সাকিব নিষিদ্ধ, ফেইসবুকে মাতম

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ কর হয়েছে। 

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল আ আইসিসি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এমন খবর জানানোর পর সামাজিক মাধ্যমে চলছে মাতম। দেশের ক্রিকেট ভক্তরা নিজেদের মতামত আর সাকিবের শাস্তি কমানোর দাবি করছেন। 

সাকিববে নিষিদ্ধের পরই দেশের সব গণমাধ্যম, আন্তর্জাতিক অনেক গণমাধ্যমের শিরোনাম এখন এটিই। 

ঠিক এই মুহূর্তে যদি আপনি ফেইসবুকে লগইন করে থাকেন তবে তা স্ক্রল করলে ১০০ পোস্টের মধ্যে ৯০ এর বেশি পোস্ট চোখে পড়বে সাকিব আল হাসানকে নিয়ে। 

অনেকেই সাকিবের এমন শাস্তির বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। অনেকেই একে একেবারে উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলছেন, আবার অনেকেই বিষয়টিকে মেনেই নিতে পারছেন না। 

আজকের দিনটাকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য কালো দিন হিসেবে লেখা থাকবে জানিয়ে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান এবং ফ্রিল্যান্স কলাম লেখক শরিফুল হাসান লিখেছেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটে দিনটা কালো দিন হয়ে থাকবে। এই দেশে আর কোন সাকিব আসবে কী না আমি সন্দিহান! জানি না সাকিব ফের ক্রিকেটে ফিরবে কী না। ১১ দফা আর ভারত সফরের আগে এমন সিদ্ধান্ত বলে আমি আইসিসিকে আজীবন সন্দেহ করবো। বাংলাদেশের ক্রিকেট দুর্দিন থেকে আর বের হতে পারবে কী না জানি না। তবে সা‌কি‌বের প্রতি আমার ভালোবাসা থাকবে আগের মতো। ভা‌লোবাসা সা‌কিব। পাশে আছি সবসময়।

সামিউল করিম আবার অন্য একটি দিক তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তিনি রিখেছেন, বাংলাদেশের ক্রিকেট কূটনীতি আরো সমৃদ্ধ হওয়া উচিত। আইসিসির চোখে আমরা কতটুকু শক্তিধর?

আয়মান আহমেদ নামের একজন লিখেছেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটের কালো অধ্যায়। সাকিববিহীন বাংলাদেশ ক্রিকেট যে শিশু। 

আবার অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে ইতোমধ্যে ইভেন্ট তৈরি করে সাকিবের শাস্তি কমানোর জন্য আইসিসিকে অনুরোধ জানানোর কথাও বলছেন। 

সাকিবকে যে শাস্তি দেওয়া হলো সেটা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য হিসেবে বর্ণনা করে আরাফ ইসলাম লিখেছেন, দুই বছর আগের ঘটনা। কেনো হুট করে সামনে আসলো? সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার। 

তবে এসবের পাশাপাশি বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনকেও এক হাত নিচ্ছেন দেশের ক্রিকেট প্রেমীরা। ইতোমধ্যে তার পদত্যাগ দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন সাকিবভক্তরা। 

রায়হানুল রানা নামের একজন লিখেছেন, বিসিবি সম্রাট, ক্রিকেটারদের জন্য নাকি সব আপনিই করেন, তাহলে সাকিবের নিষেধাজ্ঞা কেনো আটকালেন না, নাকি আপনিও এটাই চেয়েছিলেন?

সাকিবকে যে বুকিরা ম্যাচ পাতানোর অফার দিয়েছিল তা সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যাখান করেন তিনি। কিন্তু বিষয়টি আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বোর্ড বা আইসিসিকে সবিস্তারে জানাতে হয়। সেটা জানায়নি সাকিব।

ইতোমধ্যে সাকিব আল হাসান বিষয়টির ভুল স্বীকার করে ক্ষমাও চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, যে খেলাটি ভালোবাসি সেখান থেকে নিষিদ্ধ হয়ে আমি অবশ্যই অসম্ভব কষ্ট পাচ্ছি। কিন্তু আমার কাছে অনৈতিক প্রস্তাব আসার পরও না জানানোর ফলে আমার শাস্তি আমি মেনে নিয়েছি। আইসিসির দুর্নীতি বিষয়ক কমিটি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে খেলোয়াড়দের ওপর নির্ভর করে। এ ঘটনায় আমি আমার দায়িত্ব পালন করতে পারিনি। 

ইএইচ/ অক্টো ২৯/ ২০১৯/ ২০১০

আরও পড়ুন – 

সামাজিক মাধ্যম জুড়ে সাকিব 

গ্রামীণফোনের নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর সাকিব 

সাকিবের জীবনী নিয়ে বই আনলো বাংলালিংক 

টুইটার সমাজে সাকিবই হিরো

*

*

আরও পড়ুন