Header Top

জিপি-রবির ‘পাওনা’ বিরোধে নতুন মোড়, ফের আলোচনা

Evaly in News page (Banner-2)

আল-আমীন দেওয়ান, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  পাওনা দাবি আদায়ে জিপি-রবিতে প্রশাসক পাঠানোর সিদ্ধান্তের মতো চূড়ান্ত পর্যায় হতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

গণভবনে সোমবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের উপস্থিতিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসি ও জিপি-রবির শীর্ষ কর্মকর্তারা এই বিরোধ নিস্পত্তিতে আলোচনা শুরু করেছেন।

যেখানে এই আলোচনার লক্ষ্য দ্রুত একটি সুরাহায় পৌঁছানো। তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সব পক্ষের আলোচনা শুনেছেন এবং নির্দেশনা দিয়েছেন যেন বিষয়টি দ্রুত মিটমাট করে ফেলা হয়।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার টেকশহরডটকমকে বলেন, আমরা এ বিষয়ে এখুনি কিছু বলছি না। সব ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে, শিগগিরই ভাল ফলাফল জানবেন সবাই।

তবে বৈঠকের আলোচনার বিষয়ে যা জানা গেছে তা হলো, সবপক্ষ মিলে দ্রুত একটি টার্মস অ্যান্ড রেফারেন্স ঠিক করা হবে। এটি মূলত এই বিষয়ে সমঝোতা বা নিস্পত্তির একটি গাইডলাইন হবে।

এই পাওনা দাবির বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা থাকবে আগে ঠিক করা ওই টার্মস অব রেফারেন্স বা গাইড লাইনে।

আপারেটর দুটি  একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বিটিআরসির অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট করবে। যেখানে বিষয়টি হবে, অডিট রিভিউ বা পাওনা দাবির সুরাহায় ঠিক হওয়া টাকার সঙ্গে এই ডিপোজিটের যোগ-বিয়োগ। মানে, পাওনা যদি ডিপোজিটের তুলনায় কম হয় তাহলে বাকি টাকা অপারেটর দুটি ফেরত পাবে আর বেশি হলে বাকি টাকা যোগ করবে।

সপ্তাহখানের মধ্যেই এই পাওনা দাবির বিষয়টি মিটিয়ে ফেলতে চাওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার টেলিযোগাযোগ বিভাগে তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকেও এটি আলোচনায় থাকছে। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে এনবিআর-বিটিআরসি-অপারেটরের কয়েকদফা বৈঠক হবে।

বছরের পর বছর ধরে অডিট করা নিয়ে নানা জটিলতা, আইন-আদালতের পর শেষ পর্যন্ত তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে করানো অডিটে বিটিআরসি গ্রামীণফোনের কাছে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে বলে দাবি করে। একই সঙ্গে রবির কাছে ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা পাওনা দাবি নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটির।

আর এই দাবি আদায়ে ব্যান্ডইউথ ক্যাপাসিটি ব্লক, এনওসি বন্ধ, লাইসেন্স বাতিলে কারণ দর্শানো নোটিশের মতো ব্যবস্থা নেয় বিটিআরসি।

এরপর অপারেটর দুটির মামলা-মকদ্দমাসহ নানা ইস্যুতে আরও জটিলতার মধ্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালের উদ্যোগেও কোনো সুরাহা না হলে সবশেষে জিপি-রবিতে প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত পর্যন্ত নেয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের মধ্যে আবার গ্রামীণফোন হাইকোর্টে যায় যেখানে গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসির অডিট আপত্তির দাবি আদায়ে দুই মাসের স্থগিতাদেশ দেন হাইকোর্ট।

এডি/২০১৯/২১০০/অক্টো২১

আরও পড়ুন –

জিপি-রবির অডিট রিভিউয়ের তৃতীয় বৈঠকেও মেলেনি সুরাহার খোঁজ 

জিপি-রবিতে প্রশাসক বসানোর অনুমোদন

*

*

আরও পড়ুন