লাইসেন্স নেই, এনওসিতে চলছে টেলিটক

teletalk-4G-techshoshor
ছবি : সংগৃহীত
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বকেয়া পরিশোধের আগেই এনওসি পেয়ে যাওয়া, সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে ‘পরীক্ষামূলকভাবে’ থ্রিজি সেবা দিতে পারার বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটরটি।

চলতি বছরের আগস্টেই শেষ হয়ে গেছে মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের ১৫ বছরের টুজি লাইসেন্সের মেয়াদ।

সময় মতো আবেদন না করায় এখনও তাদের লাইসেন্স নবায়ন হয়নি। তবে সরকারি প্রচেষ্টায় ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি)’ ঠিকই পেয়েছে। বিকল্প এ উপায়ে অপারেটরিট সেবা কার্যক্রম চালু রেখেছে।

৩১ আগস্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগের সর্বশেষ দিন জরুরি ভিত্তিতে তাদেরকে এনওসি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কর্মকর্তারা।

এর আগে জুলাই মাসে এক কমিশন বৈঠকে লাইসেন্স নবায়ন বিষয়ে টেলিটকের কোনো সাড়া শব্দ না থাকায় তাদের কাছ থেকে আবেদন চেয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে তার প্রেক্ষিতেই অপারেটরটির লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়।

বিটিআরসি সম্প্রতি টেলিটকের লাইসেন্স নবায়নের সুপারিশ করে তা অনুমোদনের জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ে পাঠিয়েছে। এ ক্ষেত্রে অপারেটরটির বকেয়ার প্রসঙ্গ তোলা হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এর আগে ২০১১ সালে বেসরকারি চার মোবাইল ফোন অপারেটর – গ্রামীণফোন বাংলালিংক, রবি ও সিটিসেলের লাইসেন্স লাইসেন্স নবায়ন করা হয়। নবায়নের সময় স্পেকট্রাম নবায়ন ফি হিসেবে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা নেয় বিটিআরসি। এর অর্ধেকটাই আসে গ্রামীণফোনের পকেট থেকে।

কোনো টাকা বাকি থাকলে লাইসেন্স নবায়ন না করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত আছে কমিশনের।

রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটকের বেলায় এ নিয়ম প্রয়ােগ করা হবে না তা ইতোমধ্যে সুস্পষ্ট হয়েছে।

২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর দেশের পঞ্চম অপারেটর হিসেবে লাইসেন্স নিয়েছিল টেলিটক। এরপর সেবা চালু করতে আরও এক বছরের বেশি সময় লেগে যায়।

শুরুতে গ্রাহকের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেললেও পরবর্তীতে আর সুবিধা করতে পারেনি সরকারি কোম্পানিটি। গ্রাহক সেবায় নতুন কিছু করতে না পারায়ই মূলত তারা পিছিয়ে পড়ে বলে মনে করছেন সংশ্লষ্টরা।

২০১২ সালে অন্য বেসরকারি অপারেটরগুলোর অন্তত এক বছর আগে থ্রিজি সেবা চালু করে টেলিটক। এতে তারা বাড়তি কিছু গ্রাহক আকৃষ্ট করতে সমর্থ হলেও শেষ পর্যন্ত সেই জয়পাত্রা আর ধরে রাখতে পারেনি।

বিটিআরসি’র হিসেবে অনুসারে আগস্ট মাসের শেষে দেশের মোট কার্যকর মোবাইল সংযোগ আছে ১৬ কোটি ২৫ লাখ ৮৩। এর মধ্যে টেলিটক মাত্র ৪৩ লাখ ৮৬ হাজার। অথচ তাদের গ্রাহক সংখ্যা একটা পর্যায়ে অর্ধ কোটিতে চলে গিয়েছিল।

জেডএ/আরআর/২৭ অক্টােবর/২০১৯

আরও পড়ুন –

টেলিটকের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ আগস্ট 

টানা পতন ঠেকছে না টেলিটকের

*

*

আরও পড়ুন