যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ এবার টিকটকের বিরুদ্ধে

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে এই তদন্ত শুরু করছে ওয়াশিংটন।

২০১৭ সালে চীনের বাইটড্যান্স ছোট ছোট মিউজিক ভিডিও তৈরির যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ্লিকেশন মিউজিক্যালি ১০০ কোটি ডলারে কিনে নেয়। তারপর অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে পয়সাওয়ালা স্টার্টআপ হয়ে ওঠে টিকটক।

এদিকে চলতি বছরের অনেকটা শুরু থেকেই ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে বাণিজ্য ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের বিষয়ে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার মধ্যেই টিকটক মার্কিন কিশোরদের কাছে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের ২৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীদের প্রায় ৬০ শতাংশের বয়স ১৬ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের  আইনবিদরা সাম্প্রতিক মাসগুলিতে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সেন্সরশিপ এবং বাইটড্যান্সের ব্যক্তিগত ডেটা পরিচালনার বিষয়ে উদ্বেগ নিয়ে তদন্তের জন্য অনুরোধ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে বৈদেশিক বিনিয়োগ সম্পর্কিত কমিটি (সিএফআইইউএস) টিকটকের সঙ্গে মিউজিকালির সম্পদ হস্তান্তর এড়াতে যে ব্যবস্থা নিতে পারে তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করছে।

সিএফআইইউসের যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের একজন মুখপাত্র বলেছেন, আইন অনুসারে সিএফআইইউএসের তথ্য প্রতিষ্ঠানটি জনসাধারণের কাছে প্রকাশ করতে পারে না। গত সপ্তাহে, মার্কিন সিনেটের সংখ্যালঘু লিডার চক শুমার এবং সিনেটর টম কটন জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জোসেফ ম্যাকগুয়ারকে একটি চিঠিতে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য তদন্ত চেয়েছিলেন।

তারা বলেছেন, ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারকারীর ডেটা সংগ্রহ নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।

গত মাসে টিকটকের প্রধান ও মিউজিক্যালির প্রতিষ্ঠাতা অ্যালেক্স ঝু সরাসরি বাইটড্যান্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাং ইয়িমিংয়ের কাছে রিপোর্ট করা শুরু করেছেন।

মার্কিন সিনেটর জোশ হাওলি একটি টুইটে বলেছেন, যেসব চীনা প্রযুক্তি কোম্পানি গ্রাহকদের তথ্য ঝুঁকির মধ্যে ফেলে সেগুলো সম্পর্কে আগামী সপ্তাহে নির্ধারিত শুনানিতে টিকটকের সাক্ষ্য দেয়া উচিত।

ফেইসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গ কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য সেন্সর সম্পর্কিত উদ্বেগ নিয়ে অ্যাপটিকে সমালোচনা করেছেন। তবে তারাও টিকটককে প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবে তার অনুকরণেই অ্যাপ আনার কথা জানিয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র একই অভিযোগ এনে চীনা টেলিকম জায়ান্ট হুয়াওয়েকে দেশটিতে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে কালো তালিকাভুক্ত করেছে দেশটির বাণিজ্য বিভাগ।

পিএন/ ইএইচ/ নভে ০৩/ ২০১৯/ ১৪০০

*

*

আরও পড়ুন