দুই সপ্তাহ সময় পেল গ্রামীণফোন

grameen-phone-startup-techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গ্রামীণফোনের কাছ থেকে বকেয়া আদায় ও হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিষয়ে শুনানি আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আপিল বিভাগ।

একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির পাওনার মধ্যে কত টাকা এখন জমা দিতে পারবে তা আদালতকে জানাতে মোবাইল ফােন অপারেটরটিকে দ্বিতীয় দফায় দু’সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) অধিকতর নিরীক্ষার পর গ্রাহক সেরা অপারেটরটির কাছে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা পাবে বলে দাবি করে আসছে। এ নিয়ে নানান পর্যায়ে আলোচনা হলেও সুরাহা হয়নি।

বিটিআরসি বকেয়া না পেয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে অপারেটরটির এনওসি বন্ধ রেখেছে।

আপিল বিভাগে বৃহস্পতিবার শুনানির পর গ্রামীণফােন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞার পরও বিটিআরসি অসহযোগিতা না করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

অপারেটরটি আদালতের নিষেধাজ্ঞা মেনে ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে উদ্যোগ নিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে অনুরোধ করেছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কাস্টমসে আটকে পড়া মালামাল খালাস করা, নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ জন্য উপকরণ আমদানি করা এবং গ্রাহকদেরকে নতুন পণ্য ও সেবা প্রদানের পদক্ষেপ গ্রহণ ও অনুমতি দিতে বলেছে।

একই সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধপূর্ণ অডিট দাবির স্বচ্ছ এবং গঠনমূলক সমাধানের অঙ্গীকার পুর্নব্যক্ত করেছে।

বৃহস্পতিবার আপলি বিভাগে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ গ্রামীণফোনকে এই সময় দেন। শুনানিতে বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহবুবে আলম ও আইনজীবী ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব। অন্যদিকে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এএম আমিন উদ্দিন ও ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান চৌধুরী। 

এর আগে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ গত ১৭ অক্টোবর গ্রামীণফোনের কাছ থেকে দাবি করা মোট ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাওনা আদায়ের ওপর দু’মাসের স্থগিতাদেশ দেন।

গ্রামীণফোনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিষেধাজ্ঞাসহ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে আগামী ৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

অন্যদিকে ওই একই সময়ে করা রবির অডিটে ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা পাওনা দাবি করেছে কমিশন।

এই দাবি আদায়ে বিটিআরসি প্রথমে দুই অপারেটরের ব্যান্ডইউথ ক্যাপাসিটি ব্লক করা পরে যে কোনো ধরণের সেবা বা আমাদানির অনুমোদনও বন্ধ করে দেয়।

সব শেষে লাইসেন্স বাতিল বিষয়ে কারণ দর্শানো নোটিশ ইস্যুর পর প্রশাসক নিয়োগের দিকে এগিয়ে যায় কমিশন।

জেডএ/আরআর/ অক্টােবর ৩১/ ২০১৯/ ১৬২০

আরও পড়ুন : আলোচনা ভেস্তে গেছে, জিপি-রবিকে দায়ী করলেন অর্থমন্ত্রী

*

*

আরও পড়ুন