বলেন, সময়ের অপচয় মনে হলেও এখন শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের জন্য মানসিক বিকাশ, হাত ও চোখের সমন্বিত কার্যক্রমের বিকাশ, দ্রুত সিদ্ধান্ত দিতে মস্তিস্ককে উদ্দীপ্ত করতে গেইমিংকে একটি কার্যকর মাধ্যম বলে বিবেচনা করা হয়।

মাত্রারিক্ত যে কোন কিছুরই নেতিবাচক দিক থাকে; তবে এখন বিশ্ব জুড়েই গেইমিংয়ের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

ইএইচ/ নভে ১১/ ২০১৯/ ২১২০

*

*

আরও পড়ুন