সক্ষমতা বাড়ছে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের

Submarine_Cable-techshohor-2
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

সিম-মি-উই-৫ কনসোর্টিয়ামে যুক্ত বাংলাদেশের দ্বিতীয় এই সাবমেরিন ক্যাবলের ক্ষমতা ১৫০০ জিবিপিএস। বর্তমানে এই ক্যাবল হতে ৭০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ আসছে।

সরকার চাইছে এই ১৫০০ জিবিপিএসের ক্ষমতা দ্বিগুণ করে ফেলতে। যদিও এই ক্ষমতা কতটুকু বাড়বে সেটি এখনও ঠিক হয়নি।

ইতোমধ্যে ক্যাবলটির সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব বিএসসিসিএলে তোলা হয়েছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার টেকশহরডটকমকে বলেনে,  যেভাবে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়েছে তাতে কিছু দিন পরে ব্যান্ডউইথের চাহিদা যে জায়গায় গিয়ে ঠেকবে তা সামাল দিতে সবদিক হতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

‘ একদিকে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের জন্য সি-মি-উই ৬ এ যুক্ত হয়েছি অন্যদিকে সি-মি-উই ৫ এর দ্বিতীয় ক্যাবলটিরও সক্ষমতা দ্বিগুণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এখন করিগরি উন্নয়ন ঘটিয়ে এই ক্যাবলে যতটুকু সক্ষমতা বাড়ানো যায়’ বলছিলেন মন্ত্রী।

বিডিনগ বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান এবং জাতিসংঘের ইন্টারনেট গর্ভনেন্স ফোরামে (আইজিএফ) মাল্টি স্টেকহোল্ডার এডভাইজারি গ্রুপের সদস্য সুমন আহমেদ সাবির টেকশহরডটকমকে জানান, বেশ কিছু যন্ত্রপাতি সর্বশেষ প্রজন্মের প্রযুক্তিতে উন্নয়ন করে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের সক্ষমতা দ্বিগুণ-তিনগুণ করে ফেলা সম্ভব।

‘যদি কনসোর্টিয়ামের সবাই যৌথভাবে এটি করে তাহলে এখানে ব্যয় কমে আসে না হয় এককভাবে করতে গেলে ব্যয় একটু বেশি হয়’ বলছিলেন এই ইন্টারনেট যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ।

এর আগে কারিগরি উন্নয়নের মাধ্যমে সি-মি–উই ৪ কনসোর্টিয়ামে দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের ক্ষমতা ১০০ জিবিপিএস হতে বাড়িয়ে ৪০০ জিবিপিএস করা  হয়েছে। বাংলাদেশ ওই প্রথম ক্যাবলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল ২০০৬ সালে।

দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ২০১৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর। উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  এর আগে একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি সি-মি-উই ৫ কনসোর্টিয়ামের ক্যাবলটিতে যুক্ত হয় বাংলাদেশ।

কনসোর্টিয়ামে এই এলাকার দেশগুলোর মধ্যে ছিল বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, ইউএই, জিবুতি, মিসর, তুরস্ক, ইতালি, ফ্রান্স, মিয়ানমার, ইয়েমেন। এই ১৯ দেশ ১৯টি ল্যান্ডিং পয়েন্টের মাধ্যমে এর সঙ্গে যুক্ত।

এই ক্যাবলের মেয়াদকাল ২০ থেকে ২৫ বছর। এখানে যুক্ত হতে সব মিলে বাংলাদেশের খরচ হয়েছিল মোট ৬০০ কোটি টাকা।

ইতোমধ্যে তৃতীয়  সাবমেরিন ক্যাবলের জন্য সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হওয়ার বিষয়টিও চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ। আর দেশের  তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে ১০ হাজার জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ নিচ্ছে বাংলাদেশ।

দেশে এখন ১৪০০ জিবিপিএসের মতো ব্যান্ডউইথ ব্যবহার হচ্ছে বলছে এ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো। এরমধ্যে  দ্বিতয়ি সাবমেরিন ক্যাবলের বাইরে ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল কোম্পানিগুলো আমদানি করছে ৩০০ এর মতো আর প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলে আসছে ৪০০ জিবিপিএস।

এডি/২০১৯/অক্টো২৬/২০০০

*

*

আরও পড়ুন